• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আফগানিস্তানে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চায় তালিবান

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:৩০
আফগানিস্তানে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চায় তালিবান
নিজেদের মধ্যে বৈঠক করছেন তালিবান নেতারা (ছবি : আল-জাজিরা)

দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারানোর পরে কাতারের রাজধানী দোহায় তালিবান ও আফগান সরকারের মধ্যে ‘শান্তি’ আলোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দোহার একটি হোটেলে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় পুনর্মিলনী পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ, তালিবানের উপনেতা মোল্লা আবদুল গনি বরদার ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি একটি মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে হাত মেলাই এবং সততার সাথে কাজ করি, তাহলে দেশে চলমান দুর্দশার অবসান হবে। এ সময় তিনি ‘মানবিক’ কারণে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান।

তালিবানের উপনেতা মোল্লা আবদুল গনি বরদার বলেন, আমার দলের পক্ষ থেকে আমি আফগানিস্তানে ইসলামী ব্যবস্থা প্রণয়নের কথা পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা চাই আফগানিস্তান একটি স্বাধীন ও উন্নত দেশ হোক এবং এতে ইসলামিক ব্যবস্থা কায়েম হোক, যেখানে এর সব নাগরিক নিজেদের আদর্শের প্রতিফলন দেখতে পাবে।

আরও পড়ুন : পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, আপনাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির রূপরেখা আপনাদেরই তৈরি করতে হবে। সেটা ঠিক করতে হবে খোলা মন নিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই।

তিনি আরও বলেন, দুই পক্ষকেই একে অপরের কথা বুঝতে হবে। দুই পক্ষকেই নিপুণভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পুরো বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা আপনাদের সফলতা দেখতে চায়।

উদ্বোধনী ভাষণে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল থানি বলেন, দুই পক্ষকেই বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। কাউকে এককভাবে বিজয়ী হওয়ার মনোভাব ত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত নিল ইরান

উল্লেখ্য, গত মার্চেই আন্তঃ আফগান আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-তালিবান চুক্তির অংশ হিসাবে বন্দিবিনিময়ে মতভেদ ঘটায় তা বিলম্বিত হয়েছিল।

চুক্তিতে তালিবান এক হাজার আফগান সেনা মুক্তি দিতে রাজি হয়েছিল। আর আফগান সরকার বলেছিল তারা ৫০ হাজার তালেবান বন্দিকে মুক্তি দেবে। তবে আফগানিস্তানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি জালমে খলিলজাদ বলেছেন, আলোচনার ফলে দেশে যুদ্ধের সমাপ্তির আশা বাড়লেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন : ইয়েমেনে সৌদি জোটের ভয়াবহ বিমান হামলা

আলোচনার টেবিলে পাঁচজন মহিলা প্রতিনিধি রয়েছেন, যারা আলোচনার সময় নারীর অধিকার রক্ষার এবং সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন। আফগান সরকার বর্তমান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা সমর্থন করে; কিন্তু তালেবান ইসলামী শাসনব্যবস্থার পুনঃ প্রতিষ্ঠা চায়।

সূত্র : আল-জাজিরা

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড