• বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

‘নৌকায় লোক বেশি’ বলেই ৮০ জনকে সমুদ্রে ফেলল পাচারকারীরা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২১, ০৯:৫১
‘নৌকায় লোক বেশি’ বলেই ৮০ জনকে সমুদ্রে ফেলল পাচারকারীরা
সমুদ্রের পানিতে ভাসছে অভিবাসন প্রত্যাশীরা (ছবি : রয়টার্স)

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকলেও থামেনি অবৈধ অভিবাসন। আফ্রিকার বহু মানুষ এখনো মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দেশগুলোতে গিয়ে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় রওয়ানা দিচ্ছেন বেআইনি পথে। এ কাজ করতে গিয়ে সম্প্রতি প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, বুধবার (৩ মার্চ) আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় দেশ জিবুতি থেকে ইয়েমেনগামী একটি নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই হয়ে গেলে সেখান থেকে ৮০ জনকে ছুড়ে ফেলে পাচারকারীরা। এতে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নৌকাটিতে শিশুসহ অন্তত ২০০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী উঠেছিলেন। তখন পাচারকারীরা অতিরিক্ত লোক হয়ে গেছে বলে চিৎকার করতে থাকে।

আইওএম জানিয়েছে, এ পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া লোকদের জিবুতিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন : আন্তঃ মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের, অপেক্ষায় রাশিয়া

এসব অভিবাসন প্রত্যাশী কোন দেশের নাগরিক, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে আফ্রিকান অভিবাসন প্রত্যাশীরা সাধারণত ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ বলে খ্যাত এলাকাগুলো থেকে রওয়ানা দিয়ে প্রথমে ইয়েমেনে প্রবেশ করেন। পরে সেখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উন্নত দেশগুলোতে ঢোকার চেষ্টা করেন।

গত অক্টোবরেই জিবুতির কাছে নৌকা থেকে ফেলে দেওয়ায় আট অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৭ সালে ইয়েমেন উপকূলে সোমালিয়া ও ইথিওপিয়ার অন্তত ৫০ অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেলে দিয়েছিল পাচারকারীরা।

আরও পড়ুন : তাজমহলে বোমাতঙ্ক

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে এই রুটেই একটি নৌকা ডুবে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা গুলি চলার কথা উল্লেখ করেছিলেন।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড