• বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

অভুক্ত মরছে মানুষ, আপনি ফেলছেন ৫০ কেজি খাবার

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২১, ১৩:৫৩
অভুক্তদের খওয়ার আনন্দ
অভুক্তদের খওয়ার আনন্দ। (ছবি: সংগৃহীত)

মানব সভ্যতা অনেক দূর এগিয়ে গেলেও এখনো বিশ্বজুড়ে অভুক্ত মানুষের সংখ্যা অগণিত। পুরো দুনিয়ায় শুধুমাত্র খেতে না পেয়ে অগণিত মানুষ মারা যাচ্ছেন। এদিকে রিসার্স রিপোর্ট বলছে শুধু ২০১৯ সালেই প্রায় ৯৩১ মিলিয়ন টন খাদ্য নষ্ট করা হয়েছে।

একদিকে অভুক্ত মানুষের মৃত্যু মিছিল অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ খাদ্য বিনা ব্যবহারে নষ্ট হয়ে যাওয়া। দুইয়ে মিলে এক অস্বস্তিকর তথ্য সামনে এসেছে।

২০২১ ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড ন্যাশনের এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম। এতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৯৩১ মিলিয়ন টন খাদ্য নষ্ট হয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এই খাবারগুলো হোটেল, রেস্টুরেন্ট, উৎসব অথবা অনেক বাড়িঘর থেকেই ফেলে দেওয়া হয়েছে ডাস্টবিনে। তথ্য বলছে ভারতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাশস্য, তেলবীজ, আখ এবং হর্টিকালচার উৎপাদনের সমান পরিমাণের এই নষ্ট হওয়া খাবারের পরিমাণ।

রিপোর্টে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, গ্লোবালি খাবার নষ্টের পার ক্যাপিটা লেভেল ১২১ কেজি। সমগ্র দুনিয়ার মানুষ ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন খাবার ব্যবহার করেন যার মধ্যে ১৭ শতাংশেরই জায়গা হয় ডাস্টবিনে। সাউথ এশিয়ার দেশগুলোতে বাড়ি প্রতি ৫০ কেজি খাবার নষ্ট হয়। যে তুলনায় প্রতিদিন ৮২ কেজি হয় আফগানিস্তানে। ৭৯ কেজি নেপালে, ৭৬ কেজি শ্রীলঙ্কায়, ৭৪ কেজি পাকিস্তানে এবং ৬৫ কেজি খাবার নষ্ট হয় বাংলাদেশে।

ইউনাইটেড ন্যাশনের ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ২০১৯ সালে ৬৯০ মিলিয়ন মানুষ অভুক্ত ছিলেন যা মহামারি পরিস্থিতি চলার সময়ে আরও কয়েকগুণ বেড়েছে।

রিপোর্ট বলছে, খাবার নষ্ট করার প্রবণতা শুধুমাত্র যে ধনী দেশগুলোতে রয়েছে তা নয়। গরিব বা নিম্ন মধ্যবিত্ত রোজগারের দেশগুলোর মধ্যেও এই প্রবণতা সমান। তবে সমাজকর্মীরা চাইছেন এর একটা সুরাহা হোক। বন্ধ হোক খাবার নষ্ট হওয়ার প্রবণতা। সমগ্র দুনিয়া জুড়ে পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। যাতে করে অন্তত অভুক্ত মানুষগুলোর মুখে কিছুটা হলেও খাবার তুলে দেওয়া যায়।

আরও পড়ুন : বিশ্বজুড়ে আলোচিত হচ্ছে মিয়ানমারের ‘জেনারেশন জেড’

মানুষ যদি খাবার ডাস্টবিনে না ফেলে সংরক্ষণ করে এবং অভুক্তদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নেয় তাহলে সেটাই হবে মানব কল্যাণে সব থেকে বড় উদ্যোগ। বিভিন্ন এনজিও এই উদ্যোগ নিলেও সাফল্য না মেলায় বন্ধ করে দিয়েছে এই কাজগুলো। ফের নতুন করে ভাবার প্রয়োজন হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

ওডি

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড