• বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন

ঘরে-বাইরে সুন্দর সম্পর্ক গড়তে করণীয়

  অধিকার ডেস্ক ০৬ নভেম্বর ২০১৮, ১০:৪০

বন্ধুত্বতা
ঘরে-বাইরে সর্ম্পকের উন্নতি (ছবি: সংগৃহীত)

পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকে  আজ অবধি মানুষ সমাজে বসবাস করে। পরিবার ও সমাজের মধ্যে দিয়ে বেড়ে ওঠে। পরিবার একটি মানুষের প্রাথমিক শিক্ষাঙ্গন বলা হয়  এবং পরিবশের আওতাভুক্ত সমাজকে দ্বিতীয় শিক্ষাঙ্গন মানা হয় ।  
এই সমাজে জীবনধারণের জন্য একাত্বতা বজায়ে রাখতে হয়।  আর তার জন্য গড়ে তুলতে হয় বন্ধুত্বর্পূণ সম্পর্ক।  এই বন্ধুত্বতার  উন্নতি বাড়াতে কিছু  নিয়ম মানলেই  বাড়াতে পারবেন সৌহার্দ্য।  

ঘরে-বাইরে সবখানে সবার সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে কিছু পরামর্শ জেনে নিন- 

১. যার সঙ্গে কথা বলছেন তার প্রতি অঙ্গভঙ্গিতে সহজ থাকুন। আপনার মুখে, চোখে, কণ্ঠে এবং হৃদয়ে হাসি ধরে রাখুন।  মানুষের চোখে উদারতা, অন্তরঙ্গতা এবং বন্ধুসুলভ দৃষ্টি নিয়ে সরাসরি তাকান।মানুষের নাম ধরে ডাকুন। মানুষের নাম ধরে ডাকার অর্থ তাকে সম্মান দেওয়া এবং তার প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো। যখন কেউ আপনাকে উদ্দেশ্য করে কথা বলছেন তখন তা মনযোগ দিয়ে শুনুন।

২. কথা রাখুন। নিজের কথা এবং কাজের মিল রাখুন। বন্ধুত্বপূর্ণ কণ্ঠে নরম সুরে কথা বলুন।  কারও বদান্যতায় এবং উপকারীতায় তৃপ্তি প্রকাশ করুন এবং কৃতজ্ঞতাবোধ দেখান।  যে কোনো মানুষের সঙ্গে চলতে তাদের সময়ের সদ্ব্যবহারের জন্য সাহায্য করুন। মানুষের আবেগকে সম্মান করুন। তাদের আবেগ বোঝার চেষ্টা করুন এবং সঙ্গ দিন।

৩. বিনয়ী থাকুন, অন্যের প্রতি বিনয় প্রকাশ করুন। ব্যবহারে ভালো থাকুন, আচরণে সতর্ক এবং সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন।  নিজের টানাপড়েন থেকে বেরিয়ে এসে অন্যের সমস্যা মেটাতে এগিয়ে যান।  সত্যিকার মন্তব্য করুন। কারও ভালো কাজে যথাযোগ্য মর্যাদা দিন।  সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করুন। তাকে মুখে বা ই-মেইলের মাধ্যমেই হোক, তার কাজের স্বীকৃতি দিন।

৪. দয়াশীল হোন। এটি সবচেয়ে ভালো গুণ।  সমবেদনা জানান। অন্যের সমবেদনার প্রতিও সমবেদনা দেখান।  ধৈর্য্যশীল হোন। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ধৈর্য্যের চর্চা করুন।  আত্মসচেতনতা বাড়ান। আপনার কোনো কথা অন্যের কাছে কীভাবে যেতে পারে তা সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

৫. সত্যবাদী হোন। সত্য কথার বিভিন্ন স্তর রয়েছে। কিছু সময় কিছু স্তর প্রচণ্ড আঘাত করতে পারে। তাই সেসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।  বিশ্বস্ত হোন। নিজের দায়িত্বশীলতা এবং প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যান।  ক্ষমাশীল হোন। কেউ নিখুঁত নয়। তাই মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল হোন।  ক্ষমা চান। যে কোনো ভুলে ক্ষমা চাওয়াটা মহানুভবতার লক্ষণ।

৬. দায়িত্ব নিন। আত্মরক্ষা ভালো। কিন্তু এর কারণে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া দায়িত্বহীনতার লক্ষণ।  ভালোবাসা প্রকাশ করুন। মানুষের প্রতি ভালোবাসা গোপন রাখবেন না। তবে আপনিও ভালোবাসা পাবেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড