• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আজাদ কাশ্মীর ও বালতিস্তানে জনসংখ্যার বিন্যাস বদলাচ্ছে পাকিস্তান? 

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:১২
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান সরকার অধিকৃত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলে তার অবৈধ ঘৃণ্য কার্যকলাপ পুনরায় শুরু করেছে। সেনাবাহিনী ও চীনা নাগরিকদের দিয়ে এই অঞ্চলের জনসংখ্যার বিন্যাস বদলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এরই মধ্য এই অঞ্চলে শিয়া জনসংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের টার্গেট গণহত্যা, পাঞ্জাবি অভিজাত এবং সেনা সদস্যদের অধিকৃত কাশ্মীর এবং গিলগিট- বালতিস্তানে বসতি স্থাপনের ফলে পাকিস্তান যে জনসংখ্যার পরিবর্তন আনতে চাইছে সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তান এরই মধ্যে অধিকৃত কাশ্মীর থেকে শিখ জনসংখ্যা নির্মূল করতে সফল হয়েছে। নতুন করে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিসি) -র পক্ষে কাজ করার ছদ্মবেশে চীনা শ্রমিক এবং সেনাবাহিনী এই অঞ্চলগুলোতে বিশেষত গিলগিট-বালতিস্তানে বসতি স্থাপন করছে।

আইন ও সোসাইটি জোটের একটি প্রতিবেদনে জম্মু ও কাশ্মীরের মানবাধিকারের অবস্থা এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানের মানবাধিকারের অবস্থার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বার্ষিক বাজেটের বরাদ্দের ক্ষেত্রে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানের তুলনায় জম্মু-কাশ্মীরে ভারত কয়েকগুণ বেশি বরাদ্দ দিয়ে আসছে। সর্বনিম্ন শিশু মৃত্যুর হার, উচ্চ কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং একাধিক উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের ফলে ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে জম্মু-কাশ্মীর। পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানের। সেখানে মানবাধিকারের অবস্থা খুবই শোচনীয়, স্বল্প সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্র। ফলে এলাকাটি বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

এই প্রতিবেদনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অনুসন্ধান হল, ১৯৬১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিগত পাঁচ দশকের আদমশুমারিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত অভিন্ন রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে আজ পর্যন্ত জনসংখ্যার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

একইভাবে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানের উপাত্তে দেখা যায় সেখানকার স্থানীয় কোন ভাষাই পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয়নি। তাঁদের উপর উর্দু চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে পাঞ্জাবিদের আধিক্য বৃদ্ধি পেয়েছে। শিয়া এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হ্রাস পেয়েছে। শিখ জনসংখ্যা নির্মূল হয়ে গেছে। ফলে এটা স্পষ্টতই বোঝা যায় পাকিস্তান ওই অঞ্চলের জনসংখ্যার বিন্যাস পরিবর্তনের এজেন্ডা নিয়ে কাজ করেছে। সূত্র: জি নিউজ।

ওডি/

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801721978664

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড