• বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১, ৬ মাঘ ১৪২৭  |   ২০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

উইঘুর ইস্যুতে চীনা পণ্য নিষিদ্ধ করছে যুক্তরাজ্য

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৫৯
উইঘুর ইস্যুতে চীনা পণ্য নিষিদ্ধ করছে যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধের মুখে থাকা চীনা পণ্য (ছবি : দ্য ডেইলি মেইল)

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের জোরপূর্বক কাজ করানোর মাধ্যমে যেসব পণ্য তৈরি হচ্ছে, সেগুলো আমদানি নিষিদ্ধ করতে চলেছে যুক্তরাজ্য। শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রস্তাব ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব। সোমবার (১১ জানুয়ারি) দ্য সান ও দ্য গার্ডিয়ানের মতো ব্রিটিশ মিডিয়াগুলো তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

বছর দুয়েক ধরেই চীন-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য চীনের বিরুদ্ধে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য গোপনের অভিযোগ এবং হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের নিপীড়নের বিষয়ে সরব হওয়ায় ক্ষুব্ধ বেইজিং।

জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর সম্প্রদায়ের সঙ্গে চীন সরকারের আচরণেরও কড়া সমালোচনা করেছে যুক্তরাজ্য। সেখানে তুলা উৎপাদনে উইঘুরদের দিয়ে জোরপূর্বক কাজ করানোর প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সরকার।

বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ তুলা উৎপাদন হয় জিনজিয়াংয়ে। সেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণে টেক্সটাইল শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট সচেতন নয় বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। অবশ্য চীন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন : চীনে স্বর্ণের খনিতে বিস্ফোরণে আটকা পড়েছেন ২২ শ্রমিক

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা পরীক্ষায় যথেষ্ট প্রচেষ্টা দেখাতে ব্যর্থ হলে জরিমানার প্রস্তাব উত্থাপন করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তবে দ্য সান জানিয়েছে, ডমিনিক রাবের ওই প্রস্তাবে চীনের কথিত উইঘুরদের ‘কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ সংশ্লিষ্ট চীনা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি থাকছে না।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মূল্যবোধ এবং স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে যেখানে উদ্বেগ রয়েছে, আমরা সেগুলো উত্থাপন করি এবং চীনকে এর জন্য দায়ী করি।

আরও পড়ুন : সাইবারস্পেস নিয়ন্ত্রণে চীনের ‘নয়া হাতিয়ার’ সাবমেরিন ক্যাবল

চীনের অন্যতম সমালোচক এবং কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা ডানকান স্মিথ ব্রিটিশ সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। যদিও তার মতে, চীনের জন্য এই ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়।

অন্য দিকে লন্ডনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লিউ জিয়াওমিং গত সপ্তাহে বলেছিলেন, যুক্তরাজ্য চীনকে অংশীদার নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবে, সেটা ওপরই নির্ভর করছে দুই দেশের সম্পর্ক। তার কথায়, বল এখন যুক্তরাজ্যের কোর্টে।

আরও পড়ুন : ট্রাম্পের ভুলে অনুদান হারাল রিপাবলিকানরা

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, জিনজিয়াংয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নামে বন্দিশিবির তৈরি করে অন্তত ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমদের আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে চীন। তবে চীনা সরকারের দাবি, ওই অঞ্চলে দারিদ্র্য নির্মূলের লক্ষ্যেই প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলো তৈরি হয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড