• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইন্দোনেশিয়া-পূর্ব তিমুরে বন্যায় নিহত দেড় শতাধিক

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৫৬
ইন্দোনেশিয়া-পূর্ব তিমুরে বন্যায় নিহত দেড় শতাধিক
মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে (ছবি : রয়টার্স)

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া এবং প্রতিবেশী দেশ পূর্ব তিমুরে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক লোকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারে এরই মধ্যে অভিযান শুরু করেছে উদ্ধারকর্মীরা।

মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরস দ্বীপপুঞ্জ থেকে পূর্ব তিমুর পর্যন্ত অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

মঙ্গলবারও (৬ এপ্রিল) উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চলছে। ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সেরোজার প্রভাবে আকস্মিক ঝড়, বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। হাজার হাজার মানুষ দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সেখানে এখন পর্যন্ত ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে পূর্ব তিমুরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে আরও ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষুদ্র এই দ্বীপটির অবস্থান ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝখানে। বন্যায় দেশটির রাজধানী দিলি ডুবে গেছে। অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে দিলিতে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এই বিপর্যয়ে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। খারাপ আবহাওয়ার সময় কর্মকর্তাদের পরামর্শ মেনে চলার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় এখনো ৭০ জন নিখোঁজ রয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের ধারণা এখনো অনেকেই মাটিচাপা পড়ে আছেন।

তবে কতজন এখন পর্যন্ত নিখোঁজ তা পরিষ্কার নয়। উদ্ধারকাজ এখনো অব্যাহত আছে। এ দিকে ভয়াবহ এই দুর্যোগের মধ্যে বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন অনেকেরই খাবার, ওষুধ এবং কম্বল প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় হাসপাতাল, ব্রিজ এবং হাজার হাজার বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা সংস্থার মুখপাত্র রাদিত্য জাতি বলেন, আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া খারাপ থাকবে।

আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রে একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার

বর্ষার মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ায় আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধস প্রায়ই দেখা যায়। এর আগে গত জানুয়ারিতে পশ্চিম জাভা প্রদেশের সুমেদাং শহরে আকস্মিক বন্যায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে বোর্নো প্রদেশে ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়।

ওডি/কেএইচআর

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড