• বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

শীতার্তদের মাঝে উষ্ণতা ছড়ালো হ্যালো পার্বতীপুর

  আসমাউল মুত্তাকীন

০৮ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০৩
হ্যালো পার্বতীপুর
শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ (ছবি : সংগৃহীত)

১ জানুয়ারি। ঘড়ির কাঁটা ঠিক রাত দশটার আশ-পাশ। কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারদিক। কনকনে ঠাণ্ডা। পার্বতীপুরের গণকবরের ছোট্ট একটি বস্তি। শীত নিবারণের জন্য যে যার মতো করে চেষ্টা করছে। কেউ আগুন জ্বেলেছে, কেউ গুটিকয়েক ছেড়া কাপড়ে গুটিয়ে নিয়েছে নিজেকে। কেউ আবার কাপড়ের জন্য তাকিয়ে আছে। 

বস্তির পাশে কোনো এক কোণে ছেঁড়া এক পাতলা চাদরে গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছেন এক জীর্ণশীর্ণ বৃদ্ধা। শীতের তীব্রতায় কাঁপছিলেন তিনি। হঠাৎ উষ্ণতার ছোঁয়া। বৃদ্ধা চমকে উঠলেন। চোখ কচলিয়ে তাকিয়ে দেখেন একদল তরুণ। তারাই গায়ে জড়িয়ে দিয়েছেন কম্বল। কৃতজ্ঞতায় বৃদ্ধার চোখ বেয়ে নেমে আসে পানি। হাত তুলে দোয়া করেন সেই তরুণদের।

এ ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হ্যালো-পার্বতীপুরের সদস্য ইমু। মধ্যরাতে অসহায় অনেক মানুষকেই আচমকা এমন আনন্দে ভাসিয়েছেন তারা।

সবাই যখন ইংরেজি নববর্ষ বরণে ব্যস্ত, তখন তারা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শীতার্ত মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।  সামর্থ্য অনুযায়ী বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত। অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে নিরন্তর ছুটে চলেছেন তাঁরা।

হ্যালো পার্বতীপুর টিমের সদস্য সিরাজুল ইসলাম ইমু মনে করেন, ‘আমরা হ্যালো পার্বতীপুর একটি পরিবারের মতো। আর এখানের মানুষদের আমরা নিজের পরিবারের মতো ভালোবাসি। তাই আমরা বরাবরই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ও যথাসাধ্য তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অসহায় মানুষগুলোর পাশে আমাদেরকেই দাঁড়াতে হবে। আমরা এগিয়ে এলে অন্যরাও আসবে।’ 

গত ১ জানুয়ারি এই সংগঠনের পক্ষ থেকে ১০০ অসহায় মানুষর হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। এই শীতবস্ত্র বিতরণের সামগ্রিক অর্থায়ন হয় ফেসবুক ইভেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিজস্ব উদ্যোগে।

ওডি/এমএ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড