• সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

গ্যাসের দাম নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই : বিইআরসি চেয়ারম্যান  

  অধিকার ডেস্ক    ১৪ মার্চ ২০১৯, ২১:০০

বিইআরসি গ্যাসে
বিইআরসিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির আবেদনের ওপর গণশুনানি (ছবি : সংগৃহীত)

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেছেন, গ্যাস বিতরণ কোম্পানি যা-ই প্রস্তাব করুক না কেন যৌক্তিক পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। তাই গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিইআরসিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির আবেদনের ওপর টানা চার দিনের শুনানির সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মনোয়ার ইসলাম বলেন, বিতরণ কোম্পানি যা চায় আমরা সেই হারেই দাম বাড়াই না। আপনারা যদি অতীতের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন কোম্পানি যাই বলুক যৌক্তিক পর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। ২০১৭ সালে ৯৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল, বিইআরসি ১১ শতাংশ বাড়িয়েছিল। ২০১৮ সালে ৭৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিপরীতে কোনো দাম বাড়ানো হয়নি। আমরা তাদের চাওয়ার তুলনায় অনেক কম দাম বাড়াই বলে বিতরণ কোম্পানি অসন্তুষ্ট হয়, আবার দাম বাড়াতে গ্রাহক বিষয়টি ভাল চোখে দেখে না।

বিইআরসি চেয়ারম্যান, বিতরণ কোম্পানিগুলোকে আমি অনুরোধ করব যেন সঠিক পরিমাণে প্রস্তাব করে। কথায় আছে এলএমজি চাইলে কমপক্ষে পিস্তল তো পাওয়া যাবে এমন ভাবার কোনো সুযোগ নেই। সবার কথা আমরা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি এবং নোটও করেছি। কমিশন পুরোপুরি স্বাধীন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে বিচার-বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে। কিন্তু এটাও সত্যি আমরা কখনো কাউকে সন্তুষ্ট করতে পারিনি। স্বাভাবিকভাবে দাম বাড়লে ভোক্তাদের ওপর চাপ বাড়ে। এ কারণেই তারা অসন্তুষ্ট হন। গণশুনানিতে অনেকগুলো সুপারিশ এসেছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বলব বিষয়টি দেখার জন্য।’

চেয়ারম্যান জানান, স্থানীয় পর্যায়ও গণশুনানি করার প্রস্তাব এসেছে। বিইআরসি বিষয়টি বিবেচনা করবে।

এ সময় জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব জহির রায়হান উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিইআরসিকে অনেককিছু বিবেচনা করতে হবে। একদিকে যেমন ভোক্তা না থাকলে কোম্পানির কোনো দাম নেই, তেমনি কোম্পানি না থাকলে ভোক্তা সেবা পাবেন না। দুইপক্ষকেই বাঁচাতে হবে।

এর আগে ১১ মার্চ থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে গণশুনানি শুরু হয়। প্রথম দিনে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির হুইলিং চার্জ বৃদ্ধির আবেদনের ওপর শুনানি নেওয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ছয়টি বিতরণ কোম্পানি পক্ষ থেকে দাম বৃদ্ধির ওপর গণশুনানি হয়। প্রত্যেকেই ১০২ শতাংশ হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হয়, চড়া দরে এলএনজি আমদানির কথা। তবে ভোক্তাদের পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

ভোক্তারা গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইন বন্ধ, বাপেক্সকে শক্তিশালী করা, দেশীয় গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করার প্রস্তাব জানান।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড