• রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৬  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন

২৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুত ভাসান চর : মায়া

  অধিকার ডেস্ক    ১২ অক্টোবর ২০১৮, ১২:২৬

সংবাদ সম্মেলন অধিকার
সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় তিতলি মোকাবেলার প্রস্তুতি বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিন ভাসান চরের উদ্বোধন করা হবে, আমরা প্রস্তুত, সেখানে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে নেওয়ার মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।' 

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় তিতলি মোকাবেলার প্রস্তুতি তুলে ধরতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে এসব কথা জানান তিনি 

মায়া বলেন, 'এক লাখ রোহিঙ্গার জন্য ভাসান চরে অবকাঠামো নির্মাণসহ যে আশ্রয়ণ প্রকল্প সরকার বাস্তবায়ন করছে, গত ৪ অক্টোবর তার উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু সময় স্বল্পতায় তিনি এখনও ভাসান চরে যাননি।' 

ভাসান চরে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ‘অস্থায়ীভাবে’ রাখা হবে জানিয়ে মায়া বলেন, 'তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ওই দেশের নাগরিক হিসেবে সম্মানের সাথে দেশে ফিরে যাবে, এটাই আমরা চাই।'  

'যখন রোহিঙ্গারা আসে তখন ছিল হাড্ডিসার, কাপড় ছিল না, চেহরা ছিল না, …বস্ত্র নাই, কিচ্ছু নাই। ওদের দেখলে … এখন যদি যান দেখেন কি অবস্থা, হৃষ্টপুষ্ট আছে'- যোগ করেন মন্ত্রী। 

গত কয়েক দশক ধরে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির ও তার বাইরে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গা নিয়ে নানা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে তাদের নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার কাছে মেঘনার মোহনার বিরান দ্বীপ ভাসান চরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের শেষ দিকে একনেকে ২৩১২ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়।

এর আওতায় হাতিয়া থানাধীন মেঘনার মোহনার বিরান দ্বীপ চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ভাসান চরে প্রায় ১০ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের জন্য ১২০টি গুচ্ছ গ্রামে ১৪৪০টি ব্যারাক হাউজ ও ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়।  এই আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ২০১৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত আছে।

প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাসান চরের পুরো প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য থাকার ঘর করা হয়েছে, সাইক্লোন শেল্টার করা হয়েছে, মালামাল রাখার গোডাউন রয়েছে, বাঁধ নির্মাণ এবং সমুদ্র থেকে মালামাল নামাতে জেটি করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড