• রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

জিয়ার পরিচয় তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী : রেলমন্ত্রী||কলকাতায় চিকিৎসা করাতে যাওয়া ২ বাংলাদেশিকে পিষে মারল জাগুয়ার||ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদের ফরম বিক্রি শুরু ||ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রস্তাব নাকচ করে দিল মার্কিন সাংসদ||ভারতকে অবিলম্বে কাশ্মীরের কারফিউ তুলতে বলেছে ওআইসি||‘তদন্ত করতে হবে কেন এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে’||ইউক্রেনের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ জনের প্রাণহানি||‘অগ্নিকাণ্ডে কেউ চাপা পড়েছে কিনা তল্লাশি চলছে’ ||মুক্তিপ্রাপ্ত ইরানের সুপার ট্যাঙ্কারটি আটকে এবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারেন্ট জারি||অবৈধ অভিবাসন ইস্যুতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  
eid

জ্ঞান মানে তাত্ত্বিক কোন কিছুকে মনে করা হয়

জ্ঞান পরম প্রয়াস
জ্ঞান পরম প্রয়াস

“জ্ঞান” শব্দটি অতি তাত্ত্বিক নয়। যদিও জ্ঞান মানে তাত্ত্বিক কোন কিছুকে মনে করা হয়। অনেকেই জ্ঞানকে তাই মনে করেন। আসলে দার্শনিকরা জ্ঞানকে এমন ভাবে এত গভীরে নিয়ে আলোচনা করে বলেই হয়তো জ্ঞানকে এভাবে মূল্যায়ন করা হয়। সকল মানুষই জানতে এবং অজান্তে জ্ঞানকে ব্যবহার করে থাকে নিত্য। তার মতে দার্শনিক পদ্ধতিতে জ্ঞানার্জন সম্ভব না হলে ও স্বাভাবিক পদ্ধতিতে জ্ঞান অর্জিত করা সম্ভব। জ্ঞান কিভাবে অর্জিত হয়, জ্ঞান আহরনের প্রক্রিয়াটাই বা কি?

তা মানুষের জীবনে কিভাবে আহরিত হয় তাই তার বইয়ের আলোচ্য বিষয়। এমনই বাণী নিয়ে আসছে রাশেদুল ইসলাম রাশেদের “জ্ঞান পরম প্রয়াস”। জ্ঞান মানে আনন্দ, জ্ঞান মানে আলো, সাহস, শক্তি, জ্ঞান হচ্ছে অসীম প্রয়াস। রাশিদুল রাশেদ এর প্রথম পরিচয় তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর একজন গর্বিত ছাত্র।

এই বিদ্যালয় এমন এক বিদ্যালয় যে বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছিল এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। এ দেশের মানুষের জ্ঞান আহরণের শ্রেষ্ঠ স্থান এই বিদ্যালয়। আসলে এই বিদ্যাপিঠ শুধু মানুষকে দিতেই জানে বিনিময়ে নিতে জানে না কিছু। এই বিদ্যাপিঠটিই হচ্ছে মানুষ গড়ার একটি উত্তম কারখানা। সেই পবিত্র স্থানটি থেকে একটি মানুষ যেভাবে নিজের জ্ঞানকে বিকশিত করতে পারে তা হয়তো সেভাবে পারবে না অন্য কোন স্থান থেকে, কোথাও গিয়েও তা সম্ভব নয়।

কারন আমরা জাতিগত ভাবে এক শ্রেষ্ঠ জাতি। এখান থেকে একটি মানুষ যে জ্ঞানটি নিয়ে নেয় মনের অজান্তেই তা হয়তো তাকে দিতে পারবে না কেউ, দিতে পারবে না তাকে কেউ কোনদিনই । এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি ইট ও জ্ঞান এর বহিঃপ্রকাশ ঘটায় ক্ষণে ক্ষণে। আমি আমার আলোচনায় ফিরতে চাচ্ছি আবার সেখান থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন এই কবি। এ অবধি তার বই বের হয়েছে পাঁচটি। জীবনের কঠোরতা বিষয়ক কবিতা, প্রেমের কবিতা, বিশেষত সামাজিক প্রেম, পারিবারিক প্রেম ইত্যাদি বিষয়সমূহ স্থান পেয়েছে তার কবিতায়। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ “কবিতা” বের হয় ২০১৫ সালে ।

এরপর প্রতিটি বই মেলায় বের হচ্ছে তার বই। কবিতাকে তিনি ধারণ করেছেন তার মন মননে। হয়তো সে কারণেই মন এর অজান্তেই লিখে ফেলছেন একের পর এক কবিতা। প্রেম কাব্য, জীবন কাব্য, কথা কাব্য কিংবা কবিতা বাংলা সাহিত্যকে কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ করেছে। সাহিত্য রচনাকে তিনি স্থান দিয়েছেন মনের অন্য এক স্থানে। তার মতে কবিতা হলো সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় রচনা।

যাতে নিজের মননশক্তি প্রকাশ হয় মাহেন্দ্রক্ষণে। কবিতা রচনার ক্ষেত্রে তার কবিতাগুলো সময়ের বাস্তবতার নিরিখে লিখিত। যাতে মানুষের বাস্তবতার কঠোরতাকে মোকাবেলা করার প্রয়াস পায়। তার মতে কবিতা হচ্ছে প্রতিবাদ, বিশেষত সম্পদের মিথ্যে অহংকারের, টাকার গরমের, ক্ষমতাধরদের ক্ষমতা অপব্যবহারের প্রতি। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ, দেশমাতৃকা, বিদ্যার্জন, সমাজ সেবাসহ মানবতার প্রতি মনোনিবেশনের জন্য আগ্রহ প্রকাশের ক্ষেত্রে রচনা করছেন তিনি কবিতা। তার “জ্ঞান পরম প্রয়াস” প্রবন্ধটি অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৮ পার্ল পাবলিকেশন্স থেকে বের হয়েছে। তিনি মনে করেন মানুষ হিসেবে কর্ম করাটা উত্তমকর্ম।

বিশেষত জীবিকার্জনের জন্য করতে হয়। মহামতি দার্শনিক ভলটেয়ার এমনটিই বলেছেন। জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি জীবিকার্জন করা আসল চিন্তাবিদের গৌরবময় কার্য বলে মনে করেন।

নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড