• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বরফে ধাক্কা নয়, এক অদ্ভুত কারণে ডুবেছে টাইটানিক

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:২২
টাইটানিক

১৯১২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিক জাহাজটি ডুবে যায়। জানা যায়, হিমশৈলে ধাক্কা খেয়ে গভীর রাতে টাইটানিক ডুবে যায়। কিন্তু বর্তমান বিজ্ঞানীদের দাবি, এই জাহাজের ডুবে যাওয়ার পিছনে দোষ যে শুধু বরফের না। টাইটানিক বানানোই হয়েছিল এমন ভাবে যা কোনও অবস্থাতেই ডুবে না যায়। সদ্য প্রকাশিত এক রিসার্চ পেপার তাই টাইটানিকের এই পরিণতির পিছনে অন্য এক সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে।

মিলা জিনকোভা নামে এক গবেষকের মতে, টাইটানিকের ডুবে যাওয়ার পেছনে সৌরঝড়েরও ভূমিকা রয়েছে। সৌরঝড়ে সূর্যের উপরিভাগে তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়, তার ফলে পৃথিবীর স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায়তেও বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন- ব্যঙ্গ করে নোবেল পুরস্কার দিলেন মোদীকে

জিনকোভার দাবি, সৌরঝড় এবং তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া জিওম্যাগ্নেটিক ঝড়, টাইটানিককে ডুবিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ। ওয়েদার জার্নালে প্রকাশিত তার এক প্রবন্ধ অনুযায়ী, ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনার সময় শিপটাইম ছিল ২৩৪০। জাহাজের চতুর্থ অফিসার জোসেফ বক্সহেল সেই সময় এসওএস পয়েন্টে ছিলেন। যেখানে জাহাজ থাকার কথা তার থেকে ১৩ নটিক্যাল মাইল দূরে টাইটানিকের অবস্থান ছিল। জাহাজ ডুবে যাওয়ার সময় যখন এসওএস বার্তা পাঠানো হয়, সেইসময় উদ্ধারকারী জাহাজ কার্পেথিয়া, টাইটানিকের যেই জায়গায় থাকার কথা সেই অঞ্চলের বার্তা পায়। তাও কার্পেথিয়া জাহাজের ক্যাপ্টেনের বুদ্ধিমত্ততায় টাইটানিকে থাকা বেশ কিছু মানুষের প্রাণ বাঁচে। যোগাযোগের এই ভুলের কারণ জিনকোভা সেই সময় সূর্যে ঘটে যাওয়া ঝড়ের জন্য বলেই মনে করছেন।

সৌরঝড় এবং জিওম্যাগ্নেটিক ঝড় এই দুই-ই টাইটানিকের নেভিগেশন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট করে দিয়েছিল। বিশেষ করে এই ঝড়ের জন্যই জাহাজের চৌম্বকীয় কম্পাস ঠিক ভাবে কাজ করতে পারেনি। আর যার জন্য দিক ভুল করে টাইটানিক হিমশৈলে ধাক্কা মারে। অফিসিয়াল রিপোর্টে বলা হয়, জাহাজের কিছু নতুন কর্মীদের জন্যই টাইটানিক এই দুর্ঘটনার শিকার। যিনি জাহাজের রেডিও যোগাযোগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি অনিচ্ছাকৃত ভাবে সার্কিট নষ্ট করে ফেলেন। জিনকোভা অবশ্য জানিয়েছেন,সেইসময় জিওস্টর্ম নিয়ে সবে প্রাথমিক ধারণা গড়ে উঠছিল। যার ফলে জাহাজের ওই কর্মীদের পক্ষে সিগন্যাল এবং নেভিগেশনের অসুবিধাগুলো নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কিছু করে ওঠাও সম্ভব হত না।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected].com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড