• বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ধারাবাহিক গল্প : এক পলকের একটু দেখায় (৫ম পর্ব)

  সাবিকুন নাহার নিপা

০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৫৩
গল্প
ছবি : প্রতীকী

ঘুম থেকে উঠে তাওসিফ প্রথমে সৈকতকে ফোন করলো। তার নাম্বার বন্ধ পেয়ে মনে মনে অকথ্য ভাষায় গালি দিলো। তারপরই হঠাৎ প্রমার কথা মনে হতে ওর নাম্বারে ডায়াল করলো। প্রমা ফোন ধরতেই তাওসিফ বলল, ‘নতুন বাসায় উঠেছ প্রমা?’
প্রমা আড়মোড়া ভেঙে উঠে বসে বলল, ‘হ্যাঁ। এই তো কাল রাতে এসেছি।’
- গুড। তোমার এই ডিসিশনে আমি সত্যিই খুশি হয়েছি। ফ্যামিলির বাইরে গিয়ে একা থাকা আজকাল যে বাঙালী মেয়েরা ভাবতে পারে সেটা সত্যিই আমার ভাবনার বাইরে ছিলো। 
প্রমা হেসে বলল, ‘বাঙালীদের তোমার এতো ঘৃণা কেন তাওসিফ?’
- বাঙালী মেয়েদের প্রতি একটা কারণেই আমার রাগ। তারা সবসময় স্বামীর পরিচয়ে পরিচিত হতে চায়। আমরা ছেলেরা পড়াশোনা করে, কষ্ট করে চাকরি খুঁজব আর তারা আয়েশ করে পায়ের উপর পা তুলে খাবে এটাই তাদের টেন্ডেন্সি।
- সব মেয়েরাই কি একরকম তাওসিফ? 
তাওসিফ একটু মিইয়ে যাওয়া গলায় বলল, ‘আমি সেভাবে মিন করিনি কিন্তু। আমি বেশিরভাগ মেয়েদের কথা বলেছি।’
প্রমা কিছু বলল না। চুপ করে থাকল। পরিস্থিতি হালকা করার জন্য তাওসিফ বলল, ‘আজ কি আমরা দেখা করছি?’
- হ্যাঁ, বিকেলে ফ্রি আছি।
- তাহলে দেখা হচ্ছে!
প্রমা একটু সময় নিয়ে বলল, ‘আচ্ছা!’

ফোন কেটে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল তাওসিফ। একজনের রাগ কেন যে অন্যজনকে দেখাতে গেল! এখন ওর প্রমা ছাড়া আর কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেই যে ওকে বুঝবে। বুকের ভিতর এক চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করছে তাওসিফ। মা কোথায় আছে, কেমন আছে, ওর উপর এখনও কি রেগে আছে!
তাওসিফ চোখ বন্ধ করে বিড়বিড় করে বলল, ‘আমাকে কি এখনও ক্ষমা করা যায় না।’

প্রমার দিকে তাকিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে মেহের বলল, ‘এরপর ও তুই এই ছেলেটাকে বিয়ে করতে চাস?’
প্রমা মৃদু হাসল। বলল, ‘এইটুকুতেই তোর খারাপ লাগছে? পুরোটা শুনলে কি করবি?’ 
- পুরোটা?
- হ্যাঁ, তুই শুধু জানিস যে তাওসিফের কারণে আমার মা মারা গেছেন তাই তো?
- হ্যাঁ। 
- কিন্তু সেটা ছাড়াও একটা লম্বা গল্প আছে।
- কি?
প্রমা সময় নিয়ে চুল খোপা করে বাঁধল। তারপর উঠে জানালা খুলে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিলো। তারপর বলতে শুরু করল, ‘আমার বাবা আর মায়ের বিয়েটা হয়েছিলো লাভ ম্যারেজ। মাকে পড়াতো বাবা। সে তখন চালচুলোহীন ছিলো। এক পর্যায়ে মায়ের ফ্যামিলি জেনে গেলে তারা মায়ের বিয়ে ঠিক করলেন অন্য জায়গায়। বাবা মাকে পালিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন মাও রাজি হয়ে গেল।’

পালিয়ে বিয়ে করে মা আশ্রয় নেন তার বন্ধুর বাড়ি। ছোটবেলার বন্ধু। তার স্বামীর হাত ধরে বাবা শেয়ারের ব্যবসায়ে আসে। তখন মা কৃতজ্ঞতায় প্রায়ই বলতো তার বন্ধুকে যে সে কিভাবে তার ঋণ শোধ করবে। তার বন্ধু একদিন হঠাৎ করেই বলে ফেলল, তোর মেয়ের সাথে আমার ছেলের বিয়ে দিস তাতেই হবে।

এরপরের কাহিনী অন্যরকম। বাবা কাচা পয়সার মুখ দেখতে শুরু করলেন। মায়ের দিকে সংসারের দিকে ফিরে তাকানোর সময় অবদি পেলো না। আর মা দুই মেয়ে নিয়ে সংসারে থিতু হয়ে গেলেন। সময়ের সাথে সাথে বাবা মায়ের সম্পর্ক আগের থেকে খারাপ হতে থাকল। ১১ বছর যখন বয়স আমার তখন বাবা আবারও বিয়ে করলেন। যাকে বিয়ে করেছিলেন সে আমার বোনের টিচার ছিলো।  মা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন বোনকে নিয়ে। আমাকে নিতে চাইলেও আমি গেলাম না। কারণ তখন আমি বড়। সিনেমায় দেখেছি যে বাড়ি ছেড়ে গেলে রাস্তায় থাকতে হয়। আমি সেটা ভেবে মায়ের সাথে যাইনি।

এরপর বহু বছর কেটে যায়। মা অভিমানে আমার সাথে সম্পর্ক রাখে না। গ্রাজুয়েশন শেষ করে যখন কানাডা যাই তখন মা আমাকে ফোন করে জানায় যে, সে ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজে আছে। 

মেহের আদ্র গলায় বলল, এর সাথে তাওসিফের যোগসূত্র কি?
- আমার মায়ের সেই বন্ধুর ছেলে তাওসিফ। 
- তার মানে যে মেয়েটাকে রেখে তাওসিফ পালিয়ে যায় সে.....
- হ্যাঁ আমারই ছোট বোন। মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিলো সেটা। কিন্তু তাওসিফ সেটা হতে দেয়নি কারণ আমার বোনের শারীরিক খুত ছিলো। 
মেহের উঠে এসে প্রমার হাত ধরল। প্রমা উদাস গলায় বলল, ‘তাওসিফ যেদিন দেশ ছাড়ে সেদিন আমি মাকে নিয়ে, উহু মায়ের লাশ নিয়ে দেশে আসি। যার জন্য আমাদের মা কষ্ট পেয়ে মারা গেলেন সে তখন তার স্বপ্ন উড়ানে ব্যস্ত।’
প্রমা চুপ করে থাকল। মেহের আবারও জিজ্ঞেস করল, ‘তারপর?’ 
- এরপরেরটা তো জানিস।
- তোর সেই বোন?
- আমি জানিনা।
- কোথায় আছে তুই জানিস না! 
মেহের অবাক গলায় জানতে চাইলো।
- না। এয়ারপোর্টে সেদিন শেষ দেখা। এরপর কোথায় গেছে জানিনা।
- খুঁজিস নি?
- নাহ, যেদিন তাওসিফ অনুভবকে যোগ্য জবাব দিতে পারবো সবকিছুর জন্য। সেদিন খুঁজে বের করবো।
মেহেরের চোখে পানি এসে গেল। এতদিন প্রমাকে শুধু জেদি আর একরোখা ভেবে এসেছে। অথচ ওর মনে এতো কষ্ট! সেটা আগে জানতে পারেনি।


অনন্যার নাম ধরে কেউ একজন কিছুক্ষণ ধরে ডাকছে। গলাটা প্রতীকের মতো মনে হচ্ছে।  কিন্তু প্রতীক এখানে আসবে কি করে। ও তো বিরামপুরে গেছে সাতদিন আগে। আর আগের দিন রাতেও প্রতীকের সাথে ও কথা বলেছে তখনও আসার কথা কিছু বলেনি। অনন্যা ভয় পেয়ে সিসিলিয়াকে ডাকে। বাইরে তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। সিসিলিয়া অনন্যার চেয়েও বেশী ঘাবড়ে যায়। কেননা প্রতীক আসলে তো জানিয়ে আসবে আর সাথে তো রহমান সাহেবও থাকবে।
সিসিলিয়া শুকনো ঢোক গিলে বলল, ‘ওনাকে ডাকবে অনন্যা।’
টেনশনে অনন্যার মাথা কাজ করছে না। বিরক্ত হয়ে বলল, ‘উনি কে?’
- সৈকত। 
- আমার ভয় করছে লিয়া। আমি একা কোথাও যেতে পারবো না। তুমিও চলো।

সৈকতের মনে হচ্ছে কেউ ওর ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতে চাইছে। সৈকত ঘুমঘুম চোখে জিজ্ঞেস করল, ‘কে?’
- আমি।
- আরে আমিটা কে?
- আমি সিসিলিয়া। 
সৈকত বিরবির করে বলল, সি-সি-লি-য়া!
কাচা ঘুম ভেঙে গেলে সবকিছু বুঝে উঠতে খানিকক্ষণ সময় লাগে ওর। তাই সিসিলিয়া নাম টা কিছুতেই মনে করতে পারছে না। বিরক্ত গলায় বলল, ‘আমার কাছে কি চান?’
রাগে সিসিলিয়ার গা রি রি করে উঠলো। দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘দরজাটা খুলুন। আপনাকে খেয়ে ফেলার জন্য আসিনি।’

দরজা খুলে সৈকত চোখ পিট পিট করে তাকিয়ে দেখে বলল, ‘ও ভাবী আপনারা, আমি তো ভাবলাম কে না কে। কিন্তু এইমাত্র যে কেউ একজন নাম বলল শিশি?’
সিসিলিয়া কঠিন কিছু বলতে গিয়েও নরম গলায় বলল, ‘আপনি কি একটু দেখবেন গেটের বাইরেকে আছে?’
- কেন ভাবী? কেউ আসবে নাকি?
- নাহ। কেউ একজন অনন্যার নাম ধরে ডেকেছে কয়েকবার। 
- ওহ! হয়তো হবে ভুত-টুত কিছু একটা। 
সিসিলিয়া দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলল নিজের বোকামির জন্য। এর কাছে না আসাই বোধহয় ভালো ছিলো। 
অনন্যা অনুনয় করে বলল, ‘ভাইয়া প্লিজ চলেন না।’
সৈকত হাই তুলে বলল, ‘ঠিক আছে ভাবী চলুন। আপনার কোনো কথা না রেখে পারি।’
লজ্জা আর অপমানে সিসিলিয়ার কান লাল হয়ে গেল। লোকটা আবারও ওকে অপমান করলো! 

ভোরের আলো একটু একটু করে ফুটতে শুরু করেছে। সৈকত গেট খুলল। পেছনে অনন্যা আর সিসিলিয়া ও আছে। সকলের অনুমান ঠিক ছিলো। ওটা প্রতীকই ছিলো। গেট খোলার শব্দ পেয়ে প্রতীক ঘুম থেকে জাগে। অনন্যার দিকে তাকিয়ে বলে, ‘তোমাকে অনেকবার ডেকেছিলাম অনু। ভাবলাম ঘুমিয়ে আছ তাই আমিও একটু ঘুমিয়ে নিলাম এখানে।’ 

অনন্যা অবিশ্বাস্য চোখে স্বামীর দিকে তাকিয়ে আছে। সৈকত ডাকাতের মতো হেসে বলল, ‘শালা তুই তো আগের মতোই হাবাগোবা আছিস।’
সিসিলিয়া আর অনন্যা দু’জনেই অবাক চোখে দৃষ্টি বিনিময় করল।

ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আসতেই সিসিলিয়া প্রতীককে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি কিছু না জানিয়ে চলে এলে কেন প্রতীক ভাই?’ 
- আগে একটু খেয়েদেয়ে জিরিয়ে নেই তারপর বলছি।
- আচ্ছা। কিন্তু একটা কথা বলোতো সৈকত সাহেব তোমাকে কিভাবে চেনে? 
- আরে কি বলো লিয়া চিনবে না, আমরা আর্মি কোয়ার্টারে একসাথে থাকতাম তো। বাবার সাথে সৈকত ভাইয়ের বাবাও চাকরি করতেন।
- সেজন্যই কি ওনাকে এখানে আনা হয়েছে? আই মিন আমাদের পাহারা দেয়ার জন্য কি আঙ্কেল এখানে এনেছেন?
- উহু এটা ভুল। ও নিজে থেকেই থাকতে চায়। আমাদের বাড়িটা শহর থেকে একটু দূরে। আশেপাশের পরিবেশ ও সুন্দর। এখানে থাকলে নাকি ছবি আঁকার মুড আসবে।
অনন্যা জিজ্ঞেস করল, ‘উনি ছবি আঁকেন?’
- আগে আকঁতো প্রচুর ছবি। এখন অবশ্য কম। আগে তো ওর ছবিগুলো বিদেশেও পাঠাতো। 

সিসিলিয়া তখন অন্য চিন্তায় বিভোর। প্রতীকের সব কথা খেয়াল করে শুনলোও না। ওর ঘোর কাটলো সৈকতের কথায়। সৈকত বলল, ‘ভাবী আজ কি একটু চা খাওয়াবেন?’
সিসিলিয়া বিরক্ত চোখে তাকিয়ে বলল, ‘রোজ রোজ বেহায়ার মতো এখানে এসে চা খেতে কি আপনার লজ্জা করে না?’
সৈকত দাঁত বের করে বলল, ‘খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে লজ্জা রাখতে নেই ভাবী।’ 
সৈকতের কথার সাথে তাল মিলিয়ে প্রতীক বলল, ‘লিয়া ও তো আমাদের ফ্যামিলি মেম্বারের মতো। ও কেন লজ্জা পাবে।’
অনন্যা এসে বলল, ‘আপনি লিয়ার কথায় কিছু মনে করবেন না ভাইয়া। এ বাড়িতে আপনিও যেমন, ও কিন্তু তেমন।’ 
অনন্যার শেষ কথাটায় সিসিলিয়ার খারাপ লাগলো। কথাটা যদিও মিথ্যে নয়। তবুও অনন্যার বলার ধরন সিসিলিয়ার পছন্দ হলোনা। আর কিছু না বলে সিসিলিয়া খেতে বসলো।

রুটি ছিঁড়ে মাছের ঝোলে ভিজিয়ে মুখে দিতে দিতে সৈকত বলল, ‘তা প্রতীক তুই এভাবে চলে এলি কেন? ভাবীকে ছেড়ে থাকতে পারছিলি না বুঝি?’
সৈকতের কথায় অনন্যা লজ্জায় মাথা নুইয়ে ফেলল। সিসিলিয়া বেশ বিরক্ত হলো। প্রতীক হো হো করে হেসে উঠে বলল, ‘আরে না ভাই। ব্যাপার হলো ওখানে খুব মশা। বিরাট বিরাট হাতি সাইজের মশা। এদের থেকে বাঁচার জন্য মশার কয়েল জ্বালিয়ে রেখেছি কিন্তু শালার মশারা মটকা মেরে পড়ে থাকে যতক্ষণ কয়েল জ্বলে। এরপর আবার উঠে গান শুরু করে।’
অনন্যা আঁতকে উঠে বলল, ‘ইশ! তাহলে বাবা কি করে থাকবে?’
প্রতীক বলল, বেশীদিন থাকতে পারবে না চলে আসবে দেখ। 
সিসিলিয়া বলল, ‘তুমি কি পালিয়ে এসেছ?’
প্রতীক মাথা চুলকে বলল, ‘এটা ঠিক পালিয়ে আসা বলে না। এটা না বলে আসা।’
অনন্যা চিন্তিত গলায় বলল, ‘তার মানে পালিয়ে এসেছ?
প্রতীক কিছু বলতে যাবে তার আগেই সৈকত বলল, ‘সমস্যা কি বলতো যে তুই না বলেই চলে এসেছিস?’
প্রতীক সিরিয়াস হয়ে বলল, সমস্যা না ঠিক গুরুতর সমস্যা। 
- কি সেটা?
- সমস্যাটা হচ্ছে এই সাতদিন ধরে আমার টয়লেট হয়নি। 

কথাটা বলেই প্রতীক লজ্জা পেল। সিসিলিয়া মাথানিচু করে হাসছে। সৈকতের চোখ এড়ালো না সেটা। অনন্যা বিস্মিত হয়ে গেল স্বামীর কথায়। 
সৈকত হাসি হাসি মুখে প্রতীককে বলল, ‘কি বলছিস! তোর ও কোষ্ঠকাঠিন্য?’ 
- আর বোলোনা ভাই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টয়লেটে কাটাই তবুও হয়না।

সৈকত দুষ্টচোখে একবার সিসিলিয়ার দিকে তাকালো। সিসিলিয়া হাসি চেপে রেখে একমনে খেয়ে যাচ্ছে। সৈকত আবারও সিরিয়াস ভঙ্গিতে বলল, ‘ভাই শোন আমার কাছে একটা ওষুধ আছে যেটায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে।’

কি বলবে আন্দাজ করতে পেরে সিসিলিয়া চোখ তুলে তাকালো। সৈকত সেদিকে না দেখেই বলতে লাগলো, ‘এক কাপ শিশি স্পেশাল পিপঁড়ে দেয়া চা খাবি। দেখবি সব ক্লিয়ার।’

শেষের কথাটা বলে চোখ টিপলো সৈকত। প্রতিক ও অনন্যা দু’জনেই একসাথে জিজ্ঞেস করল, ‘শিশি স্পেশাল পিপঁড়ে চা?’
সৈকত সিসিলিয়ার দিকে তাকালো। সিসিলিয়া রক্তচক্ষু নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। সৈকত একগাল হেসে বলল, ‘কি শি-শি-লি-য়া ভাবী ঠিক বলেছি তো!’

সিসিলিয়া এমন দৃষ্টিতে সৈকত কে দেখল যার অর্থ হচ্ছে তুই এখনই ভস্ম হয়ে যাবি! 


(চলবে...)

আরো পড়ুন চতুর্থ পর্ব- ধারাবাহিক গল্প : এক পলকের একটু দেখায়

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড