• বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  |   ২৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

গণমাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ নিষিদ্ধের পথে চীন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৬
গণমাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ নিষিদ্ধের পথে চীন
চীনা মিডিয়াতে ভাষণ দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ছবি : সিনহুয়া)

সংবাদমাধ্যমের সকল খাতে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করার প্রচেষ্টা হিসেবে চীনা গণমাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ বন্ধের একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে কর্তৃপক্ষ। খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী- চীনা মিডিয়াগুলোর সঙ্গে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টতা যেমন— সংবাদমাধ্যম স্থাপন অথবা পরিচালনা অথবা বিদেশি গণমাধ্যমের তৈরি সংবাদ পুনঃ প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হবে।

মিডিয়া খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিরোধীদের টুঁটি চেপে ধরতে বেইজিংয়ের চলমান প্রচেষ্টা এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে। চীনা রাজনৈতিক ভাষ্যকার উ জুওলাই বলেছেন, ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি সব সংবাদ এবং সংবাদভাষ্য অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। ভিন্ন ভিন্ন সব কণ্ঠস্বর নির্মূল করছে।

চীনা নাগরিকরা বলছেন, গণমাধ্যমের ভূমিকা সীমিত করা হলে তা জনমতকে বিকৃত করবে। এছাড়া স্থানীয় সরকার অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপের সঙ্গে নিয়মের বাস্তবায়ন করতে পারে।

দেশটির সংবাদমাধ্যমে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করার সর্বশেষ এই প্রস্তাব চীনা অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা- নতুন এই নিয়ম গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও পতনের দিকে নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন : চীনের হাত ধরে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতায় বিশ্ব

বিশ্লেষকদের মতে, চীনা মিডিয়াতে, বিশেষ করে সংবাদপত্রে সরকারি খাতের ব্যাপক বিনিয়োগ থাকে। অপর দিকে অনলাইন সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিগত অথবা বিদেশি বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত চীনা বংশোদ্ভূত চেং ইঝং ব্যক্তিগতভাবে একটি নিউজ ওয়েবসাইট পরিচালনা করেন। তিনি বলেছেন, ১৯৯০ সালের দশক থেকে চীনে সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস সরকারের অর্থায়ন।

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) বলছে, ইন্টারনেট সেন্সরশিপ, নজরদারি এবং অপপ্রচারকে নজিরবিহীন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে চীন। যে কারণে দেশটি সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বে সবচেয়ে খারাপ স্থান এবং লেখকদের ‌‌‘সবচেয়ে বড় কারাগারে’ পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন : নাইজেরিয়ায় অবৈধ শোধনাগারে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫

গত মার্চে আরএসএফের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে চীনের নেতা হওয়ার পর থেকে দেশটিতে অনলাইন সেন্সরশিপ, নজরদারি এবং মিথ্যা প্রচারণাকে নজিরবিহীন জায়গায় নিয়ে গেছেন।

সূত্র : এএনআই

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড