• রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন

পাকিস্তানিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজস্থান ত্যাগের নির্দেশ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩৮

রাজস্থানে পাকিস্তানি নাগরিক
বাণিজ্যিক কাজে ভারতের রাজস্থানে অবস্থানরত পাকিস্তানি নাগরিক। (ছবিসূত্র : দ্য হিন্দু)

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী প্রদেশ রাজস্থানে বসবাসরত পাকিস্তানিদের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের সব নাগরিককে রাজ্য ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভারত-পাক সীমান্ত সংলগ্ন বিকানা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ সঙ্ক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করেন।

এদিকে নির্দেশনায় বলা হয়, ‘রাজ্যের প্রতিটি হোটেল বা বাড়িতে পাকিস্তানি নাগরিকদের নতুন করে থাকতে দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকি, পাকিস্তানি নাগরিকদের কোনো ধরনের স্পর্শকাতর তথ্য দেওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ।’

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট থেকে পাঠানো নির্দেশনায় এও বলা আছে, ‘তাছাড়া মোবাইল কিংবা টেলিফোনে পাকিস্তানের নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উপরো কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যেকোনো পাকিস্তানি নাগরিককে কাজ দেওয়ার উপরও থাকছে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা। প্রশাসন এই নির্দেশ প্রত্যাহার না করলে আগামী দু’মাস পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে।’

অপরদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাকিস্তান থেকে বিকানার বসবাসরত শহরবাসীকে ফোন করে ব্যাঙ্গ, বিদ্রূপ এবং নানা উপহাস করা হচ্ছে। মূলত এ কারণে টেলিফোনে পাক নাগরিকদের সঙ্গে সব ধরনের কথা বলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য অথবা অন্য কোনো রকম লেনদেনের উপরেও পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তাছাড়া বিকানা শহরে বসবাসরত কোনো লোক পাকিস্তানি সিম কার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন না। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মিরে এক আধাসামরিক বাহিনীর গাড়ি বহরে পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদের করা হামলায় অন্তত ৪৪ সেনা নিহত হন। হামলার সময় গাড়িটিতে ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) কমপক্ষে ৫৪ জন সদস্য ছিলেন।

উল্লেখ্য, পাক-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন শহর বিকানায় প্রায়ই অনেক পাকিস্তানি নাগরিক আসেন। তারা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কারণে শহরটিতে প্রবেশ করেন। তবে পুলওয়ামা হামলার পর আমাদের মধ্যে পাকিস্তান বিরোধী এক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত সেই ক্ষোভের কারণের বাধ্য হয়ে ভারত সরকার এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড