• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

আসামের ছাত্রসংগঠনের ৫ জনকে হত্যা করেছিল

মিথ্যা এনকাউন্টারের দায়ে ৭ ভারতীয় সেনার যাবজ্জীবন দিল আর্মি কোর্ট

  অধিকার ডেস্ক    ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:০১

ভারতীয় সেনা কর্মকর্তাদের সাঁজা
ছবি : পিটিআই

১৯৯৪ সালে আসামে মিথ্যা এনকাউন্টার মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহ অভিযোগে সেনাপ্রধান জেনারেল কোর্ট মার্শাল (এসজিসিএম) এর অধীনে এক মেজর জেনারেলসহ সাত সেনা কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছে। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, কর্তৃপক্ষের রায় নিশ্চিত করে কারাগারে পাঠাতে আরও কয়েক মাস সময় নিতে পারে। ‘দা ইকোনোমিকাল টাইমস’

মিথ্যা মামলায় ৫ যুবককে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন, মেজর জেনারেল এ কে লাল, কর্নেল থমাস ম্যাথু, কর্নেল আরএস সিবিরেন, ক্যাপ্টেন দিলীপ সিং, ক্যাপ্টেন জগদেও সিং, নায়েক আলবিন্দর সিং ও নায়েক শিবেন্দর সিং। ১৯৯৪ সালে আসামের তিনশুকিয়ায় ভুয়া এই এনকাউন্টারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারা।

১৯৯৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনশুকিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (এএএসইউ)- ৯ জনকে নেতাকে তুলে নিয়ে যায় সেনাসদস্যরা। একজন শীর্ষ চা বাগান কর্মকর্তার খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়।

আটককৃতদের পরিচয় জানতে চেয়ে ওই বছরেরই ২২ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেন আসামের সাবেক মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা জগদীশ ভুঁইয়া। এরপর আসামের হাইকোর্ট ওই নয়জনকে নিকটবর্তী পুলিশ স্টেশনে হাজির করতে বলে। কিন্তু সেনাসদস্যরা ধল্লা পুলিশ স্টেশনকে পাঁচজনের মৃতদেহ ফেরত দেয়।

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা)-র জঙ্গি তকমা দিয়ে ভুয়া এক এনকাউন্টারে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়। আর চারজনকে পরে ছেড়ে দেয়া হয় বলে জানা যায় মামলার বিরতিতে। আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জগদীশ। তিনি বলেন, আমাদের বিচার ব্যবস্থা, গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার ওপর আমার পুরোপুরি বিশ্বাস আছে।

ছবি : টাইম ৮

চলতি বছরের ১৬ জুলাই এই মামলার কার্যক্রম শুরু হয়ে তা ২৭ জুলাই শেষ হয়। রোববার ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: info@odhikar.news

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড