• শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫  |   ২৩ °সে
  • বেটা ভার্সন

খাসোগি হত্যা ধামাচাপা দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র : পম্পেও

  অধিকার ডেস্ক    ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:২৫

খাসোগি
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার তদন্ত আমেরিকা ধামাচাপা দিচ্ছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, আমেরিকা এ হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দিচ্ছে না। দায়ীদের সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনতে ওয়াশিংটন আরও ব্যবস্থা নেবে। হাঙ্গেরি সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘোষণা দেন।

তুরস্কে খুন হওয়া সৌদি সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মার্কিন কর্তৃপক্ষ তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র খাসোগি হত্যার তদন্ত অব্যাহত রাখবে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান যখন খাসোগি হত্যার তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের নীরবতার সমালোচনা করেছেন এবং মার্কিন আইনপ্রণেতারা নৃশংশ এ খুনের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন ঠিক তখনই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাসোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে এ মন্তব্য করলেন। 

সিআইএর সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে তুরস্কের সরবরাহ করা রেকর্ডিং শোনার পরও এই ধরনের ভয়ঙ্কর ঘটনায় আমেরিকার নীরবতা আমি বুঝতে পারছি না বলে চলতি মাসের শুরুর দিকে তুর্কি গণমাধ্যমে জানায় এরদোয়ান। তিনি বলেছিলেন, এটি কোনো সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়। আমরা সবকিছু পরিষ্কার করতে চাই। কারণ এটি নৃশংসতা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

খাসোগি হত্যাকাণ্ডের চার মাস আগে সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ এসেছিল বলে বারবার দাবি করে আসছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। এ খুনের পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন ২২ জন। এদের মধ্যে ১৫ জন দুইটি বিমানে করে ইস্তান্বুল পৌঁছায়। হত্যাকাণ্ডের দিন তারা ইস্তান্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করে। তুরস্কের জোরালো ভূমিকার পর আদিল জাবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে নেওয়াই প্রমাণ করে সৌদি সরকার এ হত্যার সঙ্গে জড়িত।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন 'ওয়াশিংটন পোস্ট'র সাংবাদিক জামাল খাসোগি। খুনের নির্দেশদাতা হিসেবে আঙ্গুল ওঠে খোদ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে প্রথমে এ হত্যাকাণ্ডের খবর অস্বীকার করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করলেও এর সঙ্গে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্পৃক্ততার খবর অস্বীকার করা হয়। ওই ঘটনায় দুনিয়াজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন সৌদি যুবরাজ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড