এই শীতে যেসব কাজে ব্যবহার করবেন ঘি

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৪:৩৮

 অধিকার ডেস্ক   

পোলাও কিংবা বিরিয়ানিতে একটুখানি ঘি ছড়িয়ে দিলে স্বাদে যুক্ত হয় অন্যরকম মাত্রা। বিশেষজ্ঞদের মতে ঘি খাওয়ার উপযুক্ত সময় হলো শীতকাল। এ সময় এটি সহজে হজম হয় ও দেহকে উষ্ণ রাখে। ঘি তে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এটি পেশি সুগঠনে সাহায্য করে। এছাড়াও শীতে ত্বককে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে ঘি।

জানেন কী ত্বকের জন্যও বেশ উপকারি একটি উপাদান ঘি? বিশেষ করে পুরোনো ঘি ত্বকের যত্নে দারুণ কাজ করে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রূপচর্চায় কীভাবে ঘি ব্যবহার করবেন এবং কেন করবেন? 

ত্বকের শুষ্কতা কমাতে- 

যারা শুষ্ক ত্বকের অধিকারী তাদের জন্য ঘি দারুণ কার্যকর। কয়েক ফোঁটা ঘি ত্বকে ম্যাসাজ করুন। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করলে ত্বকের ওপর একধরনের সুরক্ষা আবরণ তৈরি করবে, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাবে। ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ই ও কে সরবরাহ করে ঘি। যার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল।

বলিরেখা দূর করতে- 

তারুণ্য ধরে রাখতে পারে ঘি। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন ই যা বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে। নিয়মিত ঘি খেলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে নিয়মিত অল্প পরিমাণ ঘি খান। 

গোসলের তেল-

গোসলের আগে তেল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ঘি। পাঁচ চামচ ঘি এর সঙ্গে যোগ করুন ১০ ফোঁটা অ্যাসেনশিয়াল অয়েল। এই তেল মাখলে ত্বক হবে সতেজ ও নরম। সে সঙ্গে দূর হবে ত্বকের রুক্ষতা। 

আরও পড়ুন : শীতের সময় ত্বকের সুস্থতায় কিছু টিপস

চোখের ক্লান্তি দূর করতে- 

সার দিনের ব্যস্ততার ফলে ক্লান্ত হয়ে যায় চোখ। চোখের ক্লান্তি দূর করতে কয়েক ফোঁটা ঘি লাগিয়ে নিন চোখের চারপাশে। এতে চোখ হয়ে উঠবে সতেজ আর প্রাণবন্ত। সে সঙ্গে কেটে যাবে চোখের ক্লান্তিভাব। 

ঠোঁট সতেজ করতে- 

ঘি কে প্রাকৃতিক তেল বলা হয়। তাই ঠোঁট নরম ও চকচকে করতে ঘি ব্যবহার করুন। লিপবামের চেয়েও বেশি কার্যকর এটি। কয়েকবার ব্যবহারের পরই দেখবেন, ঠোঁটের ফাটাভাব দূর হয়ে ঠোঁট হয়ে উঠেছে গোলাপি। 

এবার থেকে তবে রূপচর্চায় ঘি ব্যবহার করুন।