• শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

কালো বলায় ঘুষি মেরে বন্ধুর নাক ফাটিয়েছিলেন ওবামা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫:৩৯
কালো বলায় ঘুষি মেরে বন্ধুর নাক ফাটিয়েছিলেন ওবামা
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (ছবি : বিবিসি নিউজ)

বর্ণবিদ্বেষের খোঁচা দিয়েছিলেন বন্ধু। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট তখন যুবক। অপরিপক্ব মন, এরপরও ভেতরে ধিকিধিকি জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ তিনি দিয়েছিলেন বন্ধুকে। এ দিকে বন্ধুও নাছোড়বান্দা। এরপরেই সজোরে তার নাক লক্ষ্য করে ঘুষি চালিয়েছিলেন বারাক ওবামা।

বর্ণবিদ্বেষের বিষয়ে আগেও অকপটে নিজের অভিজ্ঞতা স্বীকার করেছেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বরাবরই শান্তিপ্রিয় স্বভাবের ওবামা ৫০ পার করলেও এখনো তিনি অনেকের কাছেই 'ইয়ুথ আইকন'। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন একাধিক দেশের সঙ্গে মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করে নজির গড়েছিলেন। ফলে ওবামার নাক ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

ঠিক কোন পরিস্থিতিতে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছিল প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, স্কুলে থাকাকালীন এক বন্ধুর সঙ্গে নিয়মিত বাস্কেটবল খেলতেন তিনি। একদিন একটি আলোচনা থেকে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ধেয়ে আসে তার দিকে।

ওবামা জানিয়েছেন, বন্ধুর সেই সময় ওই শব্দগুলোর অর্থ বা ভার বোঝার মতো বয়স বা বোধশক্তি তৈরি হয়নি। এরপরেই আমেরিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হেসে বলেন, রাগে আমি ঘুষি মেরে ওর নাক ফাটিয়ে দিয়েছিলাম। এমনকি বন্ধুকে এ ধরনের কোনো শব্দ ভবিষ্যতে ব্যবহার না করারও অনুরোধ করেছিলাম।

আরও পড়ুন : হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝোলানো হলো নারীকে!

শুধু বারাক ওবামাই নয়, বর্ণবিদ্বেষ ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাও। তিনি বলেন, ৮ বছর হোয়াইট হাউসে থাকার পরেও বর্ণবিদ্বেষের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়নি।

তিনি দাবি করেছেন, মানুষ জানে, কোথায় আঘাত করলে সব থেকে বেশি আঘাত পাব। কৃষ্ণাঙ্গ বলে আমেরিকায় একাধিকবার হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার ছোট ক্ষত নিয়ে বেঁচে থাকছি।

উল্লেখ্য, আমেরিকায় দীর্ঘদিন ধরেই বর্ণবিদ্বেষের শিকার আফ্রিকানরা। গত বছর পুলিশি নির্যাতনে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যু ঘটনায় জ্বলে উঠেছিল সে দেশ। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার অনুষঙ্গেই উঠে এসেছিল ডেরিক অলি স্কট নামক আরেক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনাও।

আরও পড়ুন : ‘ট্রাম্পের চেয়েও ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে মোদীর’

২০১৯ সালে পুলিশি হেফাজতেই মৃত্যু হয়েছিল ডেরিকের। মাত্র ৪২ বছর বয়সে। ওকলাহোমা সিটি পুলিশের প্রকাশিত সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। যা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছিল আমেরিকার বাসিন্দারা।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড