• সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২০, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

এসইএলের নির্মাণশিল্পে ৩৬ বছর পূর্তি 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:৩২
এসইএল
দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের (এসইএল) নির্মাণ ও আবাসন শিল্পে ৩৬ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে অতিথিরা (ছবি : দৈনিক অধিকার)

দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) নির্মাণ ও আবাসন শিল্পে ৩৬ বছর অতিক্রম করল।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর পান্থপথে এসইএলের প্রধান কার্যালয় সেল সেন্টারে নির্মাণশিল্পে ৩৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টি মুখ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— এসইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এইচ.এম জহিরুল হক, পরিচালক (কারিগরি) প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুলাহ (সাইফ), পরিচালক আর্কিটেক্ট মোহাম্মদ আবদুর রহমান (সাফি), আইনজীবী সুলতান মাহমুদ বান্না সহ সেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে নির্মাণ ও আবাসন শিল্পে সেলের সততা, কাজের গুণগত মান ও গ্রাহক সেবার ভূয়সী প্রশংসা করে গত বছরের চেয়ে আগামী বছরের পথচলা যেন আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয় সেই কামনা করেন।

তিনি বলেন, যে আনন্দ করতে জানে তার সেই আনন্দের ভেতর দিয়ে শ্রম চলতে থাকে। সে তখন শ্রমকে আর আলাদা করে টের পায় না, যে আমাকে কঠোর শ্রম করতে হবে। কঠোর শ্রম করতে বললে আরও কঠোর হয়ে যায়। এক কথায় রোবট হয়ে যায়। পরিবার অসুখী হয় নানান কারণে। প্রতিটি পরিবার আলাদা আলাদা কারণে অসুখী হয়। কিন্তু পরিবার সুখী হয় একমাত্র কারণে যদি ভালো বাসা থাকে। যদি পরস্পরের জন্য মমতা থাকে। তাহলে পরিবার সুখী হয়। ঢাকা শহরের সব বিল্ডিং টিকে থাক, থাকবে। তবে সবচেয়ে বেশি যার বিল্ডিং, যে প্রতিষ্ঠানের বিল্ডিং টিকে থাকবে। আমি মনে করি, সেল তার মধ্যে এক নম্বর।

এসইএলের এমডি প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল নির্মাণ ও আবাসন শিল্পে ৩৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে পথচলার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘চাইলে সবই সম্ভব, প্রয়োজন শুধু সঠিক উদ্যোগ আর দৃষ্টিভঙ্গির একটু পরিবর্তন।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্ম শুধু নিজের জন্য নয়, আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার সৃষ্টির সেবা করার জন্য। তাই আমরা যেন শুধু অর্থ উপার্জনের কথা চিন্তা না করে সেবার মানসিকতা নিয়ে ব্যবসা করি।’

তিনি আরও বলেন, আমার এই লাইনে পথ চলার শুরুটা বলা যায়, শ্বশুরের বারান্দা থেকে। আজকে এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছি। সেলে কারও টাকা মার যাবে না। সেই নিশ্চয়তা আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। অনেকে শ্রমিক ও কন্ট্রাকটারের টাকা মেরে দেয়। কাস্টমারের টাকা মেরে দেয়। কিন্তু সেলে সেটা নেই। তিনি বলেন, আমরা কাস্টমারের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক তৈরি করতে পেরেছি। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী জহিরুল হক বলেন, আমাদের সেক্টরটা তেমন ভালো অবস্থানে নেই। তার মধ্যেও অন্যদের থেকে আমরা এগিয়ে আছি। আমাদের নীতিমালা কোয়ালিটি, কমিটমেন্ট, ট্রাস্ট এগুলো সেল পরিবারের সবার অন্তরে গেঁথে আছে। সবাই সেইভাবে কাজ করে, যার ফলশ্রুতিতে মার্কেটে আমাদের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। সেটাই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা মানুষকে যে কথা দেই তা রাখার চেষ্টা করি। আমাদের প্রতি মানুষের এই আস্থা তৈরি হয়েছে। সেলের কাছে টাকা দিলে সেটা কখনো মার যায় না। সেলের প্রোডাক্ট ভালো মানুষ তা বিশ্বাস করে। এবং সেটা পাচ্ছেও।

পরিচালক আর্কিটেক্ট মোহাম্মদ আবদুর রহমান (সাফি) বলেন, দেখতে দেখতে আরও একটা বছর পার হয়ে গেল। সেলের ৩৬ বছর পার করা অনেক অর্জন বলে আমি মনে করি। আমরা সর্বস্তরে আমাদের ভালোটা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যাতে আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারি। সেই লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের চলার পথে সঙ্গী হওয়ার জন্য সমস্ত জমির মালিক ও সেল পরিবারের সবাইকে ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে আগত ওয়ালিউল্লাহ খন্দকার নামে এক অতিথি বলেন, সেলের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা বহু দিনের। আমার লালমাটিয়ার একটি প্লট সেলকে দিয়েছিলাম। সেল সেই কাজটি খুব সুন্দরভাবে করে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে। এখনো যে কোনো ধরনের অসুবিধা হলে সেল সেই সমস্যার সমাধান করে দেয়।

ডা. মজিবুর রহমান ভূইয়া নামে আরেকজন অতিথি বলেন, সেলের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আমাদের পরিবারের তিনটা বাড়ি সেলকে দিয়েছি। আরও একটি বাড়ি সেলকে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছি। তবে এখনো দেইনি। আমাদের পরিবার সেলের কাজের প্রতি সন্তুষ্ট।

উল্লেখ্য, ৩৬তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সেলের রেডি ফ্ল্যাটে প্যাকেজ মূল্য ও অন্যান্য ফ্ল্যাটে আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়ে প্রধান কার্যালেয় সেল সেন্টারে পুরো ডিসেম্বর মাস জুড়ে চলছে ‘বর্ষপূর্তি আবাসন মেলা-২০১৯’। ঢাকার বনানী, ইস্কাটন মালিবাগ, কলাবাগান, গ্রীনরোড, সেন্ট্রাল রোড, এলিফ্যান্ট রোড, শ্যামলী, পল্লবী, মিরপুর, বসন্ধরা, উত্তরা ও সাভারের বিভিন্ন আবাসিক প্রকল্পে আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ ইস্কাটন ও শ্যামলীতে সেলের রয়েছে আকর্ষণীয় বাণিজ্যিক প্রকল্প। এছাড়া ঢাকার বাইরের আবাসন সমস্যা সমাধানে সেলের কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্প্রসারিত হয়েছে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও খুলনায়।

ওডি/টিএএফ

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড