• বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১২ মাঘ ১৪২৮  |   ২০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদন 

ওমিক্রন মোকাবিলায় করোনা টিকা কার্যকর

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:১৩
ওমিক্রন মোকাবিলায় করোনা টিকা কার্যকর
মানবদেহে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে (ফাইল ছবি)

মহামারি করোনা ভাইরাসের শক্তিশালী নতুন ধরন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট বিরুদ্ধে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনগুলোর কাজ করা উচিৎ বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ওমিক্রনে সংক্রমিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করতে বিদ্যমান কোভিড টিকাগুলো এখনো কার্যকর হতে পারে।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশ্বের শীর্ষ এই সংস্থার পক্ষ থেকে এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করা হলো যখন দক্ষিণ আফ্রিকার একটি গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্টটি ফাইজারের টিকার সুরক্ষা আংশিক ভাবে এড়িয়ে যেতে পারে।

ডব্লিউএইচওর কর্মকর্তা ড. মাইক রায়ান বলছেন, করোনার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন কোভিড টিকার সুরক্ষা বা কর্যকারিতা নষ্ট করে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি বিষয়ক পরিচালক ড. রায়ান আরও জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থতা প্রতিরোধে বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ঠেকাতে বিদ্যমান করোনা ভ্যাকসিনগুলো খুবই কার্যকর। করোনার যে কোনো ধরনের বিরুদ্ধেই এসব ভ্যাকসিন কার্যকর। এমনকি ওমিক্রনের বিরুদ্ধে এসব টিকা কার্যকর হবে না, এমনটি মনে করার কোনো কারণ নেই।

আরও পড়ুন : মহামারির মাঝেও রমরমা বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্য

তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্যে দেখা যাচ্ছে যে, ডেল্টা বা করোনার অন্যান্য ধরনের তুলনায় ওমিক্রনে মানুষ বেশি অসুস্থ হচ্ছেন না। যদি কেউ অসুস্থ হয়েও থাকে, তাহলেও তাদের সেই অসুস্থতার তীব্রতা কম।

বিশ্লেষকদের মতে, গেল ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপরই তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। একজন বিশেষজ্ঞ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত করোনার বি.১.১.৫২৯ নামক এই ভ্যারিয়েন্টকে ‘এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

এমনকি করোনার এই ধরন মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকেও আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই কর্মকর্তার কথায় আশার আলো দেখা যেতেই পারে।

আরও পড়ুন : বিশ্ব বৈষম্য প্রতিবেদনে ঠাই পেল না বাংলাদেশ

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এশিয়ার পরাশক্তি চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ প্রাণঘাতী ভাইরাসটিকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড