• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

কুহুর কারুকলা

  কাসপিয়া ইমতিয়াজ দৃষ্টি

২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২৩:০১
কারুকলা
দেবী দূর্গার অবয়ব (ছবি : সংগৃহীত)

খোদাই করে কিছু তৈরি করতে ভালো লাগতো মেয়েটির। নাম তার কুহু। কাঠ বা অন্যান্য মাধ্যম তেমন সহজলভ্য নয় তাই সাবানে খোদাই করে দেখার ভূত চাপে এই মেয়েটির মাথায়। সাবান থেকে ছোট ভাস্কর্য বানাতে গিয়ে এই কাজ ভালো লেগে যায় আর সেখান থেকেই এর পেছনে লেগে থাকা। ইদানিং কিছু ভাস্কর্য মাটি আর কাগজের মণ্ড দিয়েও বানাচ্ছে সে। “কুহুর কারুকলা” নামের ফেসবুক পেজ ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সে তার তৈরি করা শিল্প প্রদর্শন করে থাকে। 

বলছিলাম ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী কুহুর কথা। সাবান দিয়ে যেকোনো কিছুই বানানো এখন তার নেশা। তবে, গভীর ভাবপ্রবণ অনুভূতি বা চিন্তাকে তুলে আনার চেষ্টাই এই কাজের মূল বিষয়বস্তু। 

মানব শিশুর ভ্রূণের অবয়ব (ছবি : সংগৃহীত)

তার শিল্পের এই পথ বেছে নেয়ার কারণ এবং উৎসাহের কথা জানতে চাইলে কুহু বলেন, 'আমি মনে করি, ভাস্কর্য শিল্প প্রাচীনতম ‘অর্গানিক’ শিল্প, যাতে খুব বেশি একটা সরঞ্জামের প্রয়োজন পড়ে না। হাতই অস্ত্র। খোদাই করার শিল্প আরেকটু উন্নত ধরণের ভাস্কর্য শিল্প, তবে অত্যন্ত নাজুক এবং নিখুঁত।' 

মনের ভাবনা ও শিল্পবোধের সমন্বয়ে কুহু নির্মাণ করেন একেকটি নান্দনিক শিল্পকর্ম, যা দেখে বিস্মিত সবাই। আকৃতি থেকে প্রকৃতি— প্রতিটি অংশে থাকে শৈল্পিক ছোঁয়া, প্রতিটি গাঁথুনিতে থাকে মেধাবী চিন্তার জোগান। তবে এসব শিল্পকর্ম শুধু আনন্দ বা বিস্মিত হওয়ার জন্য নয়, এর পেছনে থাকে একটি গল্প, বার্তা; যা সমাজের নানা প্রেক্ষাপট থেকেই সৃষ্টি। একজন ভাস্কর সমাজের হাসি-কান্না, দুঃখ-উচ্ছ্বাস সবকিছুই মেলে ধরেন তার কাজে। রেনেসাঁ পর্ব, বারোক পর্ব এবং সর্বকালের সকল স্কাল্পচার আর্টিস্ট কুহুর গুরু, যাদের অভিজ্ঞতালব্ধ নৈপুণ্য কুহুর অনুপ্রেরণার উৎস।

  

ফলের ঝুড়ি (ছবি : সংগৃহীত)

কোনো চিন্তা বা অনুভূতির সঙ্গে একাত্মতার ফলেই একটি শিল্পকর্ম তৈরি করেন কুহু। অতএব, কুহুর শিল্পী সত্তাকে যা উত্তেজিত করবে না, তেমন কিছু করতে পারবেন না আর তা কুহুর কাছে প্রাণহীন আর যান্ত্রিক মনে হয়। তবে কুহুর চিন্তাধারার সঙ্গে কারোটা মিলে গেলে তাদের কাজ অনায়াসে করতে পারেন। শুধু খ্যাতির জন্য অন-অরিজিনাল ও গতানুগতিক কাজ করা কুহুর কাছে নিরর্থক।

ওডি/এমএ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড