• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাক সেনাপ্রধানের সফরের মাঝেই অধিকৃত কাশ্মীরে ব্যাপক বিক্ষোভ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ অক্টোবর ২০২০, ১৬:০৬
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) আলিয়াবাদ হুঞ্জায় কারাবন্দী রাজনৈতিক নেতা বাবা জনসহ ১৪ জনের মুক্তির দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণকে নিয়ে সরকারবিরোধী 'উস্কানিমূলক' কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০১১ সালে তাঁদের আটক করা হয়। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পিওকে পরিদর্শন করার সময় এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়েছে। গত ৬ অক্টোবর গিলগিটে বিশেষ যোগাযোগ সংস্থার (এসসিও) উদ্যোগে অত্যাধুনিক সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন করেছেন বাজওয়া।

কারাগারে বন্দী নেতাদের মুক্তি দাবিতে গঠিত একটি সংস্থা আসিরান-ই-হুনজা রিহাই কমিটি এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি), পাকিস্তানি মুসলিম লীগ (নওয়াজ) (পিএমএল-এন), ধর্মীয় ও স্থানীয় সংস্থাগুলো এবং বন্দীদের পরিবারের সদস্যরা বিক্ষোভে সমবেত হয়েছিল।

বিক্ষোভকারীরা আলিয়াবাদ হুনজার কলেজ চক, করকরাম হাইওয়ে অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। কারাবন্দীদের মুক্তির দাবি সহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করে। বিক্ষোভকারীরা হুনজার ১৪ জন রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তির জন্য স্লোগানও দেয়।

বিক্ষোভকারীরা বলেছে যে, আতাবাদ হ্রদ বিপর্যয়ের শিকার ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ের জন্য সোচ্চার হওয়ায় বাবা জনসহ আরো ১৩ জনকে ২০১১ সালে অবৈধভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

তারা বলেছিল আশ্চর্যজনক যে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন (এটিএ) জনগণের অধিকারের পক্ষে কথা বলা মানুষদের কণ্ঠরোধ করছে।

বাবা জন ৯০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। তিনি এমন একজন নেতা, যিনি তৎকালীন পাকিস্তান প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। যারা মূলত গিলগিট-বালতিস্তানের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছিল।

পাকিস্তানের সংস্থাগুলো গিলগিট-বালতিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের চূড়ান্ত অপব্যবহার করেছে। মানুষের যুক্তিসঙ্গত অধিকার আদায়ের কণ্ঠস্বরকে থামিয়ে দিতেই এই আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কেবলমাত্র পাকিস্তানি শাসন চাপিয়ে দেওয়ার জন্যই এন্টি টেরোরিজম আইনকে হাতিয়ার করা হয়েছে।

গিলগিট এবং মুজাফফারাবাদের পুতুল সরকারগুলো, যারা মূলত ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির সামন্তবাদী অভিজাতদের নির্দেশ মতো কাজ করে। তারা এই অঞ্চলের মানুষকে দমন করার জন্য এবং তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে নিয়মিত মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। সূত্র : ইয়াহু নিউজ।

ওডি/

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড