• রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৬  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন

ঘূর্ণিঝড় তিতলির আঘাতে অন্ধ্রপ্রদেশে ১০ জনের প্রাণহানি

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১২ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:২৯

ভারতে ঘূর্ণিঝড় তিতলি
ভারতে ঘূর্ণিঝড় তিতলির আঘাতে ১০ জনের প্রাণহানি। (ছবিসূত্র : জি নিউজ)

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তিতলির আঘাতে লণ্ডভণ্ড ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উড়িষ্যার উপকূলবর্তী সব এলাকা। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত দশ জন। নিহতরা প্রত্যেকেই অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। প্রদেশটির একাধিক স্থানে উপড়ে পড়েছে গাছ, ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি, কাঁচা ঘর-বাড়ি। খবর আনন্দবাজার।

আনন্দবাজার বলছে, এ ঘটনায় ব্যহত হয়ে পড়েছে প্রদেশের বিদ্যুৎ ও টেলিফোন পরিষেবা। একইসঙ্গে ব্যহত হচ্ছে ট্রেন এবং বিমান পরিষেবাও। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন অফিস। এককথায় জনজীবন হয়ে পরেছে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। 

এদিকে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলায় এখন পর্যন্ত চার জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, অন্যদিকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও অন্তত ছয় মৎস্যজীবীর। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সামনে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও শঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদে আরও বলা হয়, তুমুল ঝড়ো হাওয়া এবং উঁচু ঢেউ নিয়ে ঘূর্ণিঝড় তিতলি আছড়ে পড়েছে উড়িষ্যার গজপতি, গঞ্জম, গোপালপুর, পুরি, খুরদা, জগতসিংপুর, ভদ্রক, বালাসার, কেন্দ্রপাড়াসহ বিভিন্ন জেলাগুলিতেও। এদিন সকাল থেকে রাজ্যটির উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কখনো ঝিরঝিরে আবার কখনো মুষলধারে বর্ষণ হতে দেখা গেছে। 

একাধিক স্থানে গাছ এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে গেছে। উড়ে গিয়েছে বহু বসত বাড়ির ছাদ। জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত। ইতোমধ্যে রাজ্যটির অন্তত পাঁচটি উপকূলবর্তী জেলা থেকে প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। 

অপরদিকে স্বস্তিতে নেই পশ্চিমবঙ্গও। পূজাকে সামনে রেখে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আতঙ্কিত রাজ্যের বেশীরভাগ মানুষ। বুধবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকাল থেকে কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাসহ বর্ধমান জেলার উপকূলবর্তী এলাকায় হালকা বর্ষণ শুরু হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল প্রচণ্ড ভার। বিপর্যয় মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি হিসাবে নবান্নে খোলা হয়েছে দুর্যোগ কন্ট্রোল রুম। প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলার সব দলগুলিকেও। 

এ বিষয়ে দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের মতে, উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসবে এই ঘূর্ণিঝড় তিতলি। তবে এ রাজ্যে আসতে আসতে তিতলির শক্তি অনেকটাই কমে আসবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড