• বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস বাড়ছে 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জুন ২০২২, ১৫:৩৬
পাহাড়ে ঘর
পাহাড়ে ঘর তৈরি করে বসবাস

প্রতিবছর পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস বাড়ছে। কক্সবাজার শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ে ঘর তৈরি করে বসবাস করছে ৩ লাখের অধিক মানুষ। বন উজাড় ও পাহাড় কেটে ঘর তৈরিসহ নানা কারণে ধসে গত ১০ বছরে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও বর্ষার শুরুতে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে পাহাড় ধসে রবিউল হোসেন নামে পাঁচ বছর বয়সি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাত ৯টার দিকে কালারমারছড়ার অফিসপাড়ার পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রবিউল ওই এলাকার নজির হোসেনের ছেলে। বর্ষা শুরু হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই পাহাড় ধসের ঘটনায় সর্বত্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সূত্র জানায়, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে সারা বছর কোনো ব্যবস্থা নেয় না প্রশাসন। অথচ প্রতিবছর বর্ষা শুরু হলেই তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং চলে জোরেশোরে। এ ঘোষণাও মাইকিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় পাহাড় ধসে ঘটে মৃত্যুর ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন দায় এড়ানোর জন্য কোনোরকমে মাইকিং কিংবা জরুরি মিটিং করে নিজেদের দায়িত্ব শেষ করে।

জানা গেছে, কক্সবাজার শহর ও সদরসহ রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া এবং মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে বসবাস করছে সহস্রাধিক পরিবার। এসব এলাকায় প্রায় পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করা হয়েছে। বর্ষা শুরু হলে উল্লিখিত এলাকায় টানা বৃষ্টিতে ক্ষতবিক্ষত পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধসে পড়ে। এতে ঘটে অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যুর ঘটনা।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, পাহাড় ধস কমাতে হলে জনগণকে সচেতন হতে হবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড় কাটা বন্ধ করতে জনগণকে অনুরোধ জানিয়ে পাহাড়ে বেশি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

ওডি/আজীম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড