• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মিয়ানমারে ‘গেরিলা আঘাতের’ ডাক বিক্ষোভকারীদের

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০২ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৩৫
মিয়ানমারে ‘গেরিলা আঘাতের’ ডাক বিক্ষোভকারীদের
মিয়ানমারের সড়কে বিক্ষোভরত জনতা (ছবি : রয়টার্স)

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদে রাতভর মোম জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীরা শুক্রবার (২ এপ্রিল) থেকে ইন্টারনেটের ওপর সামরিক জান্তার দেওয়া নতুন বিধিনিষেধের মধ্যেই সংগঠিত হওয়ার উপায় বের করার চেষ্টা করছে।

যোগাযোগের উপায় সীমিত হয়ে যাওয়ায় সামনের দিনগুলোতে দেশবাসীকে ‘গেরিলা’ কায়দায় প্রতিবাদ অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানিয়েছে তারা।

অভ্যুত্থান বিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী এখন নিজেদের মধ্যে রেডিও তরঙ্গ, অফলাইন ইন্টারনেটের কায়দাকানুন ও মোবাইল বার্তার মাধ্যমে নিউজ এলার্ট সরবরাহকারীদের নাম্বার বিনিময় করে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কর্তৃপক্ষ নতুন বিধিনিষেধ দেওয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে এখন কেবল ফিক্সড-লাইনেই ইন্টারনেট সেবা চালু আছে, তারবিহীন ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ইন্টারনেট নিয়ে নতুন এ আদেশের বিষয়ে টেলিকম কোম্পানিগুলোর কাছে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সামরিক জান্তা। অভ্যুত্থান বিরোধী আন্দোলন দমনে এর আগে তারা মোবাইল ডাটায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

বিক্ষোভকারীরা বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাতে দেওয়া এক আহ্বানে বিভিন্ন বাস স্টপে ‘ফুল হামলা’ চালানোরও ডাক দিয়েছে; নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত অনেক বিক্ষোভকারীরই শেষ যাত্রা এসব বাস স্টপ থেকে হয়েছিল।

ফেসবুক পোস্টে বিক্ষোভকারীদের এক নেতা খিন সাদার বলেছেন, আগামীকাল (শুক্রবার) আমরা বাস স্টপগুলোতে ফুল রেখে আসব। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে এটুকুই আমি আপনাদের জানাতে চাই।

তিনি আরও বলেন, সামনের দিনগুলোতে সড়কে আরও বিক্ষোভ হবে। যত বেশি সম্ভব গেরিলা আঘাত হানুন। আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। চলুন ফের রেডিও শুনি, একে অপরকে ফোন করি।

এক সময়কার ব্রিটিশ উপনিবেশ মিয়ানমার গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই টালমাটাল দিন কাটাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর শাসন বিরোধী বিক্ষোভ এরই মধ্যে দেশটিতে অন্তত ৫৪৩ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারে অভ্যুত্থান বিরোধী কর্মসূচিতে হতাহত ও গ্রেপ্তারের খোঁজখবর রাখা গোষ্ঠী অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্স।

বৃহস্পতিবার দিনের পাশাপাশি রাতেও বিভিন্ন শহরের রাস্তায় অভ্যুত্থান বিরোধী বিক্ষোভ দেখা গেছে। অনেক জায়গায় আন্দোলনকারীরা সামরিক বাহিনীর করা ২০০৮ সালের সংবিধানের কপি পুড়িয়েছে।

এদিনও পুলিশের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। নিহতদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী একজন আছে বলেও জানিয়েছে তারা।

আরও পড়ুন : সু চির বিরুদ্ধে আদালতে নতুন মামলা

রাতের এক বিক্ষোভেও নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালিয়েছে, সেখানে সে সময় প্রায় ৪০০ সেনা উপস্থিত ছিল বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম খিত থিত। যদিও ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে তথ্যটি যাচাই করতে পারেনি।

ওডি/কেএইচআর

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড