• মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮  |   ১৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

চীনা ঋণের বোঝায় দেউলিয়ার পথে শ্রীলঙ্কা!

বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতির দাপটও

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:৪৯
চীনা ঋণের বোঝায় দেউলিয়ার পথে শ্রীলঙ্কা!
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও লঙ্কান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে (ছবি : বিবিসি নিউজ)

যে কোনো সময় দেউলিয়া হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। এক দিকে মুদ্রাস্ফীতি আর অপর দিকে এশিয়ার পরাশক্তি খ্যাত রাষ্ট্র চীনের কাছ থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণে ঋণের বোঝা। বর্তমানে সেই জালে জড়িয়ে পড়ে আরও গভীর সমস্যার মধ্যে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশী এই দেশ। সংকটময় এমন পরিস্থিতিতে চীনের কাছে বিশাল ওই ঋণ পরিশোধের বিষয়টি পুনঃ নির্ধারণের আবেদনও পেশ করেছে দ্বীপরাষ্ট্রটি।

এ দিকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে লঙ্কান মুদ্রাস্ফীতি। গত বছর শ্রীলঙ্কার মুদ্রার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত পড়ে যেতে থাকে। এর প্রভাব সরাসরি দৈনন্দিন রুটিরুজির হিসেবেও গিয়ে পড়েছে। গেল ৩০ আগস্ট আর্থিক জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয় দ্বীপরাষ্ট্রটিতে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছুঁয়ে ফেলে। ফলে সাধারণ মানুষের কার্যত নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়।

গেল রবিবার শ্রীলঙ্কা সফরে এসেছিলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সেই সময় তার সঙ্গে বৈঠকে এই আবেদন জানান লঙ্কান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। চীনই বর্তমানে শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় দ্বিপাক্ষিক অংশীদার। তাদের কাছে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি।

এখানেই শেষ নয়, দেশের আর্থিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে আরও ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ধার করতে হয়েছে পরে। বিপুল এই অঙ্কের ঋণ এখন রাজাপাকসে সরকারের অন্যতম মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে। কেবল নেইজিংই নয়, চীনা বিদেশি ঋণের মোট পরিমাণ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৪ সাল থেকেই কলম্বোর ঋণের বোঝা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে ক্রমেই মুখ থুবড়ে পড়ে দেশটির জিডিপি। ২০১৯ সালে তা পৌঁছে যায় ৪২.৮ শতাংশে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে চলতি বছর সব মিলিয়ে অন্তত ৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার শোধ করতেই হবে রাজাপাকসে প্রশাসনকে। যা ক্রমেই অস্বস্তি বাড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন : হিজাবের নতুন নির্দেশনা দিয়ে কাবুলে তালেবানি ব্যানার

‘কলম্বো গেজেট’ পত্রিকায় সুহেল গুপ্টিল লিখেছেন, শ্রীলঙ্কাকে জোড়া বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। এক দিকে বাণিজ্যিক ঘাটতি। অপর দিকে আর্থিক ঘাটতি। এর মধ্যে গেল দুই বছর যাবত চলতে থাকা করোনা পরিস্থিতি বিষয়টিকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত কীভাবে বিদ্যমান এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় শ্রীলঙ্কা; এখন সেদিকেই নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক ওয়াকিবহাল মহলের।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড