• মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

তেলের ট্যাংকারে হামলায় 'প্রায় নিশ্চিতভাবে' ইরানই জড়িত : বোল্টন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৯ মে ২০১৯, ১৭:১৩
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্ব
ছবি : এএফপি

চলতি মাসের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত তেলের জাহাজগুলিতে হামলার পেছনে 'প্রায় নিশ্চিতভাবেই' ইরান ছিল। বুধবার (২৯ মে) সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন বোল্টন এই কথা জানান। 

বোল্টন বলেন, 'দুইটি সৌদি ট্যাঙ্কারসহ মোট চারটি জাহাজে 'অবশ্যই ইরানের নৌবাহিনীগুলি' হামলা চালিয়েছিল। পাঁচ রাষ্ট্রের কমিটির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা ১২ই মে'র হামলার তদন্ত করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইয়ার ওমান সাগরে থাকা চারটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই হামলায়।

বোল্টন বলেন, 'এই হামলায় কারা দায়ী সে সম্পর্কে ওয়াশিংটনে কারও মনে কোন সন্দেহ নেই। আর কে এই হামলা করেছে বলে আপনি মনে করছেন? নেপাল থেকে কেউ করেছে?'

'আমি আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিপক্ষ শেখ তাহনউন বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ও আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করতাম' বলে জানান বোল্টন। তিনি বলেন, 'আমরা এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন এবং যতটুকু সম্ভব ততটুকু সতর্ক আছি। আমরা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি এবং এই অঞ্চলে আমাদের সহকর্মীদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।'

তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার ৫০০ সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। জাহাজগুলোলিতে 'বিপজ্জনক ও দুঃখজনক' হামলার নিন্দা জানিয়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যাহত করার জন্য বিদেশী খেলোয়াড়দের 'দুঃসাহসিকতা' সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে তেহরান।

ফুজাইরা, যেখানে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল তা ওমান সমুদ্রের একটি প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল। ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের জন্য  কৌশলগতভাবে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের প্রয়োজন হয়। যা ইরান বারংবার বন্ধ করার হুমকি দিচ্ছে। 

বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ইরান ও ওমানের মধ্যে সংকীর্ণ এই প্রণালী দিয়েই পার হয়। পারস্য উপসাগরে ঢুকতে এবং এর থেকে বের হতে এটাই একমাত্র শিপিং লেন।

তেলের জাহাজে হামলার দুই দিন পর, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের দুটি কৌশলগত তেলের পাইপলাইনে ড্রোন হামলা চালায়। রিয়াদ ও আবুধাবি এই অঞ্চলে তেহরানের প্রতিনিধি হিসেবে হুথিদের অভিযুক্ত করে আসছে। 

হুথিরা সৌদির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে হামলা চালালে তা দুই দিন ধরে বন্ধ থাকে। সৌদির পারস্য উপসাগরীয় উপকূলীয় তেলের ক্ষেত্রে থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পাইপলাইন থেকে লোহিত সাগরে সরবারহ করা হয়। 'এএফপি'

ওডি/এসএমএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড