• শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

‘ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলা হয়েছিল’

  অধিকার ডেস্ক    ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০০

শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে যেমন খুব চালাকির সঙ্গে মুছে ফেলা হয়েছিল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঠিক একইভাবে স্বাধীনতা অর্জনে তার যে অবদান সেটিও কিন্তু একসময় মুছে ফেলা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখে শেরাটন হোটেলের বলরুম মিলনায়তনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক ‘নাগরিক সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এমনকি বঙ্গবন্ধুর নাম নেয়াটাও যেন একটা অপরাধ- এ রকম একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর।’

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সাল থেকেই বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। আমাদের ভাষা আন্দোলনে, রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা অর্জনের ক্ষেত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর যে অবদান রয়েছে, সে অবদানের কথা সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তখনকার পাকিস্তানি গোয়েন্দা নথিতেও এসব তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বন্দি অবস্থাতেই তিনি যখন আদালতে বা হাসপাতালে আসতেন, তখনই কিন্তু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং নির্দেশনা দিতেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রত্যেকটা দলই অংশগ্রহণ রয়েছে। এত বিশাল আকারে অংশগ্রহণ অতীতে কখনও দেখা যায়নি। এবারের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই নির্বাচনে একেবারে গ্রাম থেকে শুরু করে শহরে, সব শ্রেণিপেশার মানুষ ভোট দিয়েছে। এমনকি ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসে তারা আমাদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, যেটি অতীতে কখনও হয়নি। তা ছাড়া সব শ্রেণিপেশার মানুষই…।

টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কেন ভোটটা তারা আওয়ামী লীগে দিল? দিয়েছে একটিই কারণ- তারা অতীতেও (আওয়ামী লীগকে) দেখেছে। বিএনপিকে মানুষ কেন ভোট দেবে সেটিই প্রশ্ন। জনগণ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মনোনয়ন দেয়া, ভোটে জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবে তা নির্ধারণ না করা এবং ‘মনোনয়ন বাণিজ্যের’ কারণেও জনগণ বিএনপিকে ভোট দেয়নি।

মিউনিখে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদের সঞ্চালনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার বিকালে জার্মানি পৌঁছান। টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটাই তার প্রথম জার্মান সফর।

আজ শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিরাপত্তা কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। সেখানে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর তিনি আলোচনায় অংশ নেবেন। ৬ দিনের এই সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতেও তিনি যোগ দেবেন। দেশ দুটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও তিনি অংশ নেবেন। সফর শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড