• মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

হার্ভার্ডের পাঠ্যপুস্তকে বাংলাদেশি সাংবাদিক রাজুব ভৌমিকের লেখা||বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলার শুনানি ১৫ জানুয়ারি ||মিথ্যা প্রোপাগান্ডা নয়, প্রয়োজনে সমন্বিত প্রচেষ্টা : চসিক মেয়র||ইরানের বিরুদ্ধে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অভিযোগ করল জাতিসংঘ||ঘূর্ণিঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ শুরু||মোরালেসের পদত্যাগে ভেনেজুয়েলা-নিকারাগুয়াকে সতর্কবার্তা দিলেন ট্রাম্প||ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ জানালেন রেলমন্ত্রী||বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে নতুন বই||মেক্সিকোতে আশ্রয়ের আশায় দেশ ছাড়লেন মোরালেস||ঠাকুরগাঁওয়ে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে মারপিটের অভিযোগ
sonargao

পবিত্রতার মায়া ঘেরা ‘ধুপপানি ঝর্ণা’

  তানিয়া মুনা

১০ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৩৭
ধুপপানি ঝর্ণা
ধুপপানি ঝর্ণা

ধুপপানি ঝর্ণা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সুন্দর ঝর্ণাগুলোর মধ্যে এটি একটি। এই ঝর্ণার নিচে একটা গুহার মত আছে। আর ঝর্ণার নিচের এই গুহাটাতে বসলে মনে হয় যেন অন্য কোন জগতে চলে গেছি। 

প্রায় ২০০ ফুট উচু হতে ৬ ফুট উচ্চতার প্রায় ১৫ ফুট ব্যাস নিয়ে শুভ্র আকার ধারণ করে ঝাপিয়ে পড়ছে দানবীয় রূপে। পরিপূর্ণ এক ট্রেকিং এটি। ভয়, ঝুঁকি, শিহরণ, উচ্ছ্বাস, চমক, সৌন্দর্য কী নেই! 

এই ঝর্ণার উপরের পাশে এক জায়গায় একজন ভান্তে ধ্যান করেন। তাই যারাই এখানে যাবেন খেয়াল রাখবেন যেন আপনার দ্বারা তার ধ্যানের যেন কোন ক্ষতি না হয়। এখানে যেয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না।

যেভাবে যাবেন- 

যেখানে অাসা যত কঠিন সেখানে যেন তত বেশি সৌন্দর্য অপেক্ষা করে। ধুপপানি ঝর্ণায় অাসা সত্যি অনেক কঠিন, এখানে পরিচর্যা, রাস্তা তৈরি, রশি বাধা, পথ তৈরি কিছুই নেই। জীবন বাজি রেখে ঝুঁকি নিয়ে এখানে অাসতে হয়। অানাড়ি, ভীতু এবং দূর্বলচিত্তের কারো না অাসা উত্তম।

যাওয়ার পথ- 

ঢাকা থেকে বাসে করে কাপ্তাই জেটিঘাট। ভাড়া ৫৫০ টাকা করে। সেখান থেকে ট্রলার রিজার্ভ করে চলে যাবেন। উলুছড়ি থেকে ট্রেক শুরু করার পানিপথটুকু পার হতেও অল্প কিছু টাকা নেবে এবং গাইড নেবে ৭০০ টাকা।

dhuppani

পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে দেখা মেলে ধুপপানি ঝর্ণার

কাপ্তাই থেকে প্রায় ২ ঘণ্টার বোট করে বিলাইছড়ি, বিলাইছড়ি থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা ৩০মিনিট বোট করে উলুছড়ি, উলুছড়ি থেকে ৩০ মিনিটের খোসা নৌকা করে পাহাড়। পাহাড়ি পথে উঁচু-নিচু কঠিন ট্রেকিং প্রায় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের যা অাপনাকে হাঁপিয়ে তুলবে। এসে পৌঁছবেন ধুপপানি পাড়া।  

এখান থেকে ঝর্ণার অাওয়াজ শুনা যায়। পুরো পথে শুধু ধুপপানি পাড়ায় একটি খাওয়ার দোকান। অন্য কোথাও কোনো অাহারের সুযোগ নেই। 

ধুপপানি পাড়া থেকে নামতে হবে খাড়া ৭০০/৮০০ ফুট যা কমপক্ষে ৩০ মিনিটের ধাক্কা।

এমন উচু, শুভ্র, হিংস্র, ক্ষিপ্র, তেজদ্বীপ্ত, যৌবনময়, রুপসী ঝর্ণা জীবনে দেখিনি। কোনো বিশেষন দিয়ে শেষ করা যায় না এই ঝর্ণার।

সতর্কতা : রবি এবং টেলিটক ছাড়া নেটওয়ার্ক পাবেন না বিলাইছড়িতে। ধুপপানি ঝর্ণা ওখানকার মানুষের পবিত্র স্থান। একজন বৌদ্ধ সাধক ঝর্ণার উপরের গুহাতে সপ্তাহে ৬ দিন ধ্যান করেন। ৬ দিন না খেয়ে থাকেন এবং রবিবার খাওয়ার জন্যে পাড়াতে আসেন। ওখানে গিয়ে এমন কিছু করা উচিত না যেটা তাদের পবিত্রতা ক্ষুন্ন করবে। আর ময়লা যত্রতত্র ফেলবেন না।  

দেশ কিংবা বিদেশ, পর্যটন কিংবা অবকাশ, আকাশ কিংবা জল, পাহাড় কিংবা সমতল ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা অথবা পরিকল্পনা আমাদের জানাতে ইমেইল করুন- [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড