• শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

প্যারিসে রুশ-ইউক্রেনের কূটনীতিকদের বৈঠক

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০৩
প্যারিসে রুশ-ইউক্রেনের কূটনীতিকদের বৈঠক
বৈঠক করছেন রুশ-ইউক্রেনের কূটনীতিকরা (ছবি : রয়টার্স)

রাশিয়া ও ইউক্রেন সীমান্তে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে শুরু হওয়া তীব্র উত্তেজনা নিরসনে আলোচনায় বসেছেন রুশ ও ইউক্রেনের কূটনীতিকরা। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বৈঠকটি শুরু হয়েছে।

এবারের বৈঠকে ফ্রান্স ও জার্মানির কয়েকজন কূটনীতিকও উপস্থিত আছেন বলে এরই মধ্যে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানি ও ফ্রান্সের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের প্রচেষ্টাতেই মূলত এই দুরূহ কাজটি সম্ভব হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালেও একবার বৈঠক হয়েছিল এই চার দেশের প্রতিনিধিদের। সেই বৈঠকের আগের বছর, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়ার দখল নিয়েছিল রাশিয়া।

রাশিয়ার সঙ্গে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইউক্রেনের সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরু হয়েছে পাশ্চাত্য দেশগুলোর সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনকে (ন্যাটো) ঘিরে। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করার পর থেকেই দিন দিন তিক্ত হচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।

আরও পড়ুন : এবার ক্রুজ মিসাইল ছুড়ল উ. কোরিয়া

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার একমাত্র সামুদ্রিক জলপথ কৃষ্ণসাগর। এই সাগরের উপকূলবর্তী অপর দেশ ইউক্রেন যদি ন্যাটোর সদস্য হয়, সে ক্ষেত্রে কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে ন্যাটোর তৎপরতা স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে। যা কখনই রাশিয়ার কাম্য নয়। বিশ্বের বৃহত্তম এই রাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবেই পাশ্চাত্য শক্তিসমূহের আধিপত্যবিরোধী।

মস্কো চায়, কিয়েভ যেন ন্যাটোর সদস্যপদ লাভের আবেদন প্রত্যাহার করে নেয়। এ জন্য প্রথমে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারকে চাপ দিয়েছে রাশিয়া। যদিও তাতে কাজ না হওয়ায় ইউক্রেন-রুশ সীমান্তে গত মাসে এক লাখেরও অধিক সৈন্য মোতায়েন করে দেশটি।

যদিও চলতি মাসে তাদের অধিকাংশ সৈন্য ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো সীমান্তে অবস্থান করছে ১০ হাজারেরও বেশি রুশ সেনা।

রাশিয়া বলছে, ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই রাশিয়ার; বরং রাশিয়া চাইছে তার জলপথ যেন নিরাপদ থাকে; যদিও তাতে একদমই আস্থা রাখাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। কেননা ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দ্বীপ ছিনিয়ে নেওয়ার স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল হয়ে আছে পাশ্চাত্য নেতাদের সামনে।

আরও পড়ুন : ইরাকে এবার স্পিকারের বাড়িতে রকেট হামলা

এর মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্টের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন- মস্কো যদি ইউক্রেনে হামলার কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করে; সেক্ষেত্রে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ; পাশাপাশি, পুতিনের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড