• বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

হিলি ট্র্যাজেডি : ২৪ বছর ধরে ঝুলছে প্রতিবেদন 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১৪:১৫
হিলি রেলওয়ে স্টেশন
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ (ছবি : সংগৃহীত)

বাংলাদেশে ভয়াবহ একটি ট্রেন দুর্ঘটনা হয়েছিল ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি। দিনাজপুর হিলি রেলওয়ে স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের এই ঘটনায় প্রাণ যায় অন্তত ২৭ জন যাত্রীর। আহত হন শতাধিক। তবে সরকারি হিসাবে দেওয়া এই তথ্য নিয়ে রয়েছে দ্বন্দ্ব। এ ঘটনায় মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপির খবরে প্রকাশ পায় নিহতের সংখ্যা ১০০ এর বেশি এবং আহত ৪০০ ছাড়িয়ে। 

এ দিকে এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন গত ২৪ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি। বাংলা হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় রেল ক্রসিংয়ের উদ্দেশে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সে সময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি। 

এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংষর্ষের ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি পুরোপুরি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুইটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সে সময় সরকারিভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।

যদিও সরকারি হিসেবে সে সময় মাত্র ২৭ জন নিহতের কথা বলা হয়েছিল কিন্তু মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপির মতে ১০০ জনেরও বেশি নিহত ও ৪০০ জনের বেশি আহতের কথা বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের কথা থাকলেও আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। রেলওয়ে ঈশ্বরদীর পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) শওকত জামিল মহসীন জানান, ২৪ বছর আগের ঘটনা। তাই বিষয়টি তার জানা নেই। সাধারণত ১০ বছর পর কোনো ঘটনার আলামত নষ্ট করা হয়।

ওডি/এআর 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড