• রোববার, ০৩ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

চীনে রেকর্ড মাত্রায় জন্মহার হ্রাস

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৫৩
চীনে রেকর্ড মাত্রায় জন্মহার হ্রাস
চীনের পতাকা হাতে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু (ছবি : সিনহুয়া)

এশিয়ার পরাশক্তি চীনে রেকর্ড মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে শিশুদের জন্মহার। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় পরিসংখ্যার ব্যুরোর ডাটায় দেখা যায়, ২০২১ সালে দেশটির মূল ভূখণ্ডে প্রতি হাজারে জন্মহার ছিল ৭ দশমিক ৫২। সোমবার প্রতিবেদন খবরটি জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ওই ডাটা প্রকাশের পর দেশটির জন্মহারের নিম্নগামী প্রবণতার দিকটি নতুন করে সামনে উঠে এসেছে।

গেল কয়েক বছর যাবত এমন নিম্নগামী প্রবণতার ফলে ২০২১ সালে দম্পতিদের তিনটি পর্যন্ত সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, বহু দশক যাবত কঠোরভাবে 'এক সন্তান নীতি' অনুসরণের পর ২০১৬ সালে চীন তা বাতিলের ঘোষণা দিয়ে জানায়, সব দম্পতি দুইটি করে সন্তান নিতে পারবেন। যদিও এরপরও জন্মহার স্থায়ীভাবে বাড়েনি। বরং শহরগুলোতে সন্তান বড় করার ক্রমবর্ধমান খরচ বহু চীনা দম্পতির জন্য একটা বড় অন্তরায় হিসাবে কাজ করেছে।

এমন বাস্তবতায় ২০২১ সালে তিনটি পর্যন্ত সন্তান গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার ঘোষণা আসে।

আরও পড়ুন : ‘করোনায় মৃত্যু বাড়ার কারণ ডেল্টা, ওমিক্রন নয়’

পিনপয়েন্ট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান অর্থনীতিবিদ ঝিওয়েই ঝাং। তিনি বলেছেন, জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জটি সুপরিচিত। কিন্তু জনসংখ্যার বার্ধক্যের গতি স্পষ্টতই প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুততর।

২০২১ সালে রেকর্ড মাত্রায় জন্মহার কমে যাওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, চীনে জন্মহার ধারণার চেয়েও দ্রুত গতিতে কমছে।

২০২০ সালে যেখানে ১২ মিলিয়ন শিশুর জন্ম হয়েছে সেখানে ২০২১ সালে এ সংখ্যা ছিল ১০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন।

২০২০ সালে জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে ৮ দশমিক ৫২ জন। এক বছরের মাথায় সেটি কমে ৭ দশমিক ৫২ তে পৌঁছেছে।

২০১৬ সালে চীন যখন বিতর্কিত এক সন্তান নীতির অবসান ঘটিয়ে দম্পতিদের দুই সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেয়, তখনই নীতি পরিবর্তনের পর দুই বছর জনসংখ্যা বাড়লেও তা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান অর্থনীতিবিদ মিজ ইউয়ে সুয়ের মতে, দুই সন্তান নীতির একটা ইতিবাচক প্রভাব জন্মহারের ওপর পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা ছিল স্বল্পমেয়াদী।

আরও পড়ুন : বিদেশিদের প্রবেশে ই-লকার সিস্টেম চালুর পথে মালয়েশিয়া

জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকাতে ১৯৭৯ সালে যে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়েছিল, দীর্ঘদিন চালু থাকা সেই নীতির প্রভাব দেখা গেছে জনসংখ্যা কাঠামোয়। কঠোর সেই নীতি না মানলে জরিমানার বিধান ছিল, আইন অমান্যকারীদের শাস্তি হিসেবে চাকরিচ্যুত করা হতো এবং কখনো কখনো বাধ্যতামূলক গর্ভপাতও করা হতো। ওই আইনের ফলে নারী পুরুষের সংখ্যায় ভারসাম্যের বিশাল অভাব তৈরি হয়েছে। দেশটিতে এমনিতেই ঐতিহাসিকভাবে পুরুষদের প্রাধান্য নারীদের চেয়ে বেশি।

সূত্র : বিবিসি নিউজ, রয়টার্স

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড