• রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৬  |   ২১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মেয়েকে নিয়ে যা বললেন রুম্পার মা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৩:৩৯
রুম্পা
মা নাহিদা আক্তার পারুল ও নিহত শিক্ষার্থী রুম্পা (ছবি : সংগৃহীত)

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে এখনো কোনো কূল-কিনারায় পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ। তার পরিবারের দাবি, রুম্পা আত্মহত্যা করতে পারেন না। রুম্পার মা নাহিদা আক্তার পারুল বলেছেন, আমার মেয়েকে আমি ভালো করেই চিনি, সে আত্মহত্যা করতেই পারে না।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে লাশ উদ্ধারের পর থেকে রুম্পার পরিবার ও সহপাঠীরা একে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন। তবে তার মৃত্যুর কারণ কী, তার উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ।

মেয়ের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন রুম্পার মা। মেয়ের মৃত্যুর পর থেকে তার কান্না থামছেই না। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার মেয়ে কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। আমার মেয়েকে আমি ভালো করেই চিনতাম। আত্মহত্যাকে ঘৃণা করত রুম্পা। মেয়েটি আমার সব সময় আনন্দে থাকতে পছন্দ করত।

জানা গেছে, রুম্পার মৃত্যুর পর থেকে মা নাহিদা এক প্রকার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকি তার আত্মীয়-স্বজনরা ঘুমের ওষুধ দিয়েও তাকে ঘুম পাড়াতে পারছেন না। মেয়ের জন্য কাঁদছেন আর আহাজারি করছেন।

অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে পুলিশ কর্মকর্তা বাবা রোকন উদ্দিন বলেন, রুম্পা যদি আত্মহত্যা করবে, তাহলে নিজের বাসায় থেকেই করতে পারত। বাড়ি থেকে দূরে গিয়ে করতে হতো না।

নিহত শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার বিজয়নগরে চলছে শোকের মাতম।

রুম্পার বাবা রোকন উদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন। মা নাহিদা আক্তার পারুল গৃহিণী। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে রুম্পা সবার বড়। ছোট ভাই আশরাফুল আলম রাজধানীর ঢাকার ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ালেখা করছে। আর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন রুম্পা।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডে দুই ভবনের মাঝে এক গলিতে রুম্পার লাশ পাওয়া যায়। ওই তরুণী আশপাশের কোনো ভবন থেকে পড়ে মারা গেছেন বলে তখন ধারণা করা হয়। কিন্তু পুলিশ তখন তার নাম-পরিচয় জানতে পারেনি। পরের দিন বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

ওডি/টিএএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড