• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

‘অদ্ভুত নিয়তি’-এর ২২তম পর্ব

ধারাবাহিক উপন্যাস : অদ্ভুত নিয়তি

  রিফাত হোসেন

২৩ আগস্ট ২০১৯, ১০:৫১
কবিতা
ছবি : প্রতীকী

কারোর ডাকাডাকিতে ঘুম ভেঙে গেল আদিত্যর। চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে আদিবা দাঁড়িয়ে আছে ওর সামনে। বেঞ্চিতে শুয়ে আছে ও। জানালা দিয়ে সূর্যের আলো এসে আদিত্যর শরীরে লাগছে। মৃদু তাপ অনুভব করছে আদিত্য। তবে বেশ ভালো লাগছে। হাত দিয়ে চোখ ডলল। এরপর শোয়া থেকে ওঠে  বলল, ‘কখন এসেছিস?’

আদিবা বলল, ‘একটু আগে এসেছি।’

- আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। আর মা কোথায়?

- ভিতরে কাকার সাথে কথা বলেছে। আচ্ছা ইরা আপু কোথায়? সে কী রাতেই বাড়িতে চলে গেছে?

আদিত্য পাশের বেঞ্চিতে তাকালো। ইরাকে না দেখে নিজের মনকে প্রশ্ন করল আদিত্য, ‘কখন গেল ইরা? রাতে তো এখানেই শুয়ে ছিল। হয়তো খুব সকালে চলে গেছে। থাপ্পড়টা একটু বেশি-ই জোরে মেরেছিলাম। একেই মাথাগরম ছিল। তার উপর ওর না, না শব্দ শুনতে বিরক্ত লাগছিল। তাই তো রেগে গিয়ে ওভাবে মারলাম। নিশ্চয় খুব ব্যথা পেয়েছে। তাই রাগ করে আমাকে কিছু না বলেই চলে গেছে।’

আদিত্যকে ধাক্কা দিলো আদিবা। আদিত্য বিরক্তিকর কণ্ঠে বলল, ‘ধাক্কা দিচ্ছিস কেন? একেই খুব ক্ষিধে পেয়েছে। শরীরে একটুও শক্তি নেই।’

আদিবা হেসে উঠল। আদিত্য আর কথা না বাড়িয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেল। আদিবা কাকার সাথে দেখা করার জন্য ভিতরে গেল। মিস্টার ইকবাল আদিবাকে দেখে বলল, ‘এইতো আমার মেয়ে চলে এসেছে। তোর অপেক্ষা-তেই তো ছিলাম এতক্ষণ।’

আদিবা হেসে বলল, ‘আমিও তো সকাল হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। তোমার এক্সিডেন্ট হয়েছে, সেটা জানার পর খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম আমরা। এখন তোমাকে সুস্থ দেখে, মনে শান্তি ফিরে এলো।’

- ভয় তো আমিও পেয়েছিলাম রে মা। যখন দেখলাম আমাকে সাহায্য করার মতো কেউ নেই। ড্রাইভার তো তখনই পালিয়ে গেছে। দোষটা ওরই ছিল। হুট করেই রাস্তার পাশে থামিয়ে রাখা একটা গাড়িতে লাগিয়ে দিলো। এরপর তো আশেপাশে কাউকে পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ দেখি সিএনজি আসছে একটা। আমি ইশারায় থামতে বললাম ড্রাইভারকে। ড্রাইভার সিএনজি থামানোর পর দেখি ভিতর থেকে ইরা বেরিয়ে এলো। তারপর  আমাকে সিএনজিতে উঠিয়ে এই হাসপাতালে নিয়ে এলো।

মিসেস রোকসানা স্রষ্টার কাছে শুকরিয়া আদায় করল। আদিবা কাকার পাশে থাকা চেয়ারে বসতে বসতে বলল, ‘তাহলে ভাইয়াকে কোথায় পেলে তুমি? ও কীভাবে জানল তোমার এক্সিডেন্টের কথা?’

- ওর তো রাতে চা খাওয়ার অভ্যাস আছে, সেটা তো জানিসই। কালকে রাতেও হয়তো চা খাওয়ার জন্যই কোনো দোকানে এসেছিল। ইরা ওকে দেখতে পেয়ে সিএনজি থামালো। তারপর ওকে সাথে নিয়ে এখানে চলে এলো।

পাশ থেকে মিসেস রোকসানা আদিবাকে উদ্দেশ্য করে বলল, ‘এখন এত কথা জিজ্ঞেস করার কোনো প্রয়োজন দেখছি না আমি। খাবারগুলো বেড়ে দে তোর কাকাকে। আর ভাই, আপনি ফ্রেশ হয়ে আসুন।’

আদিবা ব্যাগ থেকে খাবার বের করতে লাগল। আদিত্য ভিতরে এসে মায়ের দিকে তাকালো। মিসেস রোকসানা আড়চোখে একবার আদিত্যর দিকে তাকিয়েই আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো। এমন একটা ভাব ধরল যে, তিনি ছেলেকে দেখার জন্য দরজার দিকে তাকায়নি।  দরজার রঙ দেখার জন্য  তাকিয়েছিল। আদিত্য কিছু বলল না। মায়ের দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে কাকার দিকে তাকালো। মিস্টার ইকবাল তখন ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য বিছানা থেকে নিচে নামছিলেন। আদিত্য উনাকে সাহায্য করল ওয়াশরুমের দরজা পর্যন্ত। ফিরে এসে আদিবার পাশে বসতে বসতে মাকে উদ্দেশ্য করে আদিত্য বলল, ‘কেমন আছ মা?’

মিসেস রোকসানার চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ। আদিত্য ব্যপারটি বুঝতে পেরে চুপ করে রইল। কিছুক্ষণের মধ্যেই নীরবতা নেমে এলো সবার মাঝে। মিস্টার ইকবাল ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে নীরবতা ভেঙে বলল, ‘ইরা কী চলে গেছে আদিত্য?’

- হ্যাঁ। আমি ঘুম থেকে ওঠার আগেই চলে গেছে ও।

মিস্টার ইকবাল কিছু বললেন না। বিছানায় এসে বসলেন তিনি। আদিবা প্লেটে খাবার দিয়ে বলল, ‘এবার তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও।’

- তোরা খেয়েছিস?

- আমি আর মা খেয়ে এসেছি। তুমি খাওয়া শুরু কর, আমি ভাইয়ার প্লেটে ভাত বেড়ে দিচ্ছি।

মিস্টার ইকবাল খাওয়া শুরু করল। আদিবা আদিত্যর দিকে প্লেট এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘খেয়ে নে।’

- হুম।

আদিত্যও খাওয়া শুরু করল। খাওয়ার মাঝে মিসেস রোকসানা বললেল, ‘আচ্ছা ভাই, আপনি হঠাৎ দেশে চলে এলেন যে? কিছুদিন আগেই তো বাইরে গেলেন। আর এটাও বললেন আবার কবে দেশে আসবেন সেটা নিজেও জানেন না।’

মিস্টার ইকবাল মৃদু হাসি দিলো। এরপর বলল, ‘জাহিদ যে তোমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে, সেটা আমাকে বলোনি কেন?’

পাশ থেকে আদিবা বলল, ‘আমি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তোমার নতুন নম্বর আমাদের কাছে ছিল না। আর মা-ও নিষেধ করেছিল তোমাকে কিছু জানাতে।’

আদিবা মায়ের দিকে তাকালো। মিসেস রোকসানা বললেল, ‘আপনি দেশের বাইরে ছিলেন তখন। তাই এই ছোটখাটো ঝামেলায় জড়াতে চাইনি আপনাকে। তাছাড়া উনি আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়নি, উনার অপমানগুলো সহ্য হচ্ছিল না বলে আমরাই চলে এসেছি ওখান থেকে।’

মিস্টার ইকবাল রাগী কণ্ঠে বললেন, ‘ওর সাহস হলো কীভাবে তোমাদের অপমান করার?’

- তার অপমানগুলো করাটা অযৌক্তিক ছিল না ভাই। সে আমাদের যা-যা বলত, তার সবই ছিল ঠিক কথা। একজন খুনির মা আর বোনকে কেউ কেন বাড়িতে থাকতে দিবে? এতে তো নিজের জীবনটাকে ঝুঁকিতে রাখা হলো।

আদিত্য মাথা নিচু করে ফেলল। ওর চোখের কোণে জল ছলছল করছে। ভাতের প্লেটটা বিছানায় রেখে বা হাত দিয়ে চোখ মুছল আদিত্য। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। আবারও চোখে জমা হয়ে গেল জল। এবার  মুছার আগেই টপটপ করে কয়েকফোটা জল হাতের উপরে পড়ে গেল। আদিবা আদিত্যর হাত ধরে ইশারায় বলল শান্ত হতে। মিসেস রোকসানা আবারও বললেন, ‘উনার জায়গায় আমি থাকলেও সেটাই করতাম, যেটা উনি আমাদের সাথে করেছেন।’

- কিন্তু বাড়িটা তো ওর একার না। ওটা তো তোমাদেরও বাড়ি।

- আপনি নিজেই তো বাড়িটা তার নামে লিখে দিয়েছেন।

মিস্টার ইকবাল থমকে গেলেন মিসেস রোকসানার কথা শুনে। তার চোখেমুখে ভয়ঙ্কর কৌতূহল। কড়া কণ্ঠে তিনি বললেন, ‘আমি কারোর নামে বাড়ি লিখে দিইনি। বাড়ি আগেও আমার নামে ছিল, আর এখনও আমার নামেই আছে। তোমাদের কে বলেছে বাড়িটা জাহিদের নামে লিখে দিয়েছি আমি?’

মিসেস রোকসানা চকমে উঠল। আদিবা একবার আদিত্যর দিকে, আরেকবার মিসেস রোকসানার দিকে তাকাচ্ছে৷ মিস্টার ইকবাল আবার বললেন, ‘কী হলো, বলো কে বলেছে এতবড় মিথ্যা কথা?’

আদিবা বলল, ‘ছোট কাকা নিজেই বলেছে এই কথা।’

- ও মিথ্যে কথা বলেছে তোমাদের। আর আমি কখনোই বলিনি যে, আমি আর দেশে আসব না বা কবে আসব তার কোনো ঠিক নেই।

- এইসব তো কাকা নিজেই বলেছিলেন আমাদের। ইনফ্যাক্ট একটা ফাইল ও দেখিয়েছেন। যেখানে লিখা ছিল বাড়িটা তুমি কাকার নামে করে দিচ্ছ। আর তোমার সাইন-ও ছিল সেখানে।

মিস্টার ইকবাল মাথায় হাত দিলেন। তার মাথায় খুব যন্ত্রণা হচ্ছে হঠাৎ করেই। আদিবা বলল, ‘কী হলো তোমার? শরীর খারাপ লাগছে? ডাক্তারকে ডাকব?’

- কাউকে ডাকতে হবে না। আমি এখন আর খাবার খাবো না। একটু পানি দে, হাত ধুয়ে নেই। আর বালিশটা ঠিক করে দে একটু, আমি শুবো।

তিনি যা বললেন আদিবা তাই করতে লাগল। বিছানায় শোয়ার পর কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘আমি বুঝতে পারছি তোমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। জাহিন যে কাগজটা তোমাদের দেখিয়েছিল, সেটায় আমি সাইন করিনি। নকল সাইনের কাগজ দেখিয়ে তোমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।’

কেউ কিছু বলল না। সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে। মিস্টার ইকবাল আবার বললেন, ‘রোকসানা, খুব বড় ভুল করে ফেলেছি আমরা। এখন বুঝতে পারছি আদিত্যর উপর যে অভিযোগগুলো এনেছিল জাহিদ, সেগুলো মিথ্যে। ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছে আদিত্য। সাথে তোমরাও।’

পাশ থেকে আদিত্য বলল, ‘এগুলো আগে থেকেই জানি আমি। আদিবাকে বলেও ছিলাম সবকিছু। কিন্তু ও বিশ্বাস করেনি। আর মায়ের সাথে তো কথা বলার কোনো সুযোগই পাইনি আমি।’

আদিত্য মা'য়ের দিকে তাকালো। মিসেস রোকসানা ছলছল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ওর দিকে। হয়তো নিজের ভুলটা বুঝতে পারছে এখন। ছেলের প্রতি নিজের অমানবিক আচরণের জন্য অনুতপ্ত সে। আদিত্য আবারও বল, ‘উনি আমাকে ইচ্ছে করে ফাঁসিয়েছে।’

মিস্টার ইকবাল বলল, ‘কিন্তু কীভাবে? আমরা সিসিটিভি ফুটেজে দেখেছি সবটা। নিজের দৃষ্টিকে ভুল বলব কীভাবে? তাছাড়া শুধু আমি নয়, তোর মা এবং বোনও দেখেছে। সবাই নিশ্চয় ভুল দেখেনি।’

- সবাই ভুল দেখেনি। কিন্তু সবাইকে ভুল বুঝানো হয়েছে।

- মানে?

আদিত্য সবটা খুলে বলল সবাইকে। মিসেস রোকসানা নিজের চোখের জল আর ধরে রাখতে পারলেন না। ছেলের মাথায় হাত রেখে কেঁদে দিলেন। আদিবা-ও কাঁদছে। মিস্টার ইকবাল অপরাধীর দৃষ্টিতে আদিত্যর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমাকে মাফ করে দিস আদিত্য। সেদিন বিনা অপরাধে বেল্ট দিয়ে তোকে মেরেছিলাম। আমাদের ভুলের জন্য অনেক বড় শাস্তি পেয়েছিস তুই। অনেক অপমান সহ্য করেছিস। কোনো প্রতিবাদ করিসনি।’

আদিত্য হাত দিয়ে মায়ের চোখের জল মুছে দিয়ে বলল, ‘কেঁদো না মা। আর কাকা, নিজেদের উপর সব দোষ নিও না। ছোট কাকা একটা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। আর তোমরা সেই বিভ্রান্তিতে পড়ে এইরকম করেছিলেন। কিন্তু আমি এখন অন্য কথা ভাবছি!’

সবাই আগ্রহী দৃষ্টিতে আদিত্যর দিকে তাকালো। আদিত্য আবার বলল, ‘ছোট কাকা এমনি এমনি নিজের দোষ স্বীকার করবে না। আর তার কোনো ক্ষতি আমি চাই না। আমি চাই, সে নিজের ভুলটা বুঝতে পারুক।’

মিস্টার ইকবাল বললেন, ‘সেটা আমি দেখে নিবো। ও যাতে নিজে থেকে সবটা স্বীকার করে, সেই ব্যবস্থাই করব আমি।’

কেউ কিছু বলল না। আদিত্য ডাক্তারের কাছ থেকে জানতে পারল আরো দু'দিন পর কাকাকে রিলিজ করে দিবে। আদিত্য কাকাকে বলল, ‘আমি এখন বাড়িতে যাচ্ছি কাকা। বিকেলে আবার আসবো।’

- ঠিক আছে। তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলে আজকেই বাড়িতে চলে যাবো আমি। আর রোকসানা, তুমি আর আদিবা এখন তোমার ভাইয়ের বাড়িতেই যাও। বিকেলে আমি আর আদিত্য গিয়ে তোমাদের ওখান থেকে নিয়ে আসব। তারপর আমরা সবাই একসাথে আগের বাড়িতেই থাকবো। জাহিদের ব্যপারটি আমি বুঝে নেবো।

মিসেস রোকসানা বললেন, ‘সে না হয় বুঝলাম। কিন্তু আমি এটা বুঝতে পারছি না, আপনি কীভাবে জানলেন আমরা ভাইয়ের বাড়িতে থাকি এখন?’

- তোমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না আমি। তাই তোমার ভাইয়ের নম্বরে ফোন দিয়েছিলাম। তার কাছ থেকেই সবকিছু জানতে পারলাম।

- ওহ্। ঠিক আছে আমরা তাহলে এখন যাই। আপনি বিশ্রাম নিন।

সবাই বেরিয়ে এলো হাসপাতাল থেকে। আদিত্য মা আর বোনের জন্য সিএনজি ঠিক করে দিলো। সিএনজিতে বসে মিসেস রোকসানা আদিত্যর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, ‘মাকে ক্ষমা করে দিস বাবা। তোর সাথে অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছি আমি।’

আদিত্য কিছু বলল না। মৃদু হাসি দিলো শুধু। সিএনজি ছেড়ে দিলো। আদিত্য সেখানেই কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা রিকশা নিয়ে শুভর বাড়ির দিকে যেতে লাগল। কিছুদূর যাওয়ার পরই দেখল জ্যোতি হেঁটে হেঁটে আসছে। আদিত্য রিকশা থামিয়ে ওর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। জ্যোতির চোখের দিকে তাকাতেই চমকে উঠল আদিত্য। ভয়ে কিছুটা দূরে সরে গেল ও। 

(চলবে...)
আরো পড়ুন ‘অদ্ভুত নিয়তি’-এর ২১তম পর্ব -
ধারাবাহিক উপন্যাস : অদ্ভুত নিয়তি

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড