• রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

সফল উগ্রজাতীয়তাবাদ,ব্যর্থ উদারতাবাদ

কী কী কৌশলে ফের ক্ষমতায় ভারতের ট্রাম্প?

বিশ্ব দরবারে ভারতীয়দের স্বার্থ হাসিলে মোদী অতুলনীয়!

  এস এম সোহাগ ২২ মে ২০১৯, ১৭:২৬

ভারতের লোকসভা নির্বাচন
বিশ্ব ক্রমেই আধিপত্যবাদী স্বৈরতান্ত্রিক পপুলিস্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোচ্ছে, মোদীর জয়ের মাধ্যমে যা ফের প্রমাণ হতে চলেছে। ছবি : সম্পাদিত

হাঙ্গেরিতে অভিবাসীদের শত্রু বানিয়ে ক্ষমতা বিস্তার সুরক্ষিত করেছে ভিক্টর ওরবান, শত্রুমুক্ত হয়ে ফের তুরস্কের ক্ষমতায় এরদোয়ান, কঠোর কার্বন নির্গমনের নিয়মগুলি উড়িয়ে দেয়া অস্ট্রেলিয়ানরা অপ্রত্যাশিতভাবে স্কট মরিসনকেই ক্ষমতায় রেখেছে। বিশ্বের বৃহত্তম সংসদীয় নির্বাচনে ৯০ কোটি ভোটার হ্যা-না এর পরিস্থির মধ্যেই আবারও জনবহুল এবং ডান পক্ষপাতী মোদীকেই ক্ষমতায় আনছে, এমনই আঁচ করা যাচ্ছে দেশটির ভোট পরবর্তী বিভিন্ন জরিপের ফলে। 

বিশ্ব এক অস্থিতিশীল সংস্কৃতির মধ্যে আবর্তিত হচ্ছে ক্রমেই, মানুষের কাছে সহনশীল, বহু-সংস্কৃতিমনা, বহু-ধর্মাবলম্বীদের সহাবস্থানমূলক বৈষম্যহীন সমাজের আবেদন যেন হারিয়েই যাচ্ছে। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও বেছে নিচ্ছে এমন নেতা যারা কিনা উগ্র জাতীয়বাদ, সাম্প্রদায়িক, জনবহুল এবং ডান পক্ষপাতী রাজনীতিবিদ। এই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের ক্ষমতাসীন নেতা হয়ে উঠেছেন এসকল নেতারা। 

রবিবার (১৯ মে) ভারতের নির্বাচন শেষ হয় এবং এর ফলাফল বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ঘোষণা করা হবে। কালকের ফল শুধু মোদীর ক্ষমতায় টিকে যাওয়ার সিদ্ধান্তই প্রকাশ করবে না, এর মধ্যে নিহিত থাকবে আরও গভীর এক ফল, ভারত ঠিক কোন ধরনের সরকার চাচ্ছে তা ই জানা যাবে এই ফলে। দেশটি কি এমন একটি আধিপত্যবাদী নেতা চায় যা ক্ষমতাকে শক্ত করে হাতের মুঠোয় রাখে? নাকি একটি সুসজ্জিত অথচ আরও বেশি স্বাধীন জোট সরকারেই সুখী হবে?

ছবি : বিবিসি নিউজ

ভারতীয়রা ধর্মভিত্তিক নাকি ধর্মনিরপেক্ষ জাতি হতে যাচ্ছে? নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয়েছিল মূলত এক হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠনের মাধ্যমেই। তার অধীনেই দেশটির সংখ্যালঘু মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছিল। ভারতের সামাজিক কাঠামোকে ঠিক কী অবস্থায় দাঁড় করিয়ে যাবে মোদী, সে ভাবনা অনেক ভারতীয়কেই চিন্তিত করে তুলেছে। 

সমগ্র বিশ্বজুড়ে এই সময়টা হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক বড় মানুষদের। গত কয়েক দশকে ভারতের গড়া সবচেয়ে বড় শক্তি যে মোদী, সে বিষয়ে কারও কোন বিতর্ক করার সুযোগ নেই। মোদী এক দৃঢ়সংকল্প ডানপন্থী নেতা, প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে যার আচরণে রাষ্ট্রপতির ছাপই পাওয়া যায় বেশি। 

বিশাল জনসমাবেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম মোদী, জনগনকে তার প্রতি আকৃষ্ট করতে বেশ সফল কৌশলই অবলম্বন করেন তিনি। গত পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ কোটি টয়লেট নির্মাণের মতো দুর্দান্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। যদিও তিনি লক্ষ লক্ষ নতুন চাকরি তৈরির প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্ব দরবারের ভারতের এক শক্তিশালী ইমেজ তৈরিতে মোদী বেশ কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীনের মতো করে আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে মোদী ভারতকে বিদেশের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে তুলে ধরতে পেরেছেন। 

ছবি : সংগৃহীত

একই সাথে ৬৮ বছর বয়সী মোদীর বিরুদ্ধে নিজের জনগণকে বিভক্ত করার, ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়গুলিকে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন করার এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সরকারের অন্যান্য স্তরগুলিকে মুছে ফেলার ব্যাপক অভিযোগ ও রয়েছে।

অনেক মোদী সমর্থকই তার এই ক্ষমতার ব্যক্তিত্বকে ভালো বিষয় হিসেবেই দেখে থাকেন। বুথ ফেরথ সমীক্ষার ফলাফল যদি বিশ্বাসযোগ্য হয় কিংবা অতীতের জরিপগুলোর ফল যদি টিকেই যায় তাহলে একটা বিষয় নিশ্চিত হওয়া যাবে। মোদীর জয়ে মনে হচ্ছে তিনিও নির্বাচনে জিততে ওরবান বা এরদোয়ানের মতো সফল জনবহুল ও ডানপন্থী রাজনীতিবিদদের রেসিপি অনুস্মরণ করেছেন।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রীয় পরিচালক আশুতোষ ভারশনে বলেন, 'এই নেতারা যা করছেন মোদীও ঠিক তাই করছেন। তিনি সমাধান, পুরুষত্ব, দৃঢ়সংকল্প ও সাহসের প্রজেক্ট দেখিয়েছেন। যারা তাকে ভোট দিচ্ছেন তারা আসলে এক শক্তিশালী জাতীয় নেতার পক্ষেই ভোট দিচ্ছেন। এসব কিছু একই প্রপঞ্চ থেকে উঠে এসেছে। জনপ্রিয় বা পপুলিজমের উত্থান।'

ছবি : নিউ ইয়র্ক টাইমস

বছরের পর বছর ভারত এক ভঙ্গুর, দুর্বল ও জোট সরকার গঠনের মাধ্যমে সংসদে চালিয়েছে যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে বড় বড় উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব হয়নি। বহুদিন ধরেই দেশটি বিশ্বদরবারে নিজেদেরকে তুলে ধরতে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সমর্থকদের দৃষ্টিতে মোদীই দেশটির জন্য গৌরব আনতে এবং নিশ্চিতভাবে কিছু একটা করতে পেরেছেন।

বর্তমানে ভারতীয়রা যদি মোদিকে 'তাদের ট্রাম্প' হিসাবে ব্যাখ্যা করে থাকে তাহলে তা অস্বাভাবিক কিছু হবে না। পৃথিবির বিপরীত পৃষ্ঠের দুই নেতাকে এক মনে করার দুটি কারন থাকতে পারে, শ্রদ্ধায় নয়তো ঘৃণায়। ভারতের এক বিখ্যাত রাজনৈতিক ভাষ্যকার চন্দ্র ভান প্রসাদ বলেন, 'ট্রাম্প ও মোদি জমজ ভাই এর মতো যারা মহাদেশের কারনে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। উভয়ই জ্ঞানের বিরুদ্ধে, তারা অতীতকে সোনালী যুগ হিসেবে বিবেচনা করে, তারা নিজেদেরকে ক্ষমতার কেন্দ্র মনে করে।'

এই জমজের মধ্যে অভিন্নতার কমতি নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মধ্যে যুদ্ধের কৌশল, টুইটারের ব্যবহার এবং জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেয়ায় তাদের প্রতিভা এবং ভয়ের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ায় দুজনের কৌশলে অনেক মিল রয়েছে। ভারতের তরুণ এবং দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার কাছে মোদীর আকাঙ্ক্ষিত বার্তাটি যেন ট্রাম্পের 'মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' এর মতই।

ছবি : বিবিসি নিউজ

ভারতীয় রাজনীতিতে এমন কেউ নেই যে মোদিকে জোরপূর্বক বা তার আবেষ্টনী ভেদ করে তাকে স্পর্শ করতে পারে। ভারতের সর্বত্র মোদীর মুখ সর্বত্র সাদা দাড়ির মোদী। অঙ্গভঙ্গিতে মোদী এক গ্র্যান্ড মাস্টার। প্রচারণা সমাপ্তির পরে নির্বাচনের শেষমুহূর্ত তিনি হিমালয়ের প্রত্যন্ত গুহার এক হিন্দু মন্দিরে একজন চলচ্চিত্র কর্মীর সামনে প্রার্থনা এবং ধ্যান করতে ব্যয় করেছিলেন। পাথরের প্রাচীরের সামনে বসে, স্পষ্ট আনন্দমাখা বন্ধ চোখে ধ্যানরত একটি ভিডিও সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে যায়।

তার ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি তার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে সুসংগঠিত এবং ব্য্যবহুল প্রচারণা যন্ত্র তৈরি করেছে। কিছু ভারতীয় মিডিয়া সাইট অনুমান করেছে যে এই প্রচারণা ব্যয় ৭০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৫০০০ হাজার কোটি। ভারতের অন্যান্য সব বিরোধী দলের সামগ্রিক ব্যয় যুক্ত করে কয়েক গুন করলেও এই পরিমানে ধারেকাছেও পৌঁছাবে না। 

মোদী তার দলের কাছ থেকে আরেকটি সুবিধা ভোগ করেছেন : তার দল একটি গুরুতর স্থল খেলা খেলেছে। বিজেপি হিন্দু ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত, যা এই নির্বাচনের মৌসুমে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। ভারত জুড়ে হিন্দুত্ববাদী স্বেচ্ছাসেবীদের বিশাল দল ঘুরে বেড়িয়েছে এবং ভোটারকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগত অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকগুলিতে গিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত

সাম্প্রতিক রাজ্য নির্বাচনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস পার্টির পক্ষে ভোট দেয়া অনেক ভারতীয় 'নিউ ইয়র্ক টাইমস'কে সাক্ষাত্কার দেয়ার সময় বলেছিলেন, যখন জাতীয় নেতা নির্বাচনের প্রশ্ন আসে তখন আমরা মোদীকেই চাই। কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জসুকুট্টি চেরিয়ান্থারায়িল আব্রাহাম বলেন, 'নির্বাচনে মোদী ফ্যাক্টরকেই এক নম্বর ফ্যাক্টর মনে হয়েছে।'  

এর এক কারণ হলো মোদি যেভাবে ভোটারদের অনুভব করতে বাধ্য করে। তিনি বিশ্বে ভারতে বৃহত্তর ভূমিকা প্রতিষ্ঠায় জোর দিয়েছেন যা দেশের শক্তিশালী জাতীয় ইমেজ তৈরির অনেকের ইচ্ছাকে পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। ভারতের সাবেক এক রাষ্ট্রদূত অজিত কুমার বলেন, 'জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণে মোদি একটুও লজ্জিত নয়।'

ফেব্রুয়ারি মাসে, মোদী প্রায় পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধই করতে গিয়েছিলেন, যে পরিস্থিতি নির্বাচনের একেবারে কাছাকাছি সময়েই এসেছিল। পরের মাসেই তিনি এক মহিমান্বিত ঘোষণা দিয়েছিলেন, অতি স্বল্প কিছু দেশের মতো ভারতে স্থলে থেকে মহাশূন্যের স্যাটেলাইট ধ্বংসের ক্ষমতা অর্জন করেছে। ভারতীয়দের আবেগকে জয় করতে এমন সব সফলতার ঘটনা নির্বাচনের আগেই ঘটিয়েছেন। যার ফলে জনসংখ্যার বিভিন্ন গোষ্ঠীজুড়ে ভোটাররাও সাড়া দিচ্ছে।

ছবি : বিবিসি নিউজ

তাদের মধ্যে একজন, মুম্বাইয়ের মার্কেটিং অধ্যাপক রোহিতা দ্বিবেদি। হীনমন্যতাকেই তিনি যেভাবে ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলির মধ্যে একটি মনে করেছিলেন। মোদির দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ধৃতি দিয়ে এবং দুর্বলদের সহায়তায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোদীর প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি বলেন, 'অবশেষে একজন ভারতীয় হিসেবে আমি সত্যিই গর্বিত।'

রাজনীতিবিদ তাদের সময়ের পণ্য। বিভিন্ন সমাজে বিশ্বায়ন লোকেদের অস্থায়ী করছে। একটি সহজতর এবং আরও মহিমান্বিত অতীতে প্রত্যাবর্তনের জন্য ক্ষুধা তৈরি করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দিকেই লক্ষ্য করুন, মানুষ যা শুনতে চায় তা ফিল্টার করতে সক্ষম হয়েছে। এই ফলাফলকে বিশ্লেষকরা বলছেন, শক্তিশালীদের একটি নতুন প্রজন্ম।

ভোটারদের সাথে সরাসরি কথা বলার ক্ষমতা, প্রেস বা অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী ফিল্টারগুলি যা স্পটলাইট সমস্যার মুখোমুখি হওয়কে উপেক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে তাদের মধ্যেই সাফল্যের অংশ নিহিত। উদাহরণস্বরূপ তুর্কি নেতা এরদোয়ান, যিনি দৈনন্দিন ভিত্তিতে তার বক্তব্যগুলি তৈরি করেছে। এবং তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্প্রচারকারীদের মাধ্যমে এই বার্তাকে মানুষের ঘরে, পথচারী ক্যাফেতে এবং এমনকি ভার্চুয়ালিও পৌঁছে দিয়েছে, মানুষ যা চেয়েও উপেক্ষা করতে পারবেনা। প্রায় ৬ কোটি ভক্ত নিয়ে তিনিই বিশ্বের একমাত্র ক্ষমতাসীন ব্যক্তিত্ব। ঠিক তার পরেই ৪ কোটি ৭০ লাখ ফলোয়ার রয়েছে মোদীর।

ছবি : সংগৃহীত

গণতন্ত্রগুলি টেকনিক্যালি স্বৈরাচারীদের বাইরে রাখার জন্য নির্মিত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারতও সুপ্রিম কোর্ট এবং প্রেস এর মতো তার ঐতিহাসিকভাবে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে সজ্জিত। তবে, মোদীই সীমান্তকে সীমা অতিক্রম করা ভারতের প্রথম নেতা নন। দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং রাহুল গান্ধীর পিতামহ জওহরলাল নেহেরু ব্যক্তিত্বের একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলেন এবং ১৭ বছর ধরে কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বীহীনভাবে দেশটি শাসন করেছেন।

তারপরে ১৯৭০ এর দশকে কংগ্রেস পার্টির প্রধানমন্ত্রী, নেহেরুর কন্যা ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কারাগারে পাঠান এবং গণমাধ্যমকে সেন্সরড করেছিল। মিসেস গান্ধীর স্বৈরাচারী আচরণের ওপর ক্ষুব্ধতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল যারা তাদের সমন্বয়ে ই আজকের বিজেপি গঠিত। 'নিউ ইয়র্ক টাইমস'

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
SELECT id,hl2,parent_cat_id,entry_time,tmp_photo FROM news WHERE ((spc_tags REGEXP '.*"location";s:[0-9]+:"ভারত".*')) AND id<>64868 ORDER BY id DESC LIMIT 0,5

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড