• শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন

বায়তুল মোকাররম মসজিদে আল মাহমুদের জানাজা সম্পন্ন

  অধিকার ডেস্ক ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩৫

কবি আল মাহমুদ
কবি আল মাহমুদ (ফাইল ছবি)

দেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মসজিদে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জোহরের নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে তার জানাজা পড়ানো হয়।

কবির বড় ছেলে শরীফ আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুপুর ১২টার পর শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কবির মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। সেখানে কবি, সাহিত্যিকসহ সর্বস্তরের মানুষ কবির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রথম জানাজা শেষে সোনালী কাবিনের কবিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদে নেওয়া হয়।

তার আগে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে কবির মরদেহ নেওয়া হয় বাংলা একাডেমিতে। সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবির মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়া যাওয়ায় লোক লোকান্তরের এই কবিকে শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ০৫ মিনিটে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আল মাহমুদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। 

প্রিয় কবির মৃত্যুতে ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক, চলচ্চিত্রাঙ্গনসহ ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমেছে। কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার মরদেহ শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ প্রিয় কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কবিকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ওই দিন ইবনে সিনা হাসপাতালে তাকে প্রথমে সিসিইউতে ও পরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়।

তার পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য এই কবি।

কবি আল মাহমুদ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মুখ সমরেও অংশ নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী হিসেবে পরিচিত দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৬৬) ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড