• শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

‘হৃদিতা তুই এমন কেন’ এর ১১ম পর্ব

ধারাবাহিক গল্প : হৃদিতা তুই এমন কেন

  তানভীর আলাদিন

০৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৩৪
উপন্যাস
ছবি : প্রতীকী

দ্বারঘন্টার শব্দ পেয়ে শুভ্রা এগিয়ে গেলো, দরজা খুলে তো সে অবাক! খালামণি বলেই চিৎকার দিয়ে শুভ্রা’র কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো মোনা। মোনাকে টেনে কোলে তুলতে-তুলতে শুভ্রা বললো, মিতু আপু তোরা হঠাৎ? ইমন ভাই আসেনি?

মিতু বললো, নারে ইমন আসেনে, ও বিজনেস ট্যুরে সাপ্তাহখানেকের জন্য চীন গেছে গতকাল।মোনা’রও স্কুল ছুটি, তাই ভাবলাম এই সুযোগে ক’দিন বাবা-মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে আসি। তাছাড়া অপু মামা দেশে এসেছেন বেশ কয়েকদিন হলো, মামাতে আজ আসছি, কাল আসছি করে-করে আর চট্টগ্রামে গেলেন না। এই ফাঁকে মামার সঙ্গে দেখাটা হয়ে যাবে। তা সব সুনসান, মা-বাবা-মামারা কেউ কি বাসায় নেইরে?

- আছে তো, ফুফু মনে হয় কিচেনে, বাবা-আর ফুফাতো এক সঙ্গেই বেরুলো একটু আগে, বাবাও বোধহয় ফুফার সঙ্গে তার অফিসেই গেছে।
- যাই মায়ের সঙ্গে কিচেনে গিয়েই দেখাটা করে আসি, তারপর দু’ইবোনে বসে গল্প করবো।চলো মোনা, নানুর সঙ্গে দেখা করে আসি।
মোনা বলে, না তুমি যাও, আমি খালামণির সঙ্গে গল্প করবো।
- তুমি আবার খালামণির সঙ্গে কিসের গল্প করবে?
- সুন্দর-সুন্দর গল্প শুনবো খালামণির কাছে।
- পরে শুনবে, আগে নানুমণির সঙ্গে দেখা করবে, চলো...
- না, আমি এখনই গল্প শুনবো, এখন-এখন-এখনই...
মোনার চিৎকার শুনে শানু বেরিয়ে আসে... ওমা...! তোরা কখন? কোনো খবর-টবর না দিয়েই...!
- বারে তোমাদেরকে দেখতে আসতে হলে বুঝি আগে খবর দিয়ে আসতে হবে? তোমাদেরকে চমকে দিতে এসেছি, তাও আবার একা-একাই ফ্লাইটে চলে এলাম।
মোনা বলে, এই আম্মু, তুমি একা কখন? আমিতো তোমাকে নিয়ে এলাম!
শুভ্রা বলে, তাইতোরে মিতু আপু একা কিভাবে? তোমার সঙ্গে তো বীরকণ্যা মোনা ছিলো!
- দেখলে খালামণি, আমি মা-মণি’কে নিয়ে এলাম, আর বলছে একা-একা?
শানু এসে মোনার থুঁতনি ধরে আদর করতে-করতে বলে- ওরে আমার বুড়িরে কত্তো পেঁকে গেছে? শানু মোনাকে কোলে তুলতে চাইতেই ও বলে না-না, আমি তোমার কোলে উঠবো না, দেখো না আমি কতো বড়ে হয়ে গেছি? ছাড়ো, আমি এখন খালামণির কাছে গল্প শুনবো। শানু বলে- খালামণির এখন মন খারাপ, চলো আমি গল্প শোনাবো তোমাকে।
- না আমি তোমার পঁচা গল্প শুনবো না, তুমি শুধু রাজা-রাণী রাক্ষসের গল্প করো, তোমার গল্প পঁচা! আমি খালামণির কাছেই গল্প শুনবো। শুভ্রা বলে- থাকনা ফুফু, মোনা আমার কাছেই থাক, মিতু আপু তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও, মোনাকে গল্প শোনাতে আমার ভালোই লাগবে।
- দেখলে নানুমণি, আমাকে গল্প শোনাতে খালামণির ভালোই লাগবে। খালামণি তুমি আমাকে পাঁচটা গল্প শোনাবে কিন্তু- একটা শোনাবে হরর গল্প, তারপরে রোবটের গল্প...
শানু আর মিতু মৃদু হেসে অন্য রুমে চলে গেলো? মোনার আর তর সইছে না, ‘খালামণি গল্প বলোনা?’ শুভ্রা বলে দাঁড়াও, সেদিন একটি ভূতের গল্প পড়েছি, শুনবে ওটা? 
- হ্যাঁ
- ভয় পাবেনাতে? 
- ভয় পাবো কেন? এখনতো দিন, দিনের বেলায় ভূতের গল্প শুনে কেউ ভয় পায় নাকি?
- তাহলে বলতে পারি, তবে একটা শর্ত আছে, গল্প বলার সময় মাঝখানে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না, রাজী?(মোনা হ্যাঁ সূঁচক মাখা নাড়ায়) তাহলে শোনো,

গল্পটির নাম অমাবস্যার মধ্যরাতে। শ্রাবণ মাসের বৃষ্টির কোনো আগা-মাথা নেই, হঠাৎ করে এক পশলা এসেই সব জবু-থবু করে দিয়ে ফের লাপাত্তা। উল্লাসের মনটা খুব একটা ভালো নেই, বিয়ের এই একবছরের মধ্যে এবারই প্রথম বউটাকে চট্টগ্রামে তার বাবার বাসায় লম্বা সময়ের জন্য রেখে আসতে হচ্ছে।

এই সময়টা নাকি মেয়েরা বাবার বাড়িতে থাকতেই বেশী পছন্দ করে।যদিও ডাক্তার বলেছে ডেলিভারির আরো তিনমাস বাকি, উল্লাস রিস্ক নিতে রাজি না। এতদিন বউয়ের সঙ্গে থেকে সে কেমন জানি স্ত্রী নির্ভর হয়ে পড়েছে। কাল সকালে যদি অফিসে জুরুরি মিটিংটা না থাকতো তাহলে সে আজ আর রাত করে ঢাকামুখি হতোনা। কার ভালো লাগে শ্রাবণের ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে একা-একা চট্টগ্রাম থেকে গাড়ি চালিয়ে ঢাকা যেতে।

রাত ৯টায় ঢাকার উদ্দেশে উল্লাস গাড়ি চালানো শুরু করে এখন প্রায় ১১টা বাজে, মিনিট পাঁচেক আগে সে ফেনী পেরিয়ে এখন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় এসে পৌঁছেছে, যদিও উল্লাসের চা খাওয়ার তেমন কোনো অভ্যাস নেই, তবুও কেন জানি এখন তার একটু চা খেতে মন চাইছে। ছোট-খাটো কোনো চায়ের দোকানে দাঁড়ালে এককাপ চা খেয়ে নিলে মন্দ হতো না, অলসতা কেটে যেতো, কিন্তু সেই সুযোগটাও নেই কারণ শ্রাবণ আবার তার রঙ দেখাতে এক পশলা বৃষ্টি নিয়ে হাজির, কি আর করা সে ক্যাসেট প্লেয়ার ছেড়ে দিলো আর অমনি বেজে উঠলো জগজিৎ সিংয়ের কণ্ঠে:

বেদনা মধুর হয়ে যায়, 
তুমি যদি দাও। 
মুখের কথাই হয় যে গান, 
তুমি যদি গাও। 
বেদনা মধুর হয়ে যায়, তুমি যদি দাও। 
কুয়াশায় রাত হয় ভোর, 
কেটে যায় আঁধারের ঘোর। 
চোখের তারায় নামে স্বর্গ তুমি যদি চাও। 
বেদনা মধুর হয়ে যায়, তুমি যদি দাও। 
যেদিন জেনেছে এই মন, 
তুমি যে আমার 
সেই থেকে যা পেয়েছে সে, 
সবই যে তোমার। 
যত ভুল ভেঙে গিয়ে তাই, 
দেখি ফুল যেদিকেই চাই। 
দুঃখ হয় প্রীতি অর্ঘ্য যদি দিয়ে যাও। 
বেদনা মধুর হয়ে যায়, তুমি যদি দাও। 
মুখের কথাই হয় যে গান, 
তুমি যদি গাও। 
বেদনা মধুর হয়ে যায়, তুমি যদি দাও।

গানটার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ সেলফোনে রিং বেজে উঠতেই উল্লাস দেখলো তার স্ত্রী দিয়া’র কল, ফোনটা ধরতে যাবে ঠিক তখনই উল্লাসের মনে পড়লো দিয়া’র কড়া অর্ডার গাড়ি চালানো অবস্থায় ফোনে কথা বলা যাবে না। কি আর করা উল্লাস গাড়িটা নির্জন রাস্তার পাশেই দাঁড় করালো, দু’একটা গাড়ি মাঝে-মাঝে সাঁই-সাঁই করে চলে যাচ্ছে।
- হ্যালো দিয়া, হ্যাঁ বলো?
- আগে বলো গাড়ি চালাচ্ছো, নাকি থামিয়েছো?
- থামিয়েছি বলেইতো ফোন ধরতে দেরী করলাম।
- কতদূর গেলে?
- ঠিক বলতে, পারছি না, তবে কিছুক্ষণ আগে চৌদ্দগ্রাম বাজার ক্রস করেছি। এখন এমন একটা জায়গায় আছি চারিদিকে কোনো বাড়ি ঘর নেই, রাস্তার দুইদিকে পানি আর পানি, মনে হচ্ছে হলিউডি সিনেমার কোনো পেতপুরিতে এসে পড়েছি। কেমন গা ছম্-ছম্ একটা পরিবেশ।
- ভয় পাচ্ছো?
- ঠিক ভয় পচ্ছি না, আবার পাচ্ছিও মনে হচ্ছে।
- ভয় পেলে, ফোন রাখি, তুমি বরং গাড়ি চালিয়ে সামনের দিকে চলে যাও, পরে কথা হবে, রাখি।
উল্লাস গাড়িটা চালিয়ে মিনিট খানেক সময় অতিক্রম করতেই রাস্তার পাশে একটা পাজেরো গাড়ি উল্টে আছে, কয়েকজন লোকের জটলা, সে গাড়ি স্লো করতেই একজন লোক দৌড়ে এলেন উল্লাসের গাড়ির দিকে, লোকটা বললেন, স্যার আমাদের গাড়িটা অ্যাকসিডেন্ট করেছে,কারো তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি, সবাই হাল্কা ব্যাথ্যা পেয়েছ। আপনি কি ঢাকা যাবেন?
- হ্যাঁ।
-আমরা কুমিল্লা যাবার কথা, এই আবহাওয়ার মধ্যে ম্যাডাম দাঁড়িয়ে থাকলে তার শরীর খারাপ করবে, আমাদেরতো গাড়ির একটা ব্যবস্থা করতে হবে, আপনি যদি কষ্ট করে ম্যাডামকে একটু কুমিল্লা নামিয়ে দিতেন খুবই উপকার হতো। লোকটার অনুরোধ আর বৈরি আবহাওয়ার কথা ভেবে উল্লাস বললেন, ঠিক আছে উনাকে নিয়ে আসুন। লোকটা দৌঁড় দিয়ে গাড়ির দিকে গেলেন, কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি আস্তে-আস্তে একটা ২৫ বছরের মতো বয়সী নারীকে নিয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে আসছেন, উল্লাস এবার কেন জানি ভীত হয়ে উঠছেন, এমন সুন্দরী একটা মেয়েকে একা-একা গাড়িতে উঠিয়ে আবার কোন ফ্যাসাদে পড়েন, সাত-পাঁচ ভাবতে-ভাবতেই উল্টো দিক থেকে আসা একটি গাড়ির লাইটের আলোতে উল্লাস যা দেখলেন তাতে তার চোখ ছানাবড়া, কোথ্থেকে এক অজানা সাহস তাকে পেয়ে বসলো, আর সেই সাহস তাকে ডেকে বললো- ভাগ উল্লাস, ভাগ। কালবিলম্ব না করে উল্লাস ওদেরকে ফেলে গাড়িটা দিলো টান, শুধু কি টান, যদি কোনো গাড়ির রেসের প্রতিযোগিতায় সে অংশগ্রহণ করতো তাহলে নিশ্চিৎ প্রথম হয়ে যেতো, উল্লাস গাড়িটা টান দিতেই ওই নারীসহ সবাই পেছন-পেছন অনেক দূর পর্যন্ত তাকে তাড়া করেছে। উল্লাস পাগলের মতো গাড়িটা দ্রুত বেগে টানছে আর 
ভাবছে সে এটা কি দেখলো!
সামনে একটা পেট্টোল পাম্প, ভয়ে ঘামাতে-ঘামাতে উল্লাস পেট্টোল পাম্পে এসে দাঁড়ালো, পাম্পের লোকটা জিজ্ঞেস করলো স্যার কয় লিটার দেবো? তা স্যার দেখি এসি গাড়িতে ঘামতাছেন, স্যার শরীরটা কি খারাপ?
- না শরীর খারাপ না, একটা আজব পরিস্থিতি কাটিয়ে এলাম, বলতে পারো প্রচন্ড ভয়ের পরিস্থিতি।
- কি স্যার?
- তুমি বিশ্বাস করবেনা?
- করুম স্যার, তাছাড়া স্যার ভয়ের কথা কইয়া ফালাইলে ভয় কইমা যায়, কন স্যার।
- মনে হয়, ভূত দেখেছি...?
- দেখতেই পারেন, এলাকাটা জুইতের না, মাঝে-মইধ্যে অনেকেই ভূত দেখে, পেত্নি দেখে, আপনে কি দেখছেন স্যার?
- আমি মনে হয় ভূত-পেত্নি দুটোই দেখলাম।
- মানে?

উল্লাস লোকটাকে বিস্তারিত বলে, শেষে বললো জানেন, আমি যখন লুকিং গ্লাসে তাকাই প্রথমে ধাক্কা খেলাম যখন দেখি গাড়ির দিকে হেঁটে আসছে যে নারী সে আমার স্ত্রী! যাকে আমি চট্টগ্রামে রেখে এলাম, সেই একই পোশাকে!! ওই ঘোর কাটতেই অপরদিক থেকে একটা গাড়ির লাইটের আলো মেয়েটার মুখে পড়লো তখন মনে হলো ওটা একটা বৃদ্ধ ও কুৎসিত মহিলা, তার আবার পা দু’টো পেছনের দিকে উল্টো! তাহলে আপনি বলেন, কেমন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি পেরিয়ে এলাম। এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা কারো সঙ্গে শেয়ারও করা যাবে না, সবাই হাসবে, আপনিও নিশ্চয় মনে-মনে হাসছেন?

লোকটা বললো- না হাসবো কেন, এই ধরনের ঘটনা এখানে প্রায় ঘটেছে, আপনে সাহসী মানুষ তাই ক্ষতি হয় নাই, অবশ্য ওরা তেমন একটা ক্ষতি করেও না, শুধু ভয় দেখায়, ওতেই ওদের মজা, যাদের হার্ট দুর্বল ক্ষতিটা ওদেরই হয়। তা স্যার আপনে ইচ্ছা করলে নেমে ফ্রেশ হইয়া নিতে পারেন। 

উল্লাস বললো, চা খেতে ইচ্ছে করছিলো এখানেতো সেই ব্যাবস্থাও নেই, কি আর করা আস্তে-আস্তে গাড়ি নিয়ে এগিয়ে যাই, তা আমার ক’লিটার ধরলো?

জি স্যার, আপনার ২৮ লিটার, তা স্যার সাবধানে গাড়ি চালাইয়েন, ভয়ের বিষয়টা আর মাথায় রাইখেন না, আইজতো অমাবস্যার রাইত ওরা সাধারণত এই রাইতের মাঝামাঝিতে মানুষের লগে মজাটা একটু বেশীই করে, আমার মনে হয় আপনে একটু জিরাইয়া নিলে ভালোই করতেন স্যার।

উল্লাস বললো, রাত ১২টা বেজে গেছে, না, তার চেয়ে বরং ঢাকার দিকে এগিয়েই যাই। লোকটা বললো যাইবেন, যাইতেই যখন চাইছেন তা যান, তয় কইছিলাম কি স্যার, যেই লোকজন, মানে ভূতগুলা আপনেরে তাড়া করছিলো ওদের পা কইছিলেন উল্টা?

উল্লাস বলেন, সত্যি বলছি ওদের পা উল্টোই ছিলো, আমিতো আপনাকে আগেই বলেছিলাম আপনি আমার কথাটা বিশ্বাস করবেন না।

লোকটা বললেন, কেন করবো না, স্যার এই দেখুনতো আমার পায়ের দিকে ওদের পা কী এমন ছিলো?
উল্লাস লোকটার পায়ের দিকে তাকিয়ে তার উল্টো পা দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেললো।
গল্প বলা শেষ হতে মোনা বলে তারপর?
- তারপর, আর কি গল্পটাতো শেষ।
- কোথায় শেষ? উল্লাস কি ভয় পেয়ে রাস্তায় পড়ে ছিলো? ও কি মরে গেছে? নাকি বেঁচে আছে?
- তাতো জানি না!
- কেনো জানো না?
- গল্পটাতো ওখানেই শেষ, আর লেখেনিতো গল্পাকার।
- গল্পাকার কি?-
- গল্পটা লিখেছেন যিনি, তাকেই গল্পাকার বলে।
- কে লিখেছেন গল্পটা খালামণি?
- তানভীর আলাদিন।
- তাই? লোকটা একটা পঁচালোক, সুন্দর গল্পটা শেষ না করেই বলে শেষ! অমি আর কোনোদিন ওর গল্প শুনবো না। খালামণি লোকটার সেলফোন নম্বর আছে তোমার কাছে?
- কি করবে তার ফোন নম্বর দিয়ে?-জানতে চাইবো উল্লাস কোথায়? উল্লাসের বউয়েরতো বেবি আসবে বলেছে? বেবিটা এসেছে কি? ওরাতো এখনো আমাদের চট্টগ্রামেই আছে, আমি বাসায় গিয়ে ওর বেবিটা দেখে আসবো।
- নারে মা, তার ফোন নম্বর নেই তো।
- তুমিও লোকটার মতো পঁচা।
- কেন?

মোনা বলে, তুমি লোকটার সেলফোন নম্বর রাখনি তাই, আমি তোমার কাছে থাকবোনা, নানু মণির কাছে গিয়ে গল্প শুনবো, বলতে-বলতে দৌঁড়ে চলে গেলো।

(চলবে...) 

নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড