• শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ত্রিশের পরও নারী থাকুক একদম ফিট!

  লাইফস্টাইল ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ১২:৫৯
নারী
ছবি : প্রতীকী

পরিবারের সব সদস্যের খেয়াল রাখলেও নিজের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন বেশিরভাগ নারীরা। ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোও তাই এড়িয়ে চলেন। কিন্তু বয়স ৩০ পার হয়ে যাওয়ার পর শারীরিক সমস্যাগুলো জটিল আকার ধারণ করে। 

আপনি কি একজন ত্রিশোর্ধ্ব নারী? নিজেকে ফিট রাখার ইচ্ছে আপনার মধ্যে রয়েছে? তবে আপনার জন্যই এই লেখা- 

বয়স ত্রিশ পার হওয়ার পরেই নারীদের হাড়জনিত স্বাস্থ্যসমস্যা প্রকটভাবে দেখা যায়। তাই এ সময় বেশি বেশি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এই বয়সে দেহে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দেয়। তাই গায়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ রোদ লাগাতে হবে। এতে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর হবে এবং হাড় ভালো থাকবে। দই, দুধ, পনির, ব্রকলি, বাদাম ইত্যাদি খেলে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন মেটে। 

বাজারে বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। আপনি সেগুলো নিতে পারেন কি না কিংবা কোন কোন ভ্যাকসিন আপনার জন্য জরুরি তা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বেশিরভাগ নারীই বয়স ৩০ পেরুনোর পর ক্যালসিয়ামের ঘাটতি ও অ্যানিমিয়া সমস্যায় ভোগেন। এই দুটো বিষয়কে অবহেলা না করে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন। 

ত্রিশের পর নারীদের দেহে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে শুরু করে। যার প্রভাবে হরমোনাল ফাংশনগুলো ঠিকমতো কাজ করে না। আর এই কারণেই নানাবিধ রোগের সূচনা হয়। রোগ থেকে দূরে থাকতে নিয়মিত অশ্বগন্ধা ও তুলসির মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো গ্রহণ করুন। এই উপাদানগুলো হরমোনের ক্ষরণ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। 

নারীরা খাবার গ্রহণের ব্যাপারেও উদাসীন থাকেন। কিন্তু বয়স ৩০ পার করার পর সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে আপনার জন্য উপযুক্ত একটি ডায়েট চার্ট করিয়ে নিন। সেই সঙ্গে প্রতিদিন অল্পকিছু সময়ের জন্য হলেও শরীরচর্চা করুন। 

ত্রিশের পর নারীদের শারীরিক ক্ষমতা কমতে শুরু করে। আর তাই স্বাভাবিকভাবেই শারীরিক ক্লান্তির পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে রাখুন মাংস, ডিম, নানারকম বীজ, বাদামের মতো খাবারগুলো। এতে দেহের আয়রনের পরিমাণ ঠিক থাকবে আর আপনিও পাবেন কাজ করার শক্তি। 

কিছু রোগ রয়েছে যা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের কাবু করে। এই যেমন- পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোম, ব্রেস্ট ক্যানসার, ওভারিয়ান ক্যানসার ইত্যাদি। এই রোগগুলোর সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজনীয় টেস্ট করিয়ে নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। নিয়মিত চেকআপ করালে অনেক কঠিন রোগকেও প্রথম স্টেজেই আটকানো সম্ভব হয়। 

সবশেষে আসে স্ট্রেস। এই একটি বিষয় একজন মানুষকে মানসিকভাবে শেষ করে দেয়। বিশেষ করে নারীদের জীবনে স্ট্রেসের প্রভাব পরে মারাত্মকভাবে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে জীবন থেকে স্ট্রেসকে বিদায় দিন। জীবনে খারাপ সময় আসতেই পারে। ধৈর্য ধরে সেই পরিস্থিতিগুলো সামলান। 

ওডি/এনএম 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড