• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন

জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন আনে যেসব দেশ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ আগস্ট ২০১৯, ২১:৪৭
পতাকা হাতে
দেশের পতাকা হাতে দক্ষিণ আফ্রিকান তরুণী (ছবি- রয়টার্স)

সাম্প্রতিক সময় ও কালের আবর্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পরিবর্তন এনেছে তাদের জাতীয় সংগীতে। বৈষম্য ও সময়ের দাবিসহ বিভিন্ন কারণে অনেক দেশ তাদের জাতীয় সংগীতের কিছু শব্দ কিংবা বাক্য পরিবর্তন আনে। তবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ইতিহাস বিরল। আসুন দেখে নেই যেসব দেশের জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এসেছে তাদের কিছু খন্ড চিত্র-

ক্যানাডা : 
সাপ্রতিক সময়ে জাতীয় সংগীতে একটি লাইন পরিবর্তন করেছে কানাডা। সংগীতের দুই নম্বর লাইনে ‘তোমার সব ছেলেরা’ এর জায়গায় ‘আমরা সবাই’ লেখা হয়েছে। লিঙ্গ নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের চিন্তা থেকেই জাতীয় সংগীতে এ পরিবর্তন করেছে উত্তর অ্যামেরিকার দেশটি। 

রাশিয়া :
রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০০০ সালে মসনদে বসেই ৯০ এর দশকে চলা জাতীয় সংগীত ফিরিয়ে এনেছেন। জাতীয় সংগীতের কথায় কিছুটা পরিবর্তন আনেনে তিনি। 

জার্মানি :
সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির জাতীয় সংগীতের একটি শব্দ পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অতি-সম্প্রতি দেশটির সমতা বিষয়ক কমিশনার ক্রিস্টিন রোজে-ম্যোরিং এ বিষয়ে একটি প্রস্তব তুলে ধরেন। সেখানে বলা হয়- গানের একটি অংশে ‘ফাটারলান্ড’ অর্থাৎ ‘পিতৃভূমি’ বলা হয়েছে, সেখানে ‘হাইমাট’ অর্থাৎ ‘জন্মভূমি’ বলার প্রস্তাব। এমন প্রস্তাবে দেশটির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলেরও সম্মতি রয়েছে বলা জানা যায়। 

অস্ট্রিয়া :
সাত বছর আগে অস্ট্রিয়ার জাতীয় সংগীতে একটি শব্দে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০১২ দেশটির জাতীয় সংগীতে ‘ছেলেরা’ শব্দের জায়গায় ‘মেয়ে ও ছেলেরা’ লেখা হয়। 

দক্ষিণ আফ্রিকা : 
নেলসন ম্যান্ডেলার দেশে পরিবর্তন আসে জাতীয় সংগীতে। ১৯৯৭ সালে দেশটি আগের দুটি জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নতুন জাতীয় সংগীত রচনা করা হয়। গানটি আফ্রিকান্স এবং ইংরেজি ভাষায় রচনা করা হয়।

আফগানিস্তান : 
এক সময় আফগানিস্তান ছিল তালেবানের তীর্থ ক্ষেত্র। ওই জঙ্গি সংগঠনের শাসনামলে দেশতিতে কোনো জাতীয় সংগীতই ছিল না। পরে তালেবানের পতনে ২০০২ সালে দেশটিতে পুরনো জাতীয় সংগীত ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২০০৬ সালে আরও কিছু পরিবর্তন করে নতুনভাবে জাতীয় সংগীত রচনা করা হয়। 

রুয়ান্ডা : 
১৯৯৪ সালে একশ দিনের ব্যবধানে রুয়ান্ডাতে পাঁচ থেকে ১০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়। সেই গণহত্যার কালিমা মুছতে ২০০১ সালে নতুন জাতীয় সংগীত বেছে নেয় দেশটি৷

নেপাল :
রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হওয়ার পর ২০০৮ সালে নেপালের জাতীয় সংগীতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয় ৬০ এর দশকে গ্রহণ করা সেই সঙ্গীতে রাজতন্ত্রের প্রশংসা ছিল। যে কারণে আনা হয় পরিবর্তন।

ওডি/এসএ 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড