• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ঘাড়, কোমর ও পিঠের ব্যথা দূর করার উপায়

  লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২০, ২০:২১
ব্যথা
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে ঘাড়, কোমর ও পিঠের ব্যথায় ভোগেন বেশিরভাগ মানুষই। কাজের ধরণের জন্য অনেককেই এসব সমস্যায় পড়তে হয়। একটানা বসে থাকা, ভারী ব্যাগ বহনের কারণে এসব শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে সমস্যা যতই হোক, হুট করে কাজ পাল্টানো সম্ভব নয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে ঘাড়, কোমর ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু উপায় জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজের চাপে বাড়তে থাকা ঘাড়, কোমর ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে জীবনযাত্রায় কতগুলো পরিবর্তন আনা জরুরি।

চলুন জেনে নিই কাজের চাপ সামলে ঘাড়, কোমর ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় :

১. যদি দীর্ঘক্ষণ আপনাকে অফিসে বসে কাজ করতে হয় তাহলে কিছুক্ষণের জন্য মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নিন, হাঁটাচলা করুন। চিকিৎসকেরা বলেন, দুই ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এছাড়া শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যায়। চার ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শুধু ঘাড়ে, কোমরে বা পিঠের ব্যথাই বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও।

২. অনেকে ভুল ভঙ্গিমায় বসেন বা দাঁড়ান। আর এ কারণে ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়। কাজেই বসা, দাঁড়ানো বা শোয়ার সময় ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখুন।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বেরোনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিই। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুই কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবে নিতে হবে, যাতে দুই কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

৪. শোয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়-পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোয়া যায়। এসব সাধারণ কিছু উপায় মেনে চললে ঘাড়-পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

৫. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি হলেই বিপদ। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনো চোট বা আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেসের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভালো।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড