• বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বিদেশিদের প্রবেশে ই-লকার সিস্টেম চালুর পথে মালয়েশিয়া

  আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি

১৪ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৪৪
বিদেশিদের প্রবেশে ই-লকার সিস্টেম চালুর পথে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরী হামজাহ জয়নুদিন (ছবি : অধিকার)

মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের প্রবেশে ই-লকার সিস্টেম চালু করছে সরকার। আর সেই ই-লকার দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০২২ সালের ফোকাসগুলোর মধ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। যার মাধ্যমে- মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের প্রবেশের ব্যবস্থাপনায় বিগ ডেটা সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরী হামজাহ জয়নুদিন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলছে, দেশটিতে বিদেশিদের সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য এটি করা হচ্ছে। এছাড়া ই-লকার ব্যবস্থাটি শুধু উপদ্বীপেই নয়, সাবাহ এবং সারাওয়াকেও ব্যবহার করা হবে।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) এক বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, যখন বিদেশিরা মালয়েশিয়ায় পৌঁছাবে, তাদের অবস্থান জানতে ই-লকার সিস্টেম নিশ্চিত করবে যে (তথ্য সম্পর্কিত) ভিসা, সমস্ত নথি এবং মালয়েশিয়ায় তারা যা কিছু করে তা সহজেই পাওয়া যায়। এরই মধ্যে ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ই-লকার সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, এটি সরকার, মূল দেশ, নিয়োগকর্তা এবং বিদেশি কর্মীদের উপকৃত করবে; কারণ এতে বিদেশি কর্মীদের নথিপত্র যেমন- পাসপোর্ট, কর্মসংস্থান চুক্তি, ভিসা এবং কাজের পাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ডিজিটালভাবে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর ক্ষমতায়নে মন্ত্রণালয়ের বিভাগগুলো পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

নতুন বছর পুনর্গঠনের সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুলিশ, ন্যাশনাল অ্যান্টি-ড্রাগ এজেন্সি (নাডা) এবং ইস্টার্ন সাবাহ

সিকিউরিটি কমান্ড (এসকম)। মন্ত্রণালয় ২০২২ সালে নির্দিষ্ট আইনসভা এবং স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতিসহ (এসওপি) বেশ কয়েকটি নীতি পর্যালোচনা করবে। এমনকি প্রাসঙ্গিক সমস্যাগুলো দক্ষতার সঙ্গে পদ্ধতিগতভাবে সমাধান করা হবে।

আরও পড়ুন : ‘করোনায় মৃত্যু বাড়ার কারণ ডেল্টা, ওমিক্রন নয়’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজাহ জয়নুদিন বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জননিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। মন্ত্রণালয় সমস্ত বিদ্যমান আইন যেমন নিরাপত্তা অপরাধ (বিশেষ ব্যবস্থা) আইন ২০১২ (সোসমা), ছাপাখানা এবং প্রকাশনা আইন ১৯৮৪, জেল আইন ১৯৯৫, ব্যক্তিগত সংস্থা আইন ১৯৭১ এবং আল-কুরআন টেক্সট পাবলিশিং অ্যাক্ট ১৯৮৬-এর উপর ভিত্তি করে আমাদেরকে পর্যালোচনা করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে এই আইনগুলো নির্দিষ্ট সংশোধনের প্রয়োজন হলে সেই অনুযায়ী সংশোধন করা হবে।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো. তাজবীর হোসাইন  

নির্বাহী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118243, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড