• মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

সৌদিতে যুবরাজ-ব্যবসায়ীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের মিশন শুরু

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:২৩
সৌদি যুবরাজ
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। (ছবিসূত্র : লস এঞ্জেলেস টাইমস)

মধ্যপ্রাচ্যের কট্টর রক্ষণশীল দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবের বেশ কয়েকজন যুবরাজ এবং ব্যবসায়ীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ‘অ্যান ওল্ড ডিপ্লোমেট’ নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বেশকিছু নথি প্রকাশের মাধ্যমে গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ভেরিফায়েড সেই টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত নথিতে দাবি করা হয়, সৌদির বেশ কয়েকজন যুবরাজ এবং কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ীর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদিতে ব্যবসায়ী এবং যুবরাজদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে এক বড় ধরনের অভিযান পরিচালনার পর এটা দেশটিতে হওয়া দ্বিতীয় অভিযান বলে দাবি করা হচ্ছে। সে সময় সৌদির বেশ কয়েকজন ক্ষমতাসীন যুবরাজকে রিটজ শার্লটন হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

‘অ্যান ওল্ড ডিপ্লোমেট’ নামে সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে বলা হয়, যুবরাজ শেখ আজলান আল-আজলানের রাজধানী রিয়াদের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত বিশাল অঞ্চলজুড়ে থাকা জমি এরই মধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। কেননা জমিগুলো ইতোমধ্যে বিক্রির পাঁয়তারা চালাচ্ছিলেন যুবরাজ শেখ আজলান আল আজলান। যে কারণে প্রথমে তাকে সেই সম্পদ বিক্রিতে বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীকালে তা পুরোপুরি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

এ দিকে অপর এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, এবার যুবরাজ হামাদ বিন সাইদানের সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে রিয়াদ আল মুস্তাকবাল রিয়েল ইস্টেট, আবদুল রাহমান আল শেখ এবং মোহাম্মদ আল আইদানের সম্পদও বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছে সৌদি প্রশাসন।

তাছাড়া ইব্রাহিম বিন সাইদান, ইব্রাহিম আল হারাবি, ইউনুস মোহাম্মদ আল আওয়াদ এবং ওলায়া রিয়েল ইস্টেট কোম্পানি নামের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদও এরই মধ্যে বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অপর দিকে সৌদি বাদশাহ সালমান আবদুল আজিজের ভাই প্রিন্স বদর বিন আবদুল আজিজের সম্পদও খুব শিগগিরই বাজেয়াপ্ত করা হবে। এরপর সেই তালিকায় যথাক্রমে প্রিন্স মুসা, আদিল আল মুসা এবং সালেহ সুকাইরের নামও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন :- ইয়েমেনে আগ্রাসন বন্ধ হলেই সৌদির সঙ্গে আলোচনা, দাবি ইরানের

এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে এমবিএস খ্যাত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দেশটির অন্যান্য সব যুবরাজ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু হয়। যার প্রেক্ষিতে তখন বেশ কিছু যুবরাজের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে সাজা স্বরূপ তাদের দীর্ঘদিন সৌদির বিখ্যাত রিটজ শার্লটন হোটেলে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছিল। এদের মধ্যে অনেকেই নাকি এখনো মুক্তি পাননি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড