• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন শিপ্রা

  অধিকার ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২০, ১৯:২০
শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ
শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ (ছবি : সংগৃহীত)

কক্সবাজারের টেকনাফে সাবেক মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের সঙ্গে তথ্যচিত্র নির্মাণে যুক্ত থাকা স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ কক্সবাজার কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে আদালতের জামিন আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় শুনানি শেষে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম দেলোয়ার হোসেন তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তাকে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত জামিন দেওয়া হয়েছে।

নিহত সিনহার অপর সহকর্মী শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের জামিন হয়নি। আগামীকাল তার জামিন শুনানি করা হবে বলে জানা গেছে।

সিফাতের আইনজীবী মাহবুবুল আলম টিপু জানান, জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে বেলা পৌনে ১২টায় হত্যা ও মাদকের দুটি মামলায় সিফাতের জামিন আবেদনের শুনানি হয়।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান (৩৬)। তার ওপর গুলি চালান বাহারছড়া ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ ইন্সপেক্টর লিয়াকত। নিহত সিনহা রাশেদকে ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ ২০ জনকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে পুরো নতুন টিম দেয়া হয়েছে।

দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। ওই কাজেই তার সঙ্গে ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিলম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ও শিপ্রা।

ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়ে এ ঘটনায় সিফাত ও শিপ্রাকে গ্রেপ্তার করে দুটো মামলা দায়ের করে পুলিশ।

তবে ঘটনার যে বিবরণ পুলিশ দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট কক্সবাজারের টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্’র আদালতে ওসি প্রদীপ ও মো. লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। মামলার আসামি টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলিসহ সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801721978664

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড