• বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ঢাকায় শরবত ও ফলের ব্যবসা জমজমাট

  ফিচার ডেস্ক

২৬ মে ২০২১, ১৬:৫৩
বাজারে এখন লিচুর চাহিদা প্রচুর (ছবি : সংগৃহীত)

দুপুরের তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে শরবত, ফলে জুস এবং ডাবের পানি পান করছেন রাজধানীর মানুষ। আর তাতে জুস ও ফলের দোকানগুলো ব্যবসা হচ্ছে জমজমাট।

মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, মালিবাগ এবং শান্তিনগর এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, এসব এলাকার স্থায়ী বাজারের পাশাপাশি রাস্তার ফুটপাতে ভ্যান ও টেবিলের ওপর অস্থায়ী দোকান বসিয়ে লেবু ও ফলের শরবত, আম, জামসহ বিভিন্ন রকমের ফল বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

এসব অস্থায়ী দোকানগুলোতে লেবুর শরবত বিক্রি করা হচ্ছে পাঁচ টাকা গ্লাস আর ফল কিংবা ট্যাংয়ে শরবত গ্লাসপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা। আখের রস প্রতি গ্লাস বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা দরে। ডাব বিক্রি হচ্ছে পিস প্রতি ৬০-৮০ টাকায়।

রামপুরা ব্রিজের শরবত ব্যবসায়ী মনির হোসেন বলেন, গরম হলে আমাদের বিক্রি বাড়ে। তিনি বলেন, ‘গতকাল রাস্তার পশ্চিম পাশে (হাতিরঝিলের মোড়) শরবত বিক্রি করেছি। ভালো বিক্রি হয়েছে। আজ আসছি দুপুরে, দোকান একটু আগে লাগাইছি।

পাশের শরবত বিক্রি করছেন হালিমা খাতুন। তিনি বলেন, লেবুর শরবত বিক্রি হচ্ছে বেশি।

মেরুল বাড্ডার ডাব বিক্রেতা মহিউদ্দিন আকন্দ বলেন, ঈদের পর ডাবের দাম কমেছে। গত দু-তিন দিন ধরে বিক্রিও বেড়েছে। তিনি বলেন, রোজায় ডাব বিক্রি করেছি ১০০-১২০ টাকা। সেই ডাব এখন বিক্রি ৬০-৮০ টাকায়। ঈদের পরের সপ্তাহে দিনে ৫০টি ডাবও বিক্রি হয়নি। তবে রোব ও সোমবার দিনের দুইশর বেশি ডাব বিক্রি হয়েছে বলে জানান তিনি।

তার পাশেই মৌসুমী ফল তালের শাস বিক্রি করছেন ময়নুল ইসলাম। তিনি বলেন, গতকাল দুইশ পিস তাল বিক্রি করেছি। আজ ২২০ পিস আনছি, বিক্রি হয়েছে ৩০টির মতো। সন্ধ্যার আগে সব বিক্রি হয়ে যাবে। তিনি বলেন, গরম বাড়ায় তালের শাস বিক্রি বেড়েছে।

তালের শাঁস কিনছিলেন লুৎফুন্নাহার নামে একজন। তিনি বলেন, গরম বাড়ায় তালের শাঁস নিচ্ছি। তালের শাঁস আমার খুব পছন্দের।

মালিবাগ বাজারে ২০০ টাকা কেজি দরে মৌসুমী ফল জাম বিক্রি করছেন রিমন হাওলাদার। তিনি বলেন, লিচুর ও জাম বিক্রি বেড়েছে। ব্যবসাও ভালো হচ্ছে। লিচু বিক্রি করছি একশ পিস ২০০-৩০০ টাকা।

তরমুজ, আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের বিক্রেতা মোস্তফা আকন্দ বলেন, গরমে আম ও তরমুজ বিক্রি হচ্ছে বেশি। তিনি বলেন, ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা কেজিতে আম বিক্রি করছি। ১২০ টাকা কেজিতে ল্যাংড়া আম বিক্রি করছি। ৫-৭ কেজি ওজনের তরমুজ বিক্রি করছি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। তবে তার ঠিক বিপরীতের দোকানি জনি মিয়া বলেন, খুব বেশি বিক্রি হচ্ছে না। অফ সিজন তাই বিক্রি কমে গেছে।

শান্তিনগরের এক আনারস বিক্রেতা বলেন, আনারসের হালি ৪০-৪৫ টাকা। তিনি বলেন, বিক্রি হচ্ছে ভালো।

ফলের পাশাপাশি বেড়েছে জুস বিক্রি। রাজধানীর পল্টন, শান্তিনগর এলাকার দোকানগুলোতে পেঁপের জুস বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা করে প্রতি গ্লাস। পাকা আমের জুস বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা প্রতি গ্লাস। কাঁচা আমের জুস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা প্রতি গ্লাস। এছাড়া এসব দোকানে বাঙ্গি, আনারস এবং জামসহ বিভিন্ন ফলের জুস বিক্রি হচ্ছে।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড