• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ–প্রেস সচিবের স্ট্যাটাস

  অধিকার ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:১৭
খোকন
(ছবি : ফেসবুক)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপ–প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দুর্নীতি নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ স্ট্যাটাসটি দেন তিনি।   

প্রধানমন্ত্রীর উপ–প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের স্ট্যাটাসটি অধিকার নিউজের পাঠকদের উদ্দেশে হুবহু তুলে ধরা হলো-

খোকন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কমবেশি দুর্নীতি সব দেশেই আছে। দুর্নীতির প্রতিকার হয় কিনা সেটাই মুখ্য বিষয়। কিছু দুর্নীতি তৃণমূল লেভেলে হয়, কিছু দুর্নীতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহলে হয়। আমাদের দেশেও সিমেন্স কেলেঙ্কারি, নাইকো কেলেঙ্কারির বিষয়টি প্রমাণিত এবং সবার জানা । ইদানিং শুনছি বালিশ এবং হাসপাতালের পর্দা কেলেঙ্কারির কথা।

তবে দুর্নীতির এই বিষয়গুলোর মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। যেমন সিমেন্স কেলেঙ্কারিতে তারেক রহমান- কোকো রহমানদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সিঙ্গাপুর- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে ইতিমধ্যে প্রমাণিত। দুর্নীতি প্রমান করতে এফবিআইকেও সম্পৃক্ত হতে হয়েছিল। নাইকোর কেলেঙ্কারিতে বেগম জিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করেছে কানাডার আদালত। সেখানে আপিল করেও তারা হেরেছেন।

আর বালিশ কিংবা পর্দা কেলেঙ্কারির বিষয়টি সংগঠিত হবার অপচেষ্টা হয়েছে নিচের দিকে অর্থাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তা লেভেলে। যখন শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী ও সচিবদের কাছে বিষয়টি ধরা খেয়েছে তখনই তারা আটকে দিয়েছেন। তারা দুর্নীতি সংঘঠিত হতে দেননি। তারা চেয়েছেন বলেই জাতি এটা জানতে পেরেছেন। মন্ত্রী-সচিবরা দুর্নীতিবাজ হলেই ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে চুপ থাকতে পারতেন।

যদি মন্ত্রী- সচিবরা না চাইতেন তাহলে দেশবাসী তা জানতেও পারতো না, সিমেন্স- নাইকো কেলেঙ্কারির মতো বিদেশের আদালতে গিয়ে দুর্নীতি খুঁজতে হতো। আর এখন দেশের মাটিতেই তা ধরা পরছে।

দুর্নীতিবাজদের ধরা পরার বিষয়টিই প্রমান করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের যে জিরো টলারেন্স অবস্থান নিয়েছে।’

ওডি/টিএএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড