• শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন

পাক-ভারতে পরিস্থিতি ভয়ংকর, মধ্যস্থতার প্রস্তাব জাতিসংঘ মহাসচিবের

  অধিকার ডেস্ক    ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৫২

কাশ্মির
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরাস (ডানে), জাতিসংঘের পাকিস্তানি দূত মালিহা লোধি (বামে)। ছবি : সংগৃহীত

ভারত শাসিত কাশ্মিরে কয়েক দশকের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনার পর ভারত ও পাকিস্তানকে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নির্মুল করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান  জাতিসংঘ প্রধান। 'আল-জাজিরা'

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরাস মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশি দু-দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনে মধ্যস্ততাকারীর দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় শাসিত কাশ্মিরে আত্মঘাতী হামলার পর দেশ দুইটি কূটনৈতিক সংঘর্ষের মধ্যে আটকে রয়েছে। এই হামলায় ভারতের ৪২ জন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত হয়।

পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জৈশ-ই-মোহাম্মাদ (জেইএম) এই ভয়াবহ দায় স্বীকার করে, এরপরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পুলওয়ামা জেলায় মারাত্মক হামলার পেছনের ব্যক্তিদের শাস্তি দেয়ার জন্য সেনাবাহিনীকে 'পূর্ণ স্বাধীনতা' দেয়ার ঘোষণা দেন। 

পুলওয়ামার আক্রমণের পরদিনই এক বন্দুকযুদ্ধে ৪ ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ মোট ৯ ব্যক্তি নিহত হয়। ভারত দাবি করেছে যে, হামলায় ৩ সন্দেহভাজন জঙ্গিও মারা গেছেন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক মঙ্গলবার বলেছেন, 'দু'দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জনাব গুতেরাস "উভয় পক্ষের সর্বোচ্চ সংযমের গুরুত্বকে অনুশীলন" এবং তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য "দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা' করতে মধ্যস্থতা করার ওপরেও জোর দেয়ার আহ্বান জানান।'

জাতিসংঘের পাকিস্তানি দূত মালিহা লোধি বলেন, 'পাকিস্তানের ও ভারতের মধ্যকার অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। আমরা ভারতের পক্ষ থেকে বর্ণবাদী আচরণের তীব্রতা দেখতে পাচ্ছি, ভারতীয় নেতাদের আক্রমণাত্মক বিবৃতিতে পরিস্থিতি হুমকির মুখে পড়েছে ... পরিস্থিতি খুবই ভয়ানক।'

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড