• মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল

  অধিকার ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:১২
ভয়াবহ সেই ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল (ছবি : সংগৃহীত)

ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজ। ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ১ কোটি মানুষ তাদের সহায়সম্বল হারায়।

৯১-এর সেই দুঃসহ স্মৃতি আজও তাড়িয়ে বেড়ায় উপকূলবাসীকে। সেই রাতে অনেকেই চোখের সামনে পরিবারের এক বা একাধিক সদস্যকে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে হারিয়েছেন। সাগরের উত্তাল জোয়ারে বাবার হাত থেকে ছিটকে গেছে প্রাণপ্রিয় সন্তান। মুহূর্তের মধ্যেই উড়ে গেছে হাজার হাজার কাঁচাপাকা ঘর। ৩০ বছর পরও সেই দুর্বিষহ স্মৃতি ভুলতে পারেননি উপকূলবাসী। ভয়াল এই দিনটি উপলক্ষ্যে আজ দেশের উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন স্থানে মিলাদ মাহফিল, স্মরণ সভাসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে প্রায় ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়। প্রকৃতির সেই তাণ্ডবে চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় এলাকা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও কক্সবাজারের মহেষখালী ও কুতুবদিয়ায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। শুধু সন্দ্বীপেই মারা যায় প্রায় ২৩ হাজার মানুষ।

ধারণা করা হয়, এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয় বাংলাদেশের। কর্ণফুলী নদীর তীরে কংক্রিটের বাঁধ জলোচ্ছ্বাসে ধসে যায়। চট্টগ্রাম বন্দরের ১০০ টন ওজনের একটি ক্রেন ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে স্থানচ্যুত হয় এবং এর কারণে টুকরা টুকরা হয়ে যায়। বন্দরে নোঙর করা বিভিন্ন ছোট বড় জাহাজ, লঞ্চ ও অন্যান্য জলযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়াও প্রায় ১০ লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ওডি/আমিন

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড