• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

অবচেতনের বাগানে ছুক্কু মিয়ার ঘোরাঘুরি

  মেহেদী হাসান তামিম

১৩ জুন ২০১৯, ১২:২১
গল্প
ছবি : অবচেতনের বাগানে ছুক্কু মিয়ার ঘোরাঘুরি

ছুক্কু মিয়ার থুতনির উপর বড়জোর ১৫-২০ টা পাটের আঁশের থেকেও কিছু পাতলা কয়েকটা দাঁড়ি। হাতপাখার বাতাসেও এদিক-ওদিক দৌড় মারতে চায়। ছুক্কুর ইদানীং অভ্যাস হয়েছে, কিছুক্ষণ পরপর দাঁড়ি কটায় আদর করে হাতটা বুলিয়ে নেয়।

দাঁড়িসংখ্যার সংকটে তার দুঃখ আর আফসোসের অন্ত নাই। গত বছর রাজধানীর বড় মাদ্রাসা থেকে আল্লামা ফরিদ উদ্দিন হাজী সাহেবকে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দেবার জন্য আনা হল। তিনি বিরাট নামকরা হুজুর। তাঁর দর্শন পাওয়াটা ছুক্কুর গ্রামের মানুষগুলোর জন্য বিশাল কপালের ব্যাপার। স্থানীয় টিনের চালাওয়ালা একমাত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে হুজুরের খেদমতের দায়িত্ব, ছুক্কু মিয়ার উপরেই বর্তাল। সেবার সুযোগ পেয়েই হুজুরকে কদমবুসি করে বায়না ধরেছিল সে,

হুজুর গোস্তাখি মাফ করবেন। আমার থুতনিতে নেক দিলে একটু দোয়া ফুইকা দেন।

হুজুর চোখ কপালে তুলে জিজ্ঞেস করে,
কে রে বাজান, তুমার থুতনিতে কি অইছে!

ছুক্কু আমতা আমতা করে বলে,
দ্যাহেন না হুজুর কয়ডা মাত্র দাঁড়ি। মানুষজন এখন বড় আজিব। দাঁড়ি কম দেইখ্যা কম পাত্তা দেয়, আড়ালে হাসাহাসি করে, বদ পোলাপাইনগুলা পেছন থাইকা ‘রামছাগল’ কয়।

কথাগুলো শুনে হুজুরের ভীষণ হাসি এলেও তিনি হজম করে ফেললেন। তিনি হেসে ফেললে ছুক্কু আরো কষ্ট পাবে ভেবে। তার কথার ধরনেই তিনি বুঝেছিলেন, আদবকেতা জানা এই ভালো ছেলেটার মনের ভিতরে দাঁড়ির জন্য অনেক কষ্ট। ছুক্কু মিয়ার থুতনি মুখের কাছে টেনে নিয়ে তিনি ভালোমতো দোয়া পড়ে ফু' দিয়ে দিয়েছিলেন। মোটামুটি তখনই ছুক্কু নিশ্চিত হয়েছিল, তার দাঁড়ি ঘন না হয়ে আর কোন উপায় নেই।

রোজ ঘুম থেকে উঠে তার প্রথম কাজ, বিছানার পাশে দেয়ালে তারকাটা দিয়ে লাগানো ছোট্ট আয়নাটার সামনে দাঁড়ানো।  দাঁড়িসংখ্যার উন্নতি খুব বেশি দৃশ্যমান না হলেও, একেবারে মন্দও নয়। ৭-৮ টা থেকে এখন দাঁড়ি প্রায় ১৫-২০ টা। তব মনের মধ্যে দাঁড়ির জন্য জাগ্রত যে আশা, তার হাল ছুক্কু কখনোই ছেড়ে দেয়নি। 

আরেকটু বেশি আশাবাদী হয়ে ছুক্কু মিয়া গঞ্জের হাটে গিয়ে রীতিমতো অগ্রিম টাকা দিয়ে অর্ডার করিয়ে, একশিশি কেষ্টর অয়েল আনাল। তার জন্য দুই সপ্তাহ অপেক্ষাও করতে হয়েছে। গতবার মাহফিলে ফরিদ হুজুরের সাথেই আসা বিশিষ্ট আলেম, গালভরা কালো কুচকুচে দাঁড়িওয়ালা হুজুর জনাব গাজী মাজহার সাহেব তাকে থুতনিতে তেলটি মাখতে বলেছিলেন। এতটুকু শিশিতেল ২৬০ টাকা দাম হতে পারে কল্পনাতেও ভাবেনি সে। তবুও খুব কষ্ট করে জমিয়ে টাকাটা জোগাড় করে ফেলল সে।

দাঁড়ির তেলের জন্য এতগুলো টাকা খরচ করা ঠিক হবে কিনা সেটা ভেবেও তার বুক বেশ ধুকপুক করছিল। অথচ মসজিদে মোয়াজ্জিন থেকে হুজুর হতে গেলে মুখভরা দাঁড়ি না থাকলে চলেই না। তাই আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে মনকে শক্ত করে নিজেকে বুঝিয়েছে, বড় কিছু পেতে হলে বড় কিছুই ছাড়তে হয়। সে যাত্রায় টানা আট রাত না খেয়ে খরচ করা টাকাটা পুষিয়েও ফেলেছিল। ছুক্কু মিয়ার জীবনে এখন আরেকটি নতুন রুটিন যুক্ত হয়েছে। ঘুমোতে যাবার আগে সে খুব সতর্কতায় শিশি হতে জাররা পরিমান সেই তেল আলপিনের আগায় নিয়ে আল্লাহর নামে থুতনিতে লাগায়। তারপর বেশ যত্নে খুব ধীরে মুখের দাঁড়ি ওঠার অংশে সেটি ঢলে মালিশ করে। এই নিয়মটুকু খুব নিয়ম-শৃঙ্খলার সাথেই পালন করে টিনের চালা মসজিদের মুয়াজ্জিন ছুক্কু মিয়া।

দেখতে দেখতে রমজান মাসও চলে এলো। রোজা শুরুর আগের দিন। প্রথমদিনের তারাবী নামাজের জামাত কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে। ছুক্কু মিয়ার আজ ভীষণ মন খারাপ। তারাবি নামাজ পড়ানোর জন্য গ্রামবাসীরা নিবারণপুর গ্রামের, ছোকরা মোয়াজ্জিন যার বয়স তার থেকেও কম হবে, তাকে নিয়ে এসেছে। টিনেরচালা মসজিদের ইমাম সাহেব বেশ বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। তাছাড়া উনার শরীরটাও ভালো যাচ্ছে না। একসময় তাই ছুক্কুর মনে আশা জেগেছিল, রমজান মাসে নিশ্চিত তাকেই তারাবি নামাজ পড়াতে হবে। কিন্তু খয়রাত মাতবরের নেতৃত্বে মসজিদ কমিটি ছুক্কু মিয়ার সামনে বসেই সিদ্ধান্ত নীল, পাশের গ্রাম থেকে হুজুর আনা হবে।

এমন না বাহির থেকে হুজুর এসে খতম তারাবি পড়াচ্ছেন। তিনিও সূরা তারাবিই পড়ান। এজন্য তার মনে কষ্টটা আরো বেশি। সে তো নিজের কথা আর নিজে বলতে পারেনা। তবুও ভরা মজলিসে সেদিন, একটু বেশি জোরেই গলা খাঁকারি দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করল। খয়রাত মাতবর  তৎক্ষণাতই বিরক্তিভরা চরম একটা ধমক দিল, 

ওই মিয়া, গলায় সমস্যা হইলে বাহিরে যায়া পরিষ্কার কইরা আসো। সবকিছুর একদা আদবকায়দা আছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় এই রকম শব্দে মানুষ কেমনে যে গলামলা খাকড়ায়!

খাঁকারি দেবার শব্দে তাকে দেখে কেউ যদি জিজ্ঞেস করত,

মুয়াজ্জিন সাহেব আপনের কি মতামত?

তাহলে সে যা বলবে বলে ভেবেছিল, খয়রাতের ধমক খেয়ে সাথে সাথেই একদম গিলে ফেলল। ভরা মজলিশে একজন মুয়াজ্জিনের এত বড় অসম্মান; কান্নায় তার চোখ ভেঙে আসছিল। অনেক কষ্টে কান্না দমিয়ে রাখল। তারপরই কিছুটা সান্ত্বনা পেল, অন্তত একজন হলেও তার নামটা প্রস্তাব করল। জলফত আলী ছুক্কুর নাম প্রস্তাব করতেই, মাতবর সাহেব আরো কড়া ধমকের সুরে বলে উঠল,

ওই মিয়া, ছুক্কু’র তো বয়সই হয় নাইকা, এমন চেংড়া ছোকরা আবার কিয়ের ইমামতি করব! আগে হের বয়স হউকগা।

এবারে ছুক্কুর চোখে কান্নাই চলে এলো।  সে মাথা নিচু করে বসা মাথাটিকে আরো নিচু করে ফেলল। দুয়েক ফোঁটা নোনাজলও  গড়িয়ে মসজিদের মেঝেতে পড়ল। তবুও ছুক্কু ভীষণ শান্তি পেল, কেউ তার চোখের পানি দেখে ফেলেনি সে ভেবে।

ছুক্কু বোঝে তার থুতনিতে কম ওই কটা দাঁড়ি থাকার কারণেই এত অসম্মান। মনটা খুব বেশী খারাপ হয়ে গেল তার, যখন এশা ওয়াক্তের আগে আগেই ঘটা দৃশ্যটা চোখে পড়ল। নিবারণপুর গ্রামের মুয়াজ্জিন, তার থেকে যে অনেক ছোট, আজরফ আলী ব্যাগ-বোজকা কাঁধে-হাতে ঝুলিয়ে একগাল হাসিভরে মসজিদে প্রবেশ করল। মাতবর সাহেব মসজিদের আঙিনায় বসা থেকে তড়াক করে দাঁড়িয়ে গেল।তাকে সালাম দিল, বুকে জড়িয়ে জিজ্ঞেস করল,

হুজুর, শরীরটা ভালা তো। আপনের যে কোন সমস্যা হইলে আমারে বইলেন। 

তারপর মাতবর সাহেব ছুক্কুর দিকে তাকিয়েই ইশারা করল ব্যাগগুলো নিয়ে যেতে। ছুক্কু বেশ বিপদেই আছে, ইদানীং তার সমস্যাটা প্রকট আকার ধারণ করেছে। চোখ হতে এখন-তখন, যেখানে সেখানে শুধু পানি বের হয়ে আসে। মাতবর সাহেব তাকে  ইশারা করার পরও তার চোখ হতে পানি বেরুল। 

আজরফ আলীর মুখভরা দাঁড়ি, সেজন্যেই বোধহয় মাতবর সাহেব তাকে ‘আপনি’ বলে ডাকল, কি ইজ্জতটাই না দিল। ছুক্কু থুতনি হাত বুলিয়ে একটু আনমনাও হলো। কষ্টে যেন তার বুকটা ফেটে যাচ্ছে। বিড়বিড় করে সে নিজেকেই বলল,

হায়রে দাঁড়ি, একজনের গালে আছো বলে কত ইজ্জত, কত সম্মান। একজন মাতবর সাহেবই, এক পদবী আর প্রায় একই বয়সী দুইজন ভিন্ন মানুষকে বুঝি শুধু দাঁড়ির পার্থক্যের কারনেই একজনকে ডাকে আপনি, আরেক জনকে তাচ্ছিল্যের সাথে তুমি।

তার চোখ থেকে অনবরত পানি গড়িয়েই চলেছে। জীবনে এই প্রথমবার ছুক্কু মিয়া শারীরিক গঠনে দুর্বলতার জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাল।  এদিকে আজানের ওয়াক্তও পার হয়ে যাচ্ছে। সে ভেবেই পাচ্ছে না, চোখ ভরা ‘পানি আর পানি’ নিয়ে কি করে সে আজান দেবে! 

শেষের শুরু....

দেখতে দেখতে মাসটা পার হয়ে গেল। এর মধ্যে কম বয়স্ক হুজুর আজরফ আলীর সাথে ছুক্কু মিয়ার দারুণ সখ্য হয়েছে। বয়স কম মুখভরা দাঁড়ি থাকলে কি হবে! কি যে আদব-লেহাজ জানা ছেলে। ছুক্কু মিয়াকে আপনি করে বলে। মুখেও শুধু মিঠা আর মিঠা। ভাইজান ছাড়া মুখে রা নাই! আফজল যখন সূরা পড়ে মনে হয় বৃষ্টিও অজর ধারায় পড়া বন্ধ করে, যেন তার তিলাওয়াত শোনে। অস্বাভাবিক মিষ্টি মধুতে ভরা তার কণ্ঠ। সকাল থেকে ছুক্কু ভেবে মন খারাপ হচ্ছে- আজরফ আলীর সান্নিধ্য, সুরেলা তিলাওয়াত, মধু ভরা ভাইজান ডাক, তার সুফী দর্শন সব কিছুকেই সে মিস করবে। তার মন বলছে, ভীষণভাবেই মিস করবে। 

রমজান মাসে মুসল্লিরা দিলখুলে শুধু নয়, বরং পুরোটা দিল মন শরীর যেমনে যে পারে, সব খুলে যেন দান খয়রাত করে। ছুক্কু মিয়া ভাবে, এটা কি আর এমনিতেই রহমতের মাস! ইস বছরের প্রতিটা মাস যদি এমন হতো। মানুষ ইফতারের সময় মসজিদে এত এত খাবার দেয়, অনেক সময় ঠেসে ঠেসে পেটে পুরলেও সব খাবার শেষ করা যায় না! সে ভাবে, বছরে এই মাসটা ছাড়া মানুষজন অন্য কোনদিন কালেভদ্রে খাবার পাঠায়, বলা যায় পাঠায়ই না। এমন কত দিন যে গেছে তার, সারাদিনে কিছুই পেটে পড়েনি। শেষমেষ মাতবর সাহেবের বাড়ীতে গিয়ে বললেই হয়, গামলা ভর্তি গরম গরম ভাত চলে আসবে। তরকারি ভালো কিছু না থাকলে খাটের তলা থেকে আস্ত দুইটা হাঁসের ডিম নিজেই বের করে কাউকে দিয়ে বলবে বেশি বেশি পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে মামলেট ভেজে দিতে। কতবার যে তিনি নিজে তার পাতে গোস্ত তুলে দিয়েছে। প্লেটে থাকলেও দিয়েছে। আর যাই হোক খয়রাত সাহেবের মানুষকে খাওয়ানো নেশাটা খুব ভালো লাগে ছুক্কুর। খুব নেক দিল একজন মানুষ। শুধু ধমক দিয়ে ওঠা আর তুমি করে বলা বাদে তার সবকিছুই ভালো লাগে তার। সে দু হাত তুলে আল্লাহর কাছে আরজ করে, 

ও আল্লাহ, শুধু রোজার মাসটায় কেন দান খয়রাতে এত ফজিলত দিলা, বিষয়টা সারাবছরই তো হইতে পারতো খোদা। দান তো যে কোন সময়েই দান - বান্দা নেক দিলে দেল কিনা সেইটাই তো আসল বিবেচনার বিষয়। মাইনষে সারাবছর দানখয়রাত করত যদি বছরের অন্য সময়গুলানেও না খাইয়া কষ্ট পাইতে হইতো না।

শেষ রোজার দিন। তারাবিও নেই। রাত পোহালে ঈদ। কিছুক্ষণের মধ্যে টাকা-পয়সার ভাগ বাটোায়ারাও হয়ে যাবে। পুরো মাসে টাকা পয়সা কম ওঠেনি।তারাবির নামাজ শেষে মসজিদ কমিটি বসল। যদিও সে জানে, অন্যদের থেকে অনেক কম টাকা তাকে দেওয়া হবে। আজ তবুও মনটা প্রথম দিনের মতো অতটা খারাপও লাগছে না।

মিটিং শেষে মাতবর সাহেব সবাইকে ডাকলেন। আসল ইমাম সাহেব, আজরফ আর ছুক্কু মিয়ার হাতে টাকা তুলে দেওয়া হলো। এরপর খয়রাত মাতবর দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিল, আজরফ হুজুরকে আমরা এ গ্রামেই রেখে দিচ্ছি। তিনি সম্মতি দিয়েছেন।  সাথে সাথেই ছুক্কুমিয়ার অন্তরকে কেউ যেন ধারালো ছুরিতে বিঁধে কুচি কুচি করে কাটতে শুরু করল। শোকে মূহ্যমান, বিমূঢ়,  স্তব্ধ সে। আজরফকে রেখে দেওয়া মানে সে মুয়াজ্জিন আর বড় হুজুর ইমাম। তার সবটুকু আশাও শেষ হয়ে গেল। মুয়াজ্জিন হিসেবেও তার এ গ্রামে আর প্রয়োজন হচ্ছে না। চোখ থেকে পানিও বের হয়ে আসতে চাইছে না। 

নীরবে অতি সন্তর্পণে উঠে দাঁড়াল সে। বাহির গেটের দিকে সৌম্য ভাবে হাঁটা শুরু করল। তার মাথা কেমন জানি শূণ্য হয়ে আসছে। কোন কিছু অনুভব করার শক্তিটাও যেন আর অবশিষ্ট নেই।  বোবাধরা মানুষের মতো নিরুদ্দেশের পানে হাটতে শুরু করেছে। জানে না কোথায় যাবে। 

হাঁটছে, হঠাৎ মনে হলো পেছন থেকে কোন শক্ত হাত তাঁর কাঁধ চেপে ধরেছে। তার মনে হলো, মাতবর সাহেবের কন্ঠে। তাকেই বলছে যেন,

হুজুর আপনে যান কোথায়? কাইল সকালে ইদের প্রথম নমাজ তো সাড়ে ছয়টায়। বড় হুজুর সাহেব আইজ থাইকা বিশ্রামে যাইবেন। আপনে কাইল থাইকা আমাগো গ্রামের টিনেরচালা মসজিদের ইমাম সাহেব।সকালের নমাজও আপনেরেই পড়াইতে হবে হুজুর সাহেব।

ছুক্কু মিয়া ভীষণ ধন্দে পড়ল। হঠাৎই তার মনে হলো সে যেন, কোন ফুলে ভরপুর মৌ মৌ ভেসে আসা সুগন্ধি বাগানে প্রবেশ করেছে। কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না, সে কি জাগ্রত নাকি অবচেতন মনে উল্টাপাল্টা শব্দ শুনছে। ছুক্কু মিয়া প্রাণপণ বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, ঘোরের মধ্য থেকে মাতবর সাহেবের কণ্ঠ ভেসে এলো, নাকি বাস্তবেই সেই শব্দতরঙ্গগুলো সৃষ্টি হয়েছে। 

নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড