• সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬  |   ৩৬ °সে
  • বেটা ভার্সন

‘হতভাগ্য বাতিওয়ালা’-এর ত্রয়োদশ পর্ব

ধারাবাহিক উপন্যাস : হতভাগ্য বাতিওয়ালা

  মুহাম্মদ বরকত আলী ১৬ মে ২০১৯, ১২:১৯

গল্প
ছবি : প্রতীকী

কাদের গাজী স্যার এতক্ষণ ক্লাসে ছিলো। ক্লাস থেকে হন্তদন্ত ভাবে বের হয়ে অফিস কক্ষে ঢুকলেন। গাজী স্যারের আবার একটা নিয়ম আছে। ক্লাসের ঘণ্টা না পড়লে বের হবেন না। কখনো কখনো এমনো হয়েছে, কোনো কারণে ঘণ্টা পড়েনি তাহলে সেদিন স্যারের ক্লাসও চলছে অবিরাম। স্যার ক্লাস নিচ্ছেল তো নিচ্ছেন। দুটো ক্লাসের ঘণ্টা পড়লে তারপর বের হবেন।

সিরাজ স্যারের অবস্থা দেখে বললেন, নিশ্চয় গরম পানির কারিশমা? আর সেই পানি থেকে বাঁচতেই দৌড়। অবশেষে লোকের মাঝে পড়ে হাত মচকানো?

কাদের স্যারের এ দৃশ্য যেনো মুখস্থ। পূর্বে তো এই কাজের জন্য কাদের স্যারের রিজার্ভ ছিলো। স্যারের শরীর খারাপ থাকায় এই কয়েক বার সিরাজ স্যার গেলেন। আর বেচারা ধরা খেলেন এবার।

যেহেতু আমি জুনিয়র তাই আমি বেশি কথা বলি না। হেড স্যারকে উদ্দেশ্য করে বললাম, চলেন স্যার বিল্ডিং আর জমি বিক্রি করে কেটে পড়ি।

আখতারুজ্জামান স্যার বললেন, সে গুড়ে অনেক আগেই বালি পড়েছে। এই জমি আমাদের না। কিনলাম আমরা আর জমি দান করলো হাতেম তাই সেজে দাতা মেম্বার, সভাপতি, আর এলাকার কয়েকজন পাতি নেতা।

তাহলে তো ভালোই হয়েছে জমি জমা বিক্রি করে ভাগাভাগির ঝামেলাও নেই। আমি শান্ত্বনা স্বরূপ বাণী দিলাম, শোনেন, শিক্ষকতা পেশা হলো মহান পেশা তাই বেতন হোক বা না হোক আপনি কিন্তু সমাজে একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন এর চাইতে আর কিই বা চাওয়ার আছে?

মৌসুমি আপা ক্যাক করে কথা ধরে বললেন, হ্যাঁ ঐ নিয়ে পড়ে থাকো।

শিক্ষকতা করতে হলে শিক্ষককে কখনো ছেলেমানুষি, কখনো বোকামি, আবার কখনো অভিভাবক হতে হয়। তবে আমি বেশির ভাগ সময় বন্ধু হয়ে থাকি। ওদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে আমার খুব ভালো লাগে। ইচ্ছে করেই বাচ্চাদের মত আচরণ করি। শুনেছি শিক্ষকেরা বৃদ্ধ বয়সে পাগল হয়ে যায়। পুরোপুরি পাগল না হলেও কিছুটা হয়ে থাকে নিশ্চয়। সাধারণত প্রাইমারি শিক্ষকের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। আর ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা ঠিক সেরকম পাগল বানানোর যন্ত্র বটে। সদ্য প্রাইমারি পাশ করে এসেছে। এখনো সেই পাগলামি যায়নি। তবে এই পাগলামি এক প্রকার বেশ ভালোই লাগে আমার।

আমরাও কী কম করেছিলাম? ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েই মনের মত দুজন বন্ধু পেয়ে ছিলাম। পরীক্ষার সময় প্রথম দিনে রুম খোলার সাথে সাথে তিন জনের সিট এক জায়গায় করে নিতাম। যা লিখতাম তিন জনের বুদ্ধিতে মিলে মিশে লিখতাম। নম্বরও পেতাম প্রায় একই। আরও কত খুনসুটি।

অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। সেই খাতা গুলো হাতে নিয়ে ক্লাসে ঢুকতেই লিকলিকে ছেলেটার লাফালাফি চোখে পড়ল।

কিরে এত লাফচ্ছিস কেন?

পরীক্ষার খাতা দেবেন তো তাই। ছেলেটার জবাব।

ফরিদা একটু চলবলে মেয়ে, উঠে দাড়িয়ে বলল, স্যার শিলুর বাবা বলেছে এবার বেশি নম্বর পেলে নাকি ওকে নতুন একটা লাল সাইকেল কিনে দিবে।

আচ্ছা তাহলে এই ব্যাপার। পেয়ারার রহস্য তাহলে এটাই? আগে বললে তো তোকে ফাস্ট করে দিতাম। বিনিময়ে একটা নতুন লাল সাইকেলের মালিক হতে পারতিস।

গত কয়েক দিন আগে ও আমার বাসায় গিয়েছিলো একটা ব্যাগ ভর্তি পেয়ারা নিয়ে। এক ব্যাগ পেয়ারা সামনে রেখে বলেছিলো, স্যার এবার নম্বরটা একটু ধরে দিবেন। আমি মনে করেছিলাম বাচ্চা ছেলে তাই নম্বরের প্রতি এত লোভ। তাহলে তার লাল সাইকেলের লোভে আমাকে পেয়ারা ঘুষ দিতে গিয়েছিলো!

সাপ্তাহিক পরীক্ষাগুলোতে ছেলেটা বেশি নম্বর পায় না। নূন্যতম পাশ নম্বর তুলতেও কষ্ট হয়ে যায়। আমার মনে হয় ওকে আরও এক বছর পঞ্চম শ্রেণিতে রাখলে ভালো হতো। লেখার মান খুব খারাপ। তার দেহ যেমন দুর্বল তেমনি তার হাতের লেখাও দুর্বল।

কীরে শিলু পেয়ারা শুধু আমার বাসায় গিয়েছিলো নাকি অন্য স্যারের বাসায়ও?

খুশি মনে বলল, স্যার, আমাদের বড়িতে অনেক পেয়ারা গাছ আছে। বাবা বললেন স্যার ম্যডামের বাসায় দিয়ে আসতে। তাই আর কী।

ফরিদা কথার পিঠে কথা লাগিয়ে বলল, স্যার ও মিথ্যে বলছে। ওদের বাসায় একটাও পেয়ারা গাছ নেই। সব পেয়ারা ও চৌধুরীদের বাগান থেকে চুরি করেছে।

শরিফ বলল, স্যার চৌধুরীদের বাগান সবার জন্য মুক্ত করে দিয়েছিলো। সেদিন আমি আর শিলু সব পেয়ারা পেড়ে নিয়ে এসেছিলাম। আমরা চুরি করিনি।

খাতা দিতে দিতে বললাম, তোদের ভালো ফলাফল করতে হলে পাঠ্যপুস্তক বুঝে বুঝে পাড়তে হবে। কারো দেখে নম্বর বেশি পাওয়াতে আনন্দের কিছু নেই। কার কোথায় ভুল হয়েছে লাল কালি দিয়ে লিখে দেওয়া আছে ভালো করে দেখে নিস।

শিলুর হাতে তার খাতা পড়ার সাথে সাথে মনটা কাঁদো কাঁদো হয়ে গেলো। ওর মাথায় হাত দিয়ে বললাম, ভালো করে পড় তাহলে নম্বর বেশি পাবি। না পারার কিছু নেই। সব জায়গায় আবেগ, দয়া চললেও লেখা পড়ার ক্ষেত্রে চলে নারে পাগলা। এখানে আবেগ দয়া কাজ করলে জাতিই ধ্বংশ হয়ে যাবে। একটা জাতির উন্নতির মুলে আছে এই শিক্ষা। এটা যে আমি পারবো নারে পাগলা।

আমার দিকে ফ্যাঁল ফ্যাঁল চোখে তাকিয়ে থেকে বলল, স্যার পেয়ারাগুলো কেমন ছিলো?

খুব ভালো স্বাদের রে, দেশী মনে হয়?

জী স্যার, দেশী।

একটু থেমে দৃঢ় কণ্ঠে বলল, এবার খুব ভালো করে পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে তারপর লাল সাইকেল কিনবো।

এইতো বুঝেছিস। একবার না পারিলে দেখো শত বার। বুঝতে না পারলে বার বার জিজ্ঞাসা করবি যত বার খুশি। মনে রাখবি, যে চেষ্টা করে সে সফল হয়।

খাতা গুলো গুছিয়ে অফিস কক্ষে এলাম। গাজী স্যারের সেই পুরনো ডায়লগ শুরু হলো। হেড স্যারকে বললেন, স্যার, এবার সত্যি সত্যি এমপিও ছাড়ছে। যোগাযোগ করলে আমাদেরটাও হতে পারে। হেড স্যার বিরক্ত সুরে বললেন, এসব আজগুবি কথা আপনাকে কে বলে? আপনার বন্ধুরাও যেমন আপনিও তেমন। আমি কী খবরা-খবর রাখি না? না কী শুধু আপনিই একাই খরব-রাখেন?

আপাত তো আমি চুপ আছি। এই সময় আমি কথা বলি না। আমার কাজ শুধু শুনে যাওয়া। তানা হলে বলবে তুমি যেনে শুনে ইশকুলে ঢুকেছো এখন বেতন বেতন করলে তো আর হবে না। আগে মানব সেবা কর তারপর দেখা যাবে। আমরা জীবন শেষ করে ফেললাম ব্যাগার দিয়ে আর সে দুইদিন নিয়োগ পেয়েই বেতনের আশা করে। কথা গুলো শোনার কোনো আগ্রহ আমার নেই। তাই কথা বন্ধ রাখাই ভালো। একদিন এই স্কুলে নিয়োগ পেয়েই বেতন শুরু হবে। সেদিন আমরা কেউই থাকবো না। এই বিল্ডিং পরিবর্তন হবে, ছাত্রছাত্রীতে মুখরিত হবে ইশকুলের প্রাঙ্গণ। এই ইশকুল মাঠ থাকবে। শুধু আমারাই থাকবো না। কাউকে না কাউকে শুরু করে দিতে হয়। সব কিছুই পরিবর্তন হবে। সাক্ষী থাকবে ঘাসের ডগায় নিশ্চুপ বসে থাকা এক ফোটা শিশির বিন্দু। আর এদিক দিয়ে বয়ে যাওয়া বাতাস। কিন্তু ওদের কথা কেউ শুনতে পাবে না।

ফরিদ ভাই একটু হেসে বললেন, স্যার মনে হয় আজ স্বপ্ন টপনো দেখেছেন?

গাজী স্যার বললেন, তাঁতি পাড়া স্কুলে আমার এক বন্ধুর আত্মীয় আছে সেই বললো।

আপনার সেই বন্ধু কি করেন?

একটা প্রাইমারিতে আছে।

ও আচ্ছ, এই ব্যাপার? সে বেতন পাচ্ছে তো তাই আরামে থেকে আপনাকে ঠাট্টা করেছে। আপনার প্রত্যেকটা বন্ধুই আপনার সাথে এরকম করে। আর আপনিও বেশ তাদের কথায় নাচানাচি শুরু করে দেন। এপর্যন্ত একটা তথ্যও কি সত্যি হয়েছে?

সিরাজ স্যার আন্দোলন থেকে পালিয়ে এসেছে বলে এ বিষয়ে কোনো কথা বলছে না। কেউ যদি বলে বসে, আন্দোলন থেকে পালিয়ে এসে আবার কথা বলছে।

আমার কল্পনাকে উপেক্ষা করে সিরাজ স্যার বললেন, হতেও পারে স্যার। সবাই তো আর চলে আসেনি। কিছু কিছু স্কুলের শিক্ষকেরা ছিলো। ওরা গরম পানি খেয়ে মনে হয় বোনাস পয়েন্ট পেয়েছে। তাই বোধ হয় বেছে বেছে হয়তো তাদেরটাই দিয়েছে।

মৌসুমি আপা হুড়মুড় করে অফিস কক্ষে ঢুকলেন। আজ বেশ দেরি করেই আসলেন। ব্যাগটা রেখে খুব ব্যস্ততা দেখালো। হেড স্যার বললেন, এভাবে নিত্যদিন দেরি করে আসলে হবে?

মৌসুমি আপার পুরনো কথার রেকর্ডিং ছেড়ে দিলো।

কি করবো স্যার, মেয়েকে স্কুলে রেখে আসতে একটু দেরি হয়েছে।

হেড স্যার বললেন, আপনার মেয়ের লেখাপড়ার প্রতি এত সজাগ আর আমাদের ইশকুলের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি অবহেলা করলে চলবে?

মৌসুমি আপা এবার একটু অবহেলার সুরেই বলল, যেখানে বেতন নেই সেখানে আবার দায়িত্ব। যা সময় দিচ্ছি সেটুকুই অনেক।

আমি আর চুপ থাকতে পারলাম না। কথা শেষ হতেই আমি শুরু করলাম।

এটা কিন্তু আপনি ঠিক বললেন না আপা। বেতন পাওয়া না পাওয়ার ব্যাপারে কথা হিসেব করে ছাত্রছাত্রীর প্রতি অবহেলা করা এক প্রকার গুনাহ। তাদের এখানে ভর্তি করানো হয় পড়ানোর জন্য। তারা ভালো ফলাফল না করতে পারলে আমরাই দায়ী। যে দিন থেকে ওরা এখানে ভর্তি হয়েছে সেদিন থেকে আমাদের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া ওদের অধিকার হয়ে গেছে। আর আমাদের শিক্ষা দেওয়াটা কর্তব্য হয়ে গেছে। এখন বেতনের দোহায় দিলে তো আর চলে না।

এবার তিনি পরাজিত সৈনিকের মত বললেন, একটু আধটু কী কাজ থাকতে পারে না?

স্যারের মনে হয় এর উত্তর জানা নেই। আর কত উত্তর দিবে। একটা মানুষ ইচ্ছে করে প্রতিদিন এভাবে একটার পর একটা ছলনা করলে স্যারের আর উত্তর থাকে?

মৌসুমি হাসান আপা আর কোনো কথা না বলে ক্লাসে চলে গেল। পারেও বেশ। আত্মীয়ের শেষ নেই। কারো আলোচনা শুনলেই জোড়াতালি দিয়ে সম্পর্ক বানিয়ে ফেলবে। হয় ভাইয়ের শশুর বাড়ির কেউ না হয় বোনের, আর তানাহলে তো নিজের বাপ দাদার কেউতো হবেই।

কলিমদ্দিন স্যার এতক্ষণ চুপ থেকে বললেন, কী করতে যে এখানে এসে জীবনটা শেষ করলাম। কী যে পাপ করেছিলাম। কত যায়গা থেকে অফার এসেছে, তখন অবহেলা করেছি। আহারে যদি ব্যাংকের চাকুরীটা করতাম তাহলে আজ এভাবে...।

আমিও জোসে সোরে বললাম, কী যে পুণ্য করেছি এমন একটা ইশকুলে বিনা পরিশ্রমে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিতে পারছি। মানব সেবা করতে পারছি। এই মহৎ কাজের সুযোগ হয় কত জনের?

সিরাজ স্যার কোনো কথা না বলে বের হলেন অফিস কক্ষ থেকে। আমিও পিছু পিছু বের হলাম।

স্যার, হাতের এখন কী অবস্থা?

মোটামুটি ভালো।

এভাবে বোকার মত কাজ করতে গেলেন কেন?

কথাটা শুনে আমার দিকে ঘাড় ঘুরে তাকালেন। একটু থেমে বললেন, মানে? কী বোকামি করলাম?

বোকামি না তো কী? অযথা হাত পা ভাঙ্গা, গরম পানির ছ্যাকা খাওয়া। এগুলো বোকামি ছাড়া কী? বোকারাই ধরা খাই।

তুমি কী বলতে চাচ্ছো আমি কী ইচ্ছে করে এগুলো করেছি?

এক প্রকার ইচ্ছে করেই বলতে পারেন। দেখেন না প্রতি বার কোনো না কোনো ভাবে বিদায় দেয়। কষ্ট সাথে টাকা, তার বিনিময়ের ফলাফল এসে কি দাঁড়ায়? ফলাফল দাঁড়ায় শূন্য। এবারও তাই হয়েছে।

শোনেন বুদ্ধি থাকতে হয়, সব ক্ষেত্রে সততা দেখাতে হয় না। আপনাকে টাকা দেওয়া হয়ে ছিলো না?

হ্যাঁ দিয়েছিল।

সেই টাকা নিয়ে ঢাকায় একটা ভালো হোটেলে দেখে একটা রুম নিয়ে আরামে খাবেন আর ঘুমুবেন। সময় করে একটু টেলিভিশন দেখে নিলেই ব্যাচ, খেল খতম। খবরে তো দেখতেই পাবেন কে কখন বক্তব্য দিচ্ছে, কী অঙ্গিকার দিচ্ছে। যখন দেখা যাবে কিছু একটা আশার কথা বলছে আর অমনি সামনের সারিতে গিয়ে হাজির হতে হবে। আর যদি মরিচের পানি ছিটাই তো আপনি টেলিভিশনে বসে বসে দেখলেন।

কেউতো আপনাকে চিনে রাখেনি যে, কদমতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনন্দনে ছিলও না। কিছু কিছু কাজ চালাকির উপরে মারতে হয়। এগুলো করলে আজ আপনাকে এ অবস্থার সম্মুখীন হতে হতো না। আমার এই প্ল্যান মনে হয় সিরাজ স্যারের পছন্দ হয়নি। আমার কথার কোনো প্রতিক্রিয়া না জানিয়েই হন হন করে চলে গেলেন।

নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড